নোয়াখালী উৎসব

নোয়াখালী উৎসব জেলার ২০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আগামী ৫ ও ৬ মে ২