Mahakal Shiva

Mahakal Shiva Speed and ergonomics

The peak speed of the butterfly is faster than that of the front crawl, due to

পঞ্চমুণ্ডির আসনে কি ভাবে সাধনা করবেন? কি ভাবে বানাবেন ? কিভাবে অমিত শক্তিশালী হবেন? অজানা রহস্য
15/12/2022

পঞ্চমুণ্ডির আসনে কি ভাবে সাধনা করবেন? কি ভাবে বানাবেন ? কিভাবে অমিত শক্তিশালী হবেন? অজানা রহস্য

পঞ্চমুণ্ডির আসনে কি ভাবে সাধনা করবেন? কি ভাবে বানাবেন ? কিভাবে অমিত শক্তিশালী হবেন? অজানা রহস্য 💀🌺💀আমরা জানি এই প.....

মা কালী স্বপ্নাদেশ দিয়ে পঞ্চমুণ্ডির আসনে প্রতিষ্ঠিত  হয়েছেন  সাদা_কালী  রূপে
21/10/2022

মা কালী স্বপ্নাদেশ দিয়ে পঞ্চমুণ্ডির আসনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন সাদা_কালী রূপে

মা কালী স্বপ্নাদেশ দিয়ে পঞ্চমুণ্ডির আসনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন সাদাকালী রূপে সাধকের বাড়িতে Route : Jadavpur Thana to Ruby Auto stopag...

https://www.facebook.com/103859414664853/posts/604355381281918/
10/08/2022

https://www.facebook.com/103859414664853/posts/604355381281918/

🙏🌺পঞ্চম মহাবিদ্যা ভৈরবী🌺🙏

-: ত্রিপুরা ভৈরবী:-
দেবী ভৈরবী দশ মহাবিদ্যার পঞ্চম দেবী।ভৈরব কথার অর্থ হলো ভয়ংকর আর ভৈরবের স্ত্রী শক্তি হওয়াতে উনার নাম ভৈরবী। তন্ত্র শাস্ত্রে অ থেকে অ: পর্যন্ত অক্ষর কে ভৈরব ও ক থেকে ক্ষ পর্যন্ত অক্ষর কে যোনি বা ভৈরবী বলা হয়। উনি গুপ্ত তান্ত্রিক বিদ্যার দেবী। উনি ললিতা দেবীর রথ বাহিনী। ব্রহ্মাণ্ড পুরাণে উনাকে গুপ্ত যোগিনীদের অধিষ্ঠাত্রী দেবী বলা হয়েছে।

🌺 স্বরূপ:- দেবী ভৈরবী অত্যন্ত উগ্র দেবী। উনি রক্ত বস্ত্র পরিধানা, উনার বক্ষ দেশ রক্ত চন্দন দিয়ে চর্চিত। উনি ত্রিনয়না, চতুর্ভুজা। বাম দিকের হতে অক্ষমালা ও বেদ পুস্তক এবং ডান দিকের হাতে অভয় ও বর মুদ্রা শোভা পাচ্ছে। উনি রক্ত পদ্মাসনা দেবী। বেদ জ্ঞানের প্রতীক এবম অক্ষমালা তপের প্রতীক। উনার থেকেই ব্রহ্মাণ্ড প্রকাশিত হচ্ছে আবার উনাতেই ব্রহ্মাণ্ড বিলীন হয়ে যাচ্ছে। উনি সূক্ষ্ম বাক ও মূল কারণের অধিষ্ঠাত্রী দেবী। মুন্ডমালা তন্ত্রে বলা হয়েছে যে উনি নৃসিংহ দেবের অভিন্ন শক্তি।

🌺 প্রকারভেদ:- উনি প্রণব স্বরূপিনী।উনার অনেক রুপ বর্তমান যেমন বর্তমান সিদ্ধি, নিত্যা, কমলেশ্বরী, কামেশ্বরী, ষটকূটা, রুদ্র ভৈরবী, চৈতন্য ভৈরবী, কাল ভৈরবী প্রমুখ।

