25/09/2019
ঘর বাঁধার পথে মোহন বাগানের ঘরের ছেলে শিলটন
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামী ডিসেম্বরে সাত পাকে বাঁধা পড়তে চলেছেন মোহন বাগানের ঘরের ছেলে শিলটন পাল। পাত্রী সায়না মণ্ডল। বাড়ি পলতায়। বছর ছয়েক আগে ডানলপে দুর্গাপুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সায়নার সঙ্গে আলাপ হয় শিলটনের। প্রথম দর্শনেই পূর্বরাগ। সায়নার এক বন্ধুকে মাধ্যম করে এগিয়ে যাওয়ার ইচ্ছেও ছিল। কিন্তু শর্ত ছিল সেই বন্ধুর। কলকাতা ডার্বিতে সেরার পুরস্কার পাওয়ার পরেই শিলটনকে আলাপ করাবেন সায়নার সঙ্গে। এই ঘটনার চার-পাঁচ মাসের মধ্যেই মোহন বাগান-ইস্ট বেঙ্গল ম্যাচে সেরা হন বাঙালি গোলরক্ষকটি। শর্তপূরণের উপহার স্বরূপ মেলে সায়নার প্রেম। যা পরিণতি পাচ্ছে আগামী ১১ ডিসেম্বর।
২০১৫ সালে কান্তিরাভা স্টেডিয়ামে বেঙ্গালুরু এফসি’র সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে শেষবার আই লিগ জিতেছিল মোহন বাগান। সেই দলের অধিনায়ক ছিলেন শিলটন। টাটা ফুটবল আকাদেমি থেকে ২০০৬ সালে গঙ্গাপারের ক্লাবে সই করেন তিনি। সেই সম্পর্ক আজও অটুট। ভালোমন্দে মেশানো শিলটনের ফুটবল কেরিয়ার। তবে হাল ছেড়ে না দেওয়াই তাঁর মূলমন্ত্র। কয়েক বছর আগে স্রেফ ক্লাব প্রেমের জন্যই ছেড়েছিলেন ইস্ট বেঙ্গলের লোভনীয় অফার।
বাগদত্তা সায়নার সঙ্গে জুটি বাঁধার পর কি চেনা ছন্দে পাওয়া যাবে মোহন বাগান গোলরক্ষকটিকে? শিলটনের আশা, ‘ও আমার অনুপ্রেরণা। বাবা-মায়ের পরে সায়নাই আমায় সবসময় উদ্দীপ্ত করে। দুঃসময়ে পাশে থাকে, জোগায় সাহস।’ উল্লেখ্য, চলতি মরশুমে শুরুটা ভালোই করেছিলেন শিলটন। কিন্তু পিয়ারলেস ম্যাচের পর প্রথম একাদশে সুযোগ পাচ্ছিলেন না। মঙ্গলবার অবশ্য সাদার্ন সমিতির বিরুদ্ধে স্টার্টিং ইলেভেনে ফিরেছেন তিনি।
কেন ভালো লাগে শিলটনকে? সায়নার সাফ উত্তর, ‘ও খুব আবেগপ্রবণ। সবার বিপদে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ফুটবলার হিসেবে কেমন তা জানার প্রয়োজন নেই। আমার তো দরকার খাঁটি মনের মানুষ।’