02/09/2024
ঢাকে আবার পড়ল কাঠি, শরতের আকাশ মেতে উঠেছে শিউলির গন্ধে, কাশ ফুলে ঢেকেছে আমাদের চারপাশ, মা সাজছেন কুমোরটুলির গলি গলিতে, আশ্বিনের শারদপ্রাতে আলোক মঞ্জির বাজিয়ে বাংলার বুকে দেবী পক্ষের আগমনী সঙ্গীত বেজে উঠেছে!
এই আনন্দ বার্তার সকাতর অপেক্ষা থাকে আমাদের সারা বছর!
বর্তমান এই বর্বর সময়ের আবহে মায়ের আগমন সবার মনে এক নবপ্রাতের আশা জাগিয়ে তুলেছে। নাচ, গান বা নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মেতে উঠেছে আপামর বাঙালির মন।
সিলভারওক এস্টেট, তাদের নবম বর্ষের পুজোর থিমে, দেবী আরাধনার মাধ্যমে নারীশক্তির উত্তরণ এবং অসুর শক্তির নিধন ফুটিয়ে তোলার আন্তরিক প্রয়াসে নিবদ্ধ হয়েছে।
নারীশক্তির বিভিন্ন রূপ আমরা প্রকাশিত হতে দেখেছি, কখনও তা দুর্গা রূপে অসুর বধে, কখন রানি লক্ষ্মীবাইএর উদ্ধত তলোয়ারে, কখনও রানি পদ্মাবতীর রূপে হাজার হাজার মহিলার মান রক্ষার্তে অগ্নি আত্মাহুতি দিয়ে - নারী সর্ব রূপে, সর্ব যুগে শিষ্টের পালন ও দুষ্টের দমনের আক্ষরিক প্রতীক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকে।
সিলভারওক এস্টেটের প্রতিটি নিবাসী তাদের শশ্রদ্ধ প্রণাম জানায় সেই সকল মহিলাদের, যাদের জন্য দেশ ও দশ গর্বিত।
এই বছর সিলভারওক এস্টেট একত্রিত ও নিমজ্জিত হয়েছে দেবীর আরাধনায়, নারীর ক্ষমতা এবং নারীশক্তির অপার প্রতীক স্থাপন করার মহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে। যে নারী ধারণ করতে পারেন, যে নারী পালন করতে পারেন, সেই নারীই রুদ্ররূপ ধারণ করে সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে অন্যায় বা অনাচারের বিরুদ্ধে অনায়াস দক্ষতায় গর্জে উঠতে পারেন।
কবির ভাষায় - "ডান হাতে তোর খড়্গ জ্বলে, বাঁ হাত করে শঙ্কাহরণ,
দুই নয়নের স্নেহের হাসি, ললাটনেত্র আগুনবরণ"।
সেই মমতাময়ী, ক্ষমতাময়ী মায়ের অপরূপ রূপ ও উগ্র শক্তির প্রতীক প্রত্যেকটি নারী - তারা আপাত সাধারণ, কিন্তু অসাধারণের মোড়ক ঢেকে রাখে তাদের দেবী রূপ! যেই মা স্নেহরূপী, সেই মা পারেন অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে ত্রিশূল ধারণ করতে!
সিলভারওক এস্টেটের প্রত্যেকটি বাসিন্দা এই নারীশক্তির আরাধনায় সবাইকে সাদর আহ্বান জানায়। নারী শক্তির উত্থানেই গড়ে উঠবে একটি সুস্থ, সমৃদ্ধ ও সমানাধিকার সম্পন্ন সমাজ!
প্রণম্য সেই সমস্ত নারীর অদম্য সেই প্রতিভাকে সিলভারওক এস্টেট জানায় তাদের বিনম্র সম্মান।