🌺 অবস্থান:- শ্মশানঘাট।

🌺 ভৈরব:- দক্ষিণামূর্তি কাল ভৈরব ও বটুক ভৈরব।

🌺 সহচরী:- ৬৪ যোগিনী।

🌺 আবির্ভাব:- শ্রী শ্রী চণ্ডী গ্রন্থে উনার উল্লেখ আছে যে মহিষাসুর এর সঙ্গে যুদ্ধের সময় উনি আবির্ভূতা হয়ে নিজের নখ দিয়ে মহিষ রুপী মহিষাসুরের বুক চিরে রুধির ধারা পরিবাহিত করেছিলেন। পঞ্চমুন্ডি আসনে প্রতিষ্ঠিত ভৈরবী দেবীকে আবার চণ্ডী রূপেও আখ্যায়িত করা হয়। উনার আবির্ভাবের রাত্রি কে কালরাত্রি বলা হয়।

🌺 আরাধনা:- সিদ্ধি ভৈরবী মূলত উত্তর আম্নার দেবী। নিত্যা ভৈরবী পশ্চিম আম্নার দেবী, শিব হচ্ছেন উনার উপাসক। রুদ্র ভৈরবী দক্ষিণ আম্নার দেবী, বিষ্ণু উনার উপাসক। মূলত তান্ত্রিক মার্গেই উনার পূজা হয়ে থাকে।

🌺 মহিমা:- উনি সর্ব সিদ্ধি ও বাকশক্তি প্রদায়িনী। উনি অভিষ্ট ফল দায়িনী।
🌺জয় মা ভৈরবী 🌺

https://www.facebook.com/103859414664853/posts/599159825134807/
02/08/2022

https://www.facebook.com/103859414664853/posts/599159825134807/

🔱☠🌺মাতা চামুণ্ডা কালী।উদয়পুর।তারাপীঠ 🔱

বৈশিষ্ট্য মুনি আরাধিতা এই চামুণ্ডা কালি। সত্য যুগে বৈশিষ্ট্য মুনি অতি গোপনে এখানে দক্ষিনাচারি কৌলিক তন্ত্র সাধনা করে সিদ্ধিলাভ করেছিলেন। মাতা চামুণ্ডা পঞ্চমুন্ডির আসনে অধিষ্ঠিত। বিস্তীর্ণ ঘন গহীনঅরণ্যে লোকজনের অগম্য ভয়ঙ্কর অতি দুর্গম এক জনবসতি হীন এক স্থান ।

বর্তমানে অবশ্য অনেক উন্নতি হয়েছে তারাপীঠ উন্নয়ন কমিটির সৌজন্যে। ইচ্ছা হলেই এখানে চলে আসা যায়। তারাপীঠ অটো ষ্টেন্ড থেকে কিছুটা দূরে অবস্থিত এই মন্দিরটি।

তারাপীঠের মা তারা দর্শনে বহু লোক আসেন। কিন্তু এই তন্ত্র পীঠ সম্পর্কে অনেকেই অজ্ঞাত।তারাপীঠের সকল ব্রাহ্মণ পূজারী পান্ডা সেবাইত এই মায়ের দীক্ষিত। তাই কালি পূজার রাতে এই চামুণ্ডা কালির পূজা করা তাদের জন্য আবশ্যিক কর্তব্য হিসেবে ধরা হয়। নচেৎ তাদের অমঙ্গল বয়ে আনবে। তারাপীঠ তাই কালি পূজার রাতে এখানে প্রায় সব দোকান বন্ধ থাকে। ব্রাহ্মণ বা পান্ডার দেখা পাওয়া যায় না বললেই চলে।

চামুণ্ডা কালিতলা দীপান্বিতার অমাবস্যা রাতে এই মন্দিরটি লোকজনের কোলাহলে মুখরিত হয়ে ওঠে । মধ্যে রাত থেকে দুপুর পর্যন্ত চলে কয়েক হাজার ছাগ বলি। পরের দিন মায়ের বিশেষ পূজা অর্চনার পরে নিকটবর্তী পুকুরে মায়ের বিসর্জন হয়।

