Md Abdul kadir Talukdar

Md Abdul kadir Talukdar Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Md Abdul kadir Talukdar, Event, Moulvibazar, Maulvi Bazar.

20/02/2026
20/02/2026

❤️

১৬ই জুলাই শহর জাগানো মিছিলের পর সবাই চলে গেলেও আমরা ক'জন ছাত্র ইউনিয়ন অফিসে বসি। এবং আগামীকাল কী কর্মসূচি করা যায় সে বিষ...
18/07/2025

১৬ই জুলাই শহর জাগানো মিছিলের পর সবাই চলে গেলেও আমরা ক'জন ছাত্র ইউনিয়ন অফিসে বসি। এবং আগামীকাল কী কর্মসূচি করা যায় সে বিষয়ে আলোচনা শুরু করি। আলোচনার সময় আমরা আওয়ামী লীগকে প্রতিহত করার জন্য মশাল মিছিলের প্ল্যান করি। আমরা চিন্তা করি, সারাদেশে আওয়ামী লীগ হায়েনার মতো আক্রমণ করছে। সুতরাং আমাদের উপরও করতে পারে। তাই আমরা মশাল মিছিল করব, যাতে করে আমাদের উপর কোনো আঘাত আসলে তা প্রতিহত করতে পারি। এবং এটাই সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয়।
১৬ই জুলাই রাতে আমরা যখন আন্দোলনের জন্য মানুষ খুঁজছিলাম, তখন একটা গ্রুপে একজন নম্বর দিয়ে বলে, "ভাই, আমি আছি।" আমি এই নম্বরে যোগাযোগ করি। সেই ছেলেটা আমাদের পরিচিত ছিল। তার সাথে অনেকক্ষণ আলাপ হয়। সে আমাকে বলে, "ভাই, আমি হোয়াটসঅ্যাপে একটা গ্রুপ খুলেছি কোটা আন্দোলনের। সেখানে প্রায় ১,০০০ মানুষ আছে।" আমি বলি, "ওকে, ঠিক আছে। তুমি আমাকে অ্যাডমিন দাও, আমি দেখছি।" এভাবে যোগাযোগ করতে করতে রাত প্রায় ২টা হয়ে যায়।
১৭ই জুলাই সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর আব্বার প্রশ্ন, "দোকানে যাবি না?" আমি বললাম, "না, আমার চোখে একটু সমস্যা। আমার ডাক্তার দেখাতে যেতে হবে।" ব্যাস, এই বলে আল্লাহর নাম নিয়ে বাড়ি থেকে সকাল ৯টা/১০টা হবে, বের হয়ে গেলাম। সত্যি সত্যিই ওই দিন চোখে কিছুটা সমস্যা করছিল। আমি টাউনে গিয়ে বন্ধু সাইদুলকে কল দিলাম, সে আগে থেকেই শহরে ছিল। আমি প্রথমে তাকে সাথে নিয়ে মাতারকাপন চক্ষু হাসপাতালে চলে গেলাম। এবং যেতে যেতে রাজিব দা, সামায়েল, শিশির, নিজামদের সাথে যোগাযোগ শুরু করলাম।
আমি ডাক্তার দেখানো শেষ করে ছাত্র ইউনিয়ন অফিসে গেলাম, যেখানে ইতোমধ্যে ৩/৪ জন উপস্থিত ছিলেন। তাদের সাথে নিয়ে কীভাবে কী করা যায়, প্ল্যান করা শুরু করলাম। এবং এখানে বসেই একটা অনলাইন ব্যানার রেডি করা হলো প্রচারের জন্য। আমি এর আগে কখনো মশাল মিছিল করিনি। এর জন্য এসবের দায়িত্ব তাদের ওপরই ছিল। আলাপ-আলোচনা এবং জনসমর্থনের জন্য যোগাযোগ করতে করতে মধ্যাহ্নভোজের সময় হয়ে গেল। আমরা সবাই মিলে খেতে যাই। এসময় সময় টিভির সাংবাদিক আমাদের মধ্যে একজনকে কল দেয়। এবং সে বলে, "কলেজ ক্যাম্পাসে কারা জানি মিছিল করছে?" আমরা তাড়াহুড়ো করে খাওয়া শেষ করে কলেজের দিকে মুভ করি। সেখানে গিয়ে দেখতে পাই কোনো মিছিল নয়। আসলে এটা একটা ট্র্যাপ ছিল আমাদেরকে বিভ্রান্ত করে আওয়ামী লীগের হাতে তুলে দেওয়ার। আল্লাহ আমাদের হেফাজত করেন।