যারা তন্ত্র মন্ত্র সাধনার সাথে যুক্ত তাদের এই কালি পূজার রাতে এখানে আসাটা অতি আবশ্যক আছে । সংসারে যারা আর্থিক কষ্টে বা রোগে আক্রান্ত বা মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত তারা শুধুমাত্র একবারের জন্য হলেও পৌষ মাস ব্যতিত বছরের যে কোন দিন এখানে এসে পূজা দিয়ে গেলে বা মানত করলে তার আশা আকাঙ্খা অবশ্যই মা ভগবতী চামুণ্ডা কালি তার ভক্তের মনবাসনা পূর্ণ করেন। এটা আমার জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি। জীবনে অনেক প্রতিকূলতা সহজেই কাটিয়ে উঠতে পেরেছি তা কেবলমাত্র দেবীর কৃপায়। যখনি যে কারণেই মায়ের কাছে এসেছি মা আমাকে কখনও খালি হাতে ফিরিয়ে দেননি। ন্যায় সঙ্গত কারণে আপনি যদি কিছু একমনে চান তাহলে অবশ্যই আপনি তা প্রাপ্ত করবেন এই বিষয়ে কোনও সন্দেহের অবকাশ নেই। তবে মানত পূর্ণ হলে এখানে এসে সাধ্যমত পূজা দেওয়া আবশ্যিক শর্ত।

https://www.facebook.com/103859414664853/posts/597228881994568/
30/07/2022

https://www.facebook.com/103859414664853/posts/597228881994568/

ব্রহ্মচারিনী মা দুর্গেশ্বরী দেবী মা চন্দ্রঘন্টা।

মা দুর্গার তৃতীয় শক্তি চন্দ্রঘন্টা। তাঁর মাথায় চাঁদ। তিনি চন্দ্রের থেকেও সুন্দর। তিনি অপরূপা। নবরাত্রির তৃতীয় দিনে তাঁর পূজা করা হয়। বিভিন্ন গ্রন্থ থেকে জানা যায় তাঁর পূজা করলে, সংসারের সকল দুঃখ কষ্ট থেকে মুক্তি পাওয়া যায়, সমস্ত পাপ, বাধাবিঘ্ন বিনষ্ট হয়। নীচের ছবিতে তাঁর প্রতি মূর্তি।
নবরাত্রি সমন্বে বলতে গেলে, বেশিরভাগ হিন্দু বাঙালিরা নবরাত্রির সঙ্গে যুক্ত নন। ষষ্ঠী থেকে দশমী পর্যন্ত বাঙ্গালী দুর্গা পূজায় মেতে থাকেন কিন্ত দুর্গা পুজা শুরু হয় ঠিক মহালায়ার পরের দিন থেকে অর্থাত প্রতিপদ থেকে। এরপর নবমী পর্যন্ত নয় রাত্রি ধরে মা দুর্গার নয়টি শক্তির পূজা করা হয়। একেই বলে নবরাত্রি অর্থাত নয়টি রাত্রিতে, নয়টি শক্তির, নয়টি মূর্তিতে পূজা করা হয়। মা দুর্গাকে কি কি রূপে পূজা করা হয় তা সংক্ষিপ্ত ভাবে জানালাম।

প্রথম রাত্রি,- নবরাত্রির প্রথম রুপ শৈলপুত্রী। শৈল অর্থ পর্বত। হিমালয়ের কন্যা। তাই দুর্গার আরেক নাম শৈলপুত্রী। এখানে দেবীর বাহন ষাঁড়। এক হাতে ত্রিশূল অন্য হাতে পদ্ম। দেবীর পূজায় মনোবল বৃদ্ধি পায়, মূলাধার চক্র শুভ হয়।

দ্বিতীয় রাত্রি,- ব্রহ্মচারিনী। ইনি স্বয়ং ব্রহ্মাকে জ্ঞান দান করেন। দেবীর এক হাতে রুদ্রাক্ষর জপ মালা অন্য হাতে কুমন্ডুল। ইনি মনসংযোগের বৃদ্ধি ঘটান এবং ভক্তদের ব্রহ্ম প্রাপ্তি করান। সাধিস্থান চক্র শুভ হয়।

তৃতীয় রাত্রি,- চন্দ্রঘন্টা। তাঁর সমন্ধে প্রথমে জানিয়েছি।

চতুর্থ রাত্রি,- কুষ্মান্ডার। দুর্বিষহ ত্রিতাপ হল কুষ্মা। যিনি অন্ড বা পেটের মধ্যে এই তাপ ধারণ করেন। ইনি মহাবিশ্বের সৃষ্টি করেছিলেন। ইনি সুখ, সমৃদ্ধি দেন,কর্মক্ষেত্রের জটিলতা নাশ করেন, যশ, আয়ু, বল বৃদ্ধি করেন। পীড়িত রবি গ্রহ এই পূজায় শুভ হয়।

পঞ্চম রাত্রি,- স্কন্ধমাতা। কার্তিকের আরেক নাম স্কন্ধ। স্কন্ধের মা। এই দেবীর পূজায় গৃহের যে কোন অশান্তির নাশ হয়। পরম শান্তি ও সুখ প্রাপ্তি হয়।

ষষ্ঠ রাত্রি,- কাত্যায়নী। বৃন্দাবনে দেবী গোপবালা রূপে পূজিত হন। ব্রজের গোপবালারা কাত্যায়নীর কাছে প্রার্থনা করেছিলেন, শ্রীকৃষ্ণকে পতি রূপে পাওয়ার জন্য। তাই ব্রজের দুর্গার নাম কাত্যায়নী। এই দেবীর পূজায় শক্র নাশ হয়, ধর্ম, সম্পদ ও জাগতিক সুখ লাভ হয়।

সপ্তম রাত্রি,- কালরাত্রি। দেবী কালভৈরবের দেহ থেকে আবির্ভূত হন। ইনি যোগনিদ্রা মহাকালিকা নামে পরিচিত। দেবী কৃষ্ণ বর্ন। এলোকেশী, চোখ, মুখ থেকে আগুন বের হচ্ছে। গলায় বিদ্যুতের মালা। ভীষন দর্শনা। তিন হাতে অস্ত্র নিয়ে ধাবিত শত্রুদের দিকে। এক হতে ভক্তদের বরাভয়। এই ভয়ংকর রূপেই তিনি ভক্তদের শুভ করেন। তাই তাঁকে শুভঙকরী ও বলা হয় । এই দেবীর পৃজায় সমস্ত কুপ্রভাব দৃর হয়।

অষ্টম রাত্রি,-মা মহাগৌরী। মা গৌরী শিবের তপস্য করতে করতে রোদে কালো বা কৃষ্ণ বর্ন হয়ে ওঠেন। তখন মহাদেব তাকে গঙ্গা জল দিয়ে স্নান করিয়ে দেন। তখন তার গায়ের রঙ হয়ে ওঠে গৌরী। তার এই রূপের নাম মহাগৌরী। প্রচলিত বিশ্বাস, তার পুজায় সব পাপ ধুয়ে যায়। এঁর ধ্যানে বিবাহ জনিত সমস্যা দূর হয়, বিবাহ শুভ হয়।

নবম রাত্রি,- সিদ্ধিদাত্রী। সিংহ বাহিনী, চার হাত, আশীর্বাদ মুদ্রা। তিনি সর্ব সিদ্ধি দান করেন। তার উপাসনায় সংসারে আসে সুখ এবং সমৃদ্ধি। স্বয়ং মহাদেব দেবী পার্বতীকে সিদ্ধিদাত্রী রূপে পূজা করেছিলেন। তাঁর আশীর্বাদ সর্ব সিদ্ধি লাভ করেন মহাদেব।

https://www.facebook.com/103859414664853/posts/596043232113133/
28/07/2022

https://www.facebook.com/103859414664853/posts/596043232113133/

আজ শ্রাবণী অমাবস্যা। অমাবস্যা মা কালীর তিথি, শ্রাবণ মাস মা মনসার কাল। মাতৃকা আবহমান, তন্ত্রধর্ম চিরন্তন, জয় মা কালী, জয় মনসা।