কলেজ থেকে আসার পর আমরা অফিসে বসে আছি। এসময় হঠাৎ বিশ্বজিৎ দা বলেন, "তাদের মশাল রেডি না।" পড়লাম মহা বিপদে। আসরের সময় প্রায় নিকটবর্তী। এখন কোথা থেকে মশাল রেডি করব? এই নিয়ে চিন্তায় পড়ে গেলাম। তখন তারা বললেন, "বাঁশ শাহমস্তফা রোডে মিলবে।" সাথে সাথে আমি, নিজাম এবং আমার চাচা সায়েম বাঁশের খোঁজে শহরের নানান প্রান্তে ছুটলাম। কিন্তু মশালের মতো বাঁশ কোথাও পেলাম না। হঠাৎ নিজাম বলে, "নাহিদা আপুর (পরিষদের বর্তমান জেলা সহ-সভাপতি) বাসায় বাঁশের বড় ঝাড় আছে, চলো সেখানে।" আমরা সেখানে গেলাম এবং আপুর বাসা থেকে একটা দা নিয়ে বাঁশ বাগানের পাশে গেলাম। আমি, সায়েম, নিজাম উত্তপ্ত রোদে কয়েকটি বাঁশ কেটে মশালের জন্য প্রস্তুত করলাম।
আমি একদিকে বাঁশ কাটছি, অন্যদিকে মানুষের ফোন এবং কল রেসপন্স করছি। কারণ ব্যানারে আমার নম্বর দেওয়া ছিল। হঠাৎ রাজিব দার ফোন, "কাদির, অনেক মানুষ আসছে, বাঁশ লাগবে না। তোমরা চলে আসো, আমরা মিছিল করব।" আমরাও আর কিছু চিন্তা না করে চৌমুহনাতে চলে আসলাম। এসে দেখি কিছু সংখ্যক ছাত্র উপস্থিত হয়েছে, কিন্তু এই সংখ্যাটা সন্তোষজনক নয়। আমার এলাকা থেকে ওই দিন আমার ডাকে সাড়া দিয়ে, ফেরদৌস, জামিল, শাহ আলম সহ আরও বেশ কয়েকজন উপস্থিত হয়।
আমরা যখন এক হয়ে মিছিলের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছিলাম, তখন আওয়ামী লীগের মানুষ আমাদের থেকে একটুখানি দূরে বিভিন্ন স্লোগান তোলে। যা দেখে প্রাথমিকভাবে সবাই কিছুটা ভয় পেয়ে ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। অনেকে সামনে আসতে ভয় পাচ্ছিল। তখন আমি বলি, "আমি সামনে আছি, মিছিল করবই করব।" আমি যখন সামনে যাই, তখন সায়েম এসেও আমার হাত শক্ত করে ধরে। এবং আমার এলাকার ভাই-ব্রাদার আমার পেছনে দাঁড়ায়, যাতে আক্রমণ হলে অন্তত আমাকে সেফ করতে পারে। মিছিল শুরু করে আমরা সরকারি স্কুলের রোড পর্যন্ত গিয়ে অবস্থা বেগতিক দেখে ব্যাক করি। এবং চৌমুহনাতে আসার পূর্বেই আমরা পুলিশের বাধার সম্মুখীন হই। পুলিশের বাধা অতিক্রম করে আমরা যখন চৌমুহনাতে যাই, ঠিক তখনই আওয়ামী লীগের গুন্ডারা আমাদের পেছন থেকে হামলা করে। এবং আমাদেরকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
এদিন হামলার শিকার হওয়ার জন্য আমি মনে করি ছাত্র ইউনিয়ন এবং ছাত্রফ্রন্টের নেতাকর্মীরা দায়ী (এটা আমি মনে করি)। এবং শিশির আপুকে কল দিয়ে জিজ্ঞেস করি উনি কোথায়? কারণ ওনার পরীক্ষা ছিল, আর যেহেতু মশাল মিছিল হবে, তাই সন্ধ্যার পূর্বেই তিনি টাউনে প্রবেশ করেন। কিন্তু ততক্ষণে আমরা মিছিল শেষ করে যার যার বাড়ির পথে। তখন আমি আপুকে কল দিয়ে বলি, "আজকে আমরা এদের জন্য হামলার শিকার হয়েছি। তারা ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এদের সাথে আর মিছিল করব না।" তখন আপু বলেন, "তোমার সাথে যারা আছে, তাদেরকে নিয়ে একটা সেফ জায়গায় বসার ব্যবস্থা করো।" আমি কোথায় সেফ জায়গা খুঁজে না পেলে, আপুকে কল দেই। আপু বলেন, "তাহলে তুমি সবাইকে নিয়ে নাহিদা আপুর বাসায় চলে আসো।" এদিন রাতে আমরা ২০/২২ জন মিটিং করি, যাদের পরিচয় ছিল শুধু সাধারণ শিক্ষার্থী।
বি:দ্র: এখানে যাদের নাম নিয়েছি, তারাই যে শুধু আন্দোলন করছেন তা নয়। আমি আমার বিশেষ মুহূর্ত শেয়ার করছি এবং কীভাবে আন্দোলন ম্যানেজ করছি, তা। জুলাই আন্দোলনে যারাই অংশগ্রহণ করছেন, প্রত্যেকেই আমার সহযোদ্ধা এবং একেকজন জুলাই যোদ্ধা। প্রত্যেকের প্রতি একরাশ ভালোবাসা। 🇧🇩❤️