নাগ উপাসনা সুপ্রাচীন, হরপ্পা সভ্যতা থেকে চলে আসছে। নাগ প্রতীকী দ্যোতনা বহন করে: জলসম্পদ, মাটির নিচে থাকা সম্পদ, সাগরের সম্পদ। বস্তুত পদ্মালয়া শ্রী বা লক্ষ্মীর সঙ্গে মা মনসার মিল আছে। মনসাকাব্য এজন্য পদ্মাপুরাণ নামে আখ্যা পায়।

তন্ত্রে নাগতাৎপর্য কুণ্ডলিনী শক্তির মধ্য দিয়ে প্রকাশিত। কুণ্ডলিনী সর্বদা সর্পরূপে প্রকাশিত হন।


আজ শ্রাবণী অমাবস্যায় মা কালীর পুজো। সেও সঙ্গে বাংলা জুড়ে এই শ্রাবণ মাসে মা মনসার উপাসনা হচ্ছে। মা মনসা আমাদের ভূখণ্ডকে চিরকাল সুজলা সুফলা শস্যশ্যামলা রাখুন।

https://www.facebook.com/103859414664853/posts/591376455913144/
21/07/2022

https://www.facebook.com/103859414664853/posts/591376455913144/

ব্রহ্মদত্ত ধাম,বনমালীপুর,বাড়ুইপাড়া, হুগলী

ব্রহ্মা সাধারণত চতুর্মুখ ও চতুর্বাহু বিশিষ্ট, শ্মশ্রুমণ্ডিত, রক্তাভ বা স্বর্ণাভ দেহধারী হিসেবে বর্ণিত হন। তাঁর চার হাত চারবেদ এবং চার দিক—কে প্রকাশ করে। তিনি রক্তপদ্মে অবস্থান করেন এবং হংস (হাঁস,রাজহাঁস তাঁর বাহন। সাধারণত, দেবী সরস্বতী ব্রহ্মার স্ত্রী হিসেবে উল্লেখিত হন এবং ব্রহ্মার সৃজন শক্তি ও ব্রহ্মার জ্ঞান-এর নারীরূপ তিনি। শাস্ত্র অনুযায়ী, ব্রহ্মা তাঁর সন্তানদেরকে মনের সংকল্প হতে সৃষ্টি করেছেন, তাই তাদেরকে ব্রহ্মার মানসপুত্র বলা হয়। বর্তমান যুগে হিন্দুধর্মে, ব্রহ্মা তেমন জনপ্রিয় দেবতা নন এবং ত্রিমূর্তির অন্য দেবতা থেকে তাঁর গুরুত্ব কম। প্রাচীন শাস্ত্রসমূহে ব্রহ্মার উল্লেখ থাকলেও তথাপি, ভারতবর্ষে ব্রহ্মা প্রধান দেবতা হিসেবে খুব কমই পূজিত হন। ভারতে খুব কমই দেবতা ব্রহ্মার মন্দির রয়েছে, তবে রাজস্থান–এর পুষ্করের ব্রহ্মা মন্দির ব্রহ্মদত্ত ধাম,বনমালীপুর,

বাড়ুইপাড়া, হুগলী
বাড়ুইপাড়া থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে বনমালীপুর এ খুব প্রসিদ্ধ।ভারতের বাইরে ব্রহ্মাদেবের মন্দির রয়েছে,

যেমন: থাইল্যান্ডের ব্যাংককের এরাবন তীর্থস্থান

https://www.facebook.com/103859414664853/posts/582347873482669/
08/07/2022

https://www.facebook.com/103859414664853/posts/582347873482669/

দেবী মৎস্য বারাহী:
উড়িষ্যার চৌরাশিতে সুপ্রাচীন একটি মন্দির দেবী বারাহীর জন্যে উৎসর্গীকৃত, মূলত নবম শতাব্দীতে প্রতিষ্ঠিত হয় মন্দিরটি।

দেবী এখানে ত্রিনয়না বরাহ সদৃশ মুখবয়ব যুক্ত, বৃকোদরী ভীমারুপী। তাঁর বৃহৎ উদরে যেনো সম্পূর্ণ মহাজগৎ অবস্থান করছে!
ললিতাসনস্থিতা দেবী ডান হস্তে মৎস্য ও বাম হস্তে কপাল পাত্র ধারণ করেন। বাহন হিসেবে তাঁর পদতলে মহিষ রয়েছে ।

https://www.facebook.com/103859414664853/posts/579268370457286/
03/07/2022

https://www.facebook.com/103859414664853/posts/579268370457286/

🌺 ওম কৃশদোরী মহাচন্ডী মুক্তকেশী বলিপ্রিয়ে
কুলাচার প্রশন্যাসে নমস্তে শংকর প্রিয়ে।।
ঘোরদ্রংস্টে কোটোরাক্ষী কীটি শব্দ প্রসাধিনী
ঘুরঘরো রাবস্ফারে নমস্তে চিত্তবাসিনী ।।

https://www.facebook.com/103859414664853/posts/573732851010838/
25/06/2022

https://www.facebook.com/103859414664853/posts/573732851010838/

🌸🌺 ষটকর্ম 🌸🌺

মন্ত্র তন্ত্র প্রয়োগের আগে ষটকর্ম সম্পর্কে জানতে হয়। আপনি যদি ষটকর্ম সম্পর্কে না জানেন, আপনার ষটকর্ম জ্ঞান না থাকে, তাহলে কখনই মন্ত্র তন্ত্র বিদ্যা কাজ করবে না।

এই ষটকর্ম কি?

তন্ত্রশাস্ত্র মতে ষটকর্ম বলতে ছয়টি কর্মকে বোঝায়। ছয়টি কর্মের নাম হচ্ছে:
১ শান্তি কর্ম।
২ বশীকরণ।
৩ স্তম্ভন।
৪ বিদ্বেষণ।
৫ উচ্চাটন।
এবং
৬ মারণ কর্ম।
এবার আসা যাক, ষটকর্মের বিধি-বিধান সম্পর্কে। এই ছয়টি কর্মের আলাদা বিধি-বিধান রয়েছে। সেগুলো হলো এদের আলাদা দেবতা রয়েছে, আলাদা দিক রয়েছে, আলাদা তিথি রয়েছে, আলাদা বার রয়েছে, আলাদা সময় বা ঋতু রয়েছে। যেগুলো আপনাকে পালন করতে হবে।
_________________________
ষটকর্মের দেবদেবী:

শান্তি কর্মের দেবী হলেন— রতি।
বশীকরণের দেবী— বাণী।
স্তম্ভনের দেবী— রমা।
বিদ্বেষণের দেবী— জ্যেষ্ঠা।
উচ্চাটনের দেবী— দুর্গা ।
এবং মারণ কার্যের দেবী— কালী।
তো; যারা যে কাজ করবেন সেই কাজটি করার আগে সেই দেবীকে স্মরণ করে প্রনাম করতে হবে (প্রনাম মন্ত্র মূখস্ত করলে ভালো হয়)। আর যদি আপনার সাধ্য থাকে তাহলে দেবীর পুজো করবেন। পুজো করলে উত্তম কার্য সম্পন্ন হয়।
_________________________
ষটকর্মের ঋতু:

ষটকর্মের ঋতু বলতে বার্ষিক ঋতু বৈচিত্র বোঝায় না। এখানে দিন রাত্রিকে ছয় ভাগ করা হয়েছে।
যেমন, সূর্য উদয়ের পর প্রথম দশ দণ্ড বসন্ত ঋতু, পরের দশ দন্ড গ্রীষ্ম ঋতু, এভাবে ক্রমান্বয়ে বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত ও শীত ঋতু হিসেব করা হয়।
এক দণ্ড সমান ২৪ মিনিট।
অতএব, ১০ দন্ড সমান ৪ ঘন্টা।
একেকটি ঋতু ৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বিরাজ করে।
যেমন, সকাল ৬ টা থেকে ১০ টা পর্যন্ত এই ৪ ঘন্টা বসন্ত ঋতু। তারপর ৪ ঘন্টা গ্রীষ্ম ঋতু। তারপর বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত এভাবে চলতে থাকে।
_________________________
কোন ঋতুতে কোন ষটকর্ম করবেন?

হেমন্ত ঋতুতে— শান্তিকর্ম করতে হয়।
বশীকরণ— বসন্ত ঋতুতে।
বিদ্বেষণ— গ্রীষ্ম ঋতুতে।
স্তম্ভন— শীত ঋতুতে।
উচ্চাটন— বর্ষায়।
এবং মারণ কার্য করতে হয় শরৎ ঋতুতে।
_________________________
ষটকর্মের তিথি এবং বার:

শান্তি কর্ম—
বুধ, বৃহস্পতি এবং সোমবার।
দ্বিতীয়, তৃতীয়, পঞ্চমী ও সপ্তমী তিথিতে করতে হয়।
বশীকরণ—
রবি ও শুক্রবার।
নবমী, দশমী, একাদশী, ও অমাবস্যা তিথিতে করতে হয়।
স্তম্ভন কর্ম—
বুধ ও সােমবার
পঞ্চমী ও পূর্ণিমা তিথিতে করতে হয়।
বিদ্বেষণ—
শনি কিংবা রবিবারে পূর্ণিমা তিথি হইলে বিদ্বেষণ কর্ম করতে হয়।
উচ্চাটনকর্ম—
শনিবার
ষষ্ঠী, চতুদ্দশী ও অষ্টমী তিথিতে করতে হয়।
মারণ—
শনিবার ও রবিবার
অষ্টমী ও অমাবস্যা তিথিতে করতে হয়।
_________________________
ষটকর্মের দিক:
চামুন্ডা তন্ত্র বিদ্যায় ষটকর্মের দিক উল্লেখ্য করা হয়েছে যেভাবে; তা হল—
শান্তিকর্ম উত্তর মুখে।
বশীকরণ পূর্ব মুখে।
স্তম্ভন পশ্চিম মুখে।
বিদ্বেষণ দক্ষিণমুখে।
উচ্চাটণ বায়ুকোণে।
এবং মারণ কর্ম করতে হয় নৈর্ঋত মুখে।
_________________________
ষটকর্মের আসন:

শান্তিকর্ম পদ্মাসন
বশীকরণ স্বস্তিকাসন
স্তম্ভন বিকটাসন
বিদ্বেষণ কক্কুটাসন
উচ্চাটন বজ্রাসন
মারণ ভদ্রাসন
এ ছাড়াও কয়েকটি বিশেষ কথা রয়েছে তা হলো। মন্ত্র জপের সংখ্যা গুনতে জপমালা ব্যবহার করুন। যে কয়দিন মন্ত্র চর্চা করবেন সেই কয়দিন আপনাকে মাছ মাংস বা আমিষ খাবার থেকে বিরত থাকতে হবে। যদি রহস্য পূজা করেন তবে সেক্ষেত্রে শুধুমাত্র পূজার জন্য পঞ্চ মকার ব্যবহার করতে পারেন । স্নান করে শরীর পবিত্র রাখতে হবে। পরিষ্কার পোশাক পরতে হবে। মন থেকে কু চিন্তা ও হিংসা ত্যাগ করতে হবে। এবং অবশ্যই গুরুর অনুমতি নিয়ে কার্য সাধন করতে হবে।

Address

Santoshpur Lake
Kolkata
700099

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mahakal Shiva posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Mahakal Shiva:

Share

Category