✍️আব্দুল কাদির তালুকদার

১৬ই জুলাই, আজকের এই দিনে মৌলভীবাজারের সাধারণ শিক্ষার্থীরা কোটার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছে। এর আগে ১০ এবং ১৩ই জুলাই কোটা বি...
16/07/2025

১৬ই জুলাই, আজকের এই দিনে মৌলভীবাজারের সাধারণ শিক্ষার্থীরা কোটার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছে। এর আগে ১০ এবং ১৩ই জুলাই কোটা বিরোধী কর্মসূচী হলেও জনসমর্থন ছিল খুবই কম। কিন্তু আজকের এই দিনে মৌলভীবাজারের শিক্ষার্থীদের বিবেক জাগ্রত হয়। "কোটা না মেধা" এই স্লোগানে গোটা শহর মুখরিত হয়ে ওঠে।
জুলাই মাসজুড়ে সারাদেশে আন্দোলন চললেও মৌলভীবাজার ছিল একদম নিষ্ক্রিয়। ১০ তারিখের মিছিলের খবর অনলাইনে দেখে বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে চেয়েছিলাম কারা এই মিছিল করছে এবং তাদের আগামীর পরিকল্পনা কী? কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত আমি এই তথ্য পেতে ব্যর্থ হই। এরপর ১৩ তারিখের কর্মসূচীর একটি ব্যানার আমার ভাগ্নে বন্ধু সাইদুলকে দিয়ে বলি, "কাল সকালে আমরা এই মিছিলে যোগ দেবো।" কিন্তু সেদিনও ঘুম থেকে উঠতে দেরি হওয়ায় মিছিলে যোগ দিতে পারিনি। পরে এই মিছিল নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করি। ১৫ই জুলাই যখন মেয়েদের উপর হামলা হয়, এটা দেখে নিজেকে অপরাধী মনে হতে থাকে। আমার কাছে মনে হচ্ছিল, এই মিছিল করতে না পারা জীবনের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা।
১৫ই জুলাই আমি পরিষদের সাবেক নেতৃবৃন্দের সাথে যোগাযোগ শুরু করি। যেহেতু আমি পরিষদের রাজনীতিতে যুক্ত ছিলাম, তাই আমি একে একে জুবায়ের ভাই, ফয়েজ ভাই, রুমেল ভাই এবং মিজান ভাইয়ের সাথে যোগাযোগ করি। তারা আমাকে বিভিন্ন পরামর্শের পাশাপাশি নাজির ভাই এবং তানজিয়া আপুর সাথে যোগাযোগ করার জন্য বলেন। নাজির ভাই ফ্রেন্ডলিস্টে থাকায় সহজে যোগাযোগ করতে পারলেও তানজিয়া আপু আমার লিস্টে ছিলেন না। উনার সাথে যোগাযোগ করা একটু কঠিন ছিল। তাদের সাথে যোগাযোগের পাশাপাশি আমি আমার ডিপার্টমেন্টের গ্রুপে এ নিয়ে কথা বলা শুরু করি। এবং আমার ব্যাচমেট বন্ধু-বান্ধবীরা আমার সাথে একমত হয় যে, কোটার বিরুদ্ধে দাঁড়ানো উচিত। ইকরাম, আফিকুল, লিখন, রেজা তারা সহ বেশ কয়েকজন মেয়ে সর্বমোট ১৫ জন ভোট দেয় যে, আমরা আগামীকাল কোটার বিরুদ্ধে কর্মসূচীতে থাকবো। আমিও গ্রুপে টেক্সট দেই, "আর কেউ আসুক বা না আসুক, আমরা ১৫ জন কলেজ গেটে দাঁড়াবোই।"
এদিকে শিশির আপুর সাথে লাগাতার যোগাযোগ করি এবং আমি বলি, "আপু, আমার ফ্রেন্ডরা থাকবে, আমরা যদি প্রচার করি মানুষ আসবে। আগামীকালই আমাদের মিছিল করা উচিত।" আপু বললেন, "হ্যাঁ, আমরা যে ক'জন আছি ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়াবো।" হঠাৎ রাত ১১টা-১২টার দিকে আপুর কল আসে যে, শহরে আরও দুটি মিছিল হবে, ব্যানার পেলাম। আমি বললাম, "তাদের সাথে কথা বলেন, আমরা একসাথেই মিছিল করবো।" আপু তাদের সাথে যোগাযোগ করলেন এবং রাতেই তাদের সাথে কল অ্যারেঞ্জ করলেন। এবং আমরা কলের মাধ্যমেই সব প্ল্যান সেট করলাম। সেদিন কলে যারা ছিলেন তাদের সবার কথা ঠিক মনে নেই। কিন্তু ফ্রন্টের রাজিব ভাই, বিশ্বজিৎ ভাই, নাজির ইমরান এবং তপন ভাই সহ আরও বেশ কয়েকজন ছিলেন যাদের সাথে আমি পরিচিত ছিলাম না। আমাদের প্ল্যান ছিল কলেজ গেট থেকে চৌমুহনা পর্যন্ত। গ্রুপ কল শেষ করে রাজিব ভাই আমাকে কল দিলেন এবং বললেন, "কাদির, তোমরা শুধু আমার সঙ্গে থেকো, কেউ আমাদের সামনে দাঁড়াতে পারবে না।" আমিও বললাম, "ইনশাআল্লাহ, আছি।"
পরের দিন সকাল ৮টায় ঘুম থেকে উঠে রেডি হয়ে কলেজে গেলাম। কারণ আমাদের ইনকোর্স এক্সাম চলছিল। আমি কলেজ যাওয়ার সময় আমার এলাকার ফ্যাসিবাদ বিরোধী ভাই-ব্রাদার এবং পরিচিত ছাত্রদল এবং শিবিরের ভাইদেরকে ব্যানার দিয়ে বললাম, "আপনারা আসবেন এবং আপনাদের দলের গ্রুপগুলোতে এটা প্রচার করবেন।" পরীক্ষার খাতায় লিখছি আর পাশে বসে থাকা বন্ধুদের মিছিলের দাওয়াত দিচ্ছি। হঠাৎ আনুমানিক ১১:৩০ মিনিটে বাহিরে উচ্চ আওয়াজে মিছিল শুনতে পাই, প্রথমে ভেবেছিলাম আমাদের সবাই আসছে হয়তো মিছিল করছে, কিন্তু পরক্ষণে জানতে পারি রাজিব ভাই সহ আমাদের যারা এখানে উপস্থিত ছিল তাদের উপর হামলা হয়েছে। এবং লীগের কিছু গুন্ডারা তাদেরকে তাড়া করে আমাদের ডিপার্টমেন্টের বিল্ডিং পর্যন্ত চলে আসে। এই সময় কী পরিমাণ ভয় আমার ভিতরে কাজ করছিল আমি ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না। বাহিরের এহেন অবস্থা দেখে আমার কলম চলা বন্ধ হয়ে যায়। উঁকি দিয়ে যখন দেখি লীগ ডিপার্টমেন্টের এরিয়া ছেড়ে গেছে তখন খাতা জমা দিয়ে বাহিরে আসি। এবং ডিপার্টমেন্টের বারান্দায় হেঁটে হেঁটে বাহিরের বিষয় পর্যবেক্ষণ করতে থাকি। আর হলের ভিতরে থাকা কয়েকজন আমাকে জিজ্ঞেস করে, "কিরে, মিছিল করবি?" আমার ভয়ে পা কাঁপলেও আমি বলি, "হ্যাঁ, করবো।" একথা বলেই আমি তানজিয়া আপুকে কল দিয়ে বলি, "সবাইকে বলেন প্রেসক্লাবে আসতে।" উনিও আমার কথায় সম্মতি জানিয়ে বলেন, "হ্যাঁ, কলেজে মিছিল করার মতো পরিবেশ নেই।" এবং আমি আমাদের ডিপার্টমেন্ট থেকে নিচে দিয়ে নেমে কলেজ ত্যাগ করি।
প্রেসক্লাবে গিয়ে দেখি আমাদের ভাবনার থেকেও বেশি মানুষ হয়েছে, সাথে সাথেই মিছিল শুরু করে চৌমুহনা পয়েন্টে যাই। আমাদের প্ল্যান ছিল পয়েন্ট ব্লক করা কিন্তু যুবলীগের বাধায় তা বেশিক্ষণ দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ব্লকেড দীর্ঘস্থায়ী না হলেও ১৬ই জুলাই আমরা শহরে জানান দেই যে, এ শহরে শুধু কাপুরুষের বসবাস নয়। এ শহরে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে লড়াই করারও মানুষ আছে। মিছিল শেষ করে সবাই যার যার মতো চলে গেলেও আমরা ক'জন আগামীকালের প্রোগ্রাম বাস্তবায়নের জন্য বসি।

এটা ভাল্লাগছে 😊
27/12/2024

এটা ভাল্লাগছে 😊

Address

Moulvibazar
Maulvi Bazar
3200

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md Abdul kadir Talukdar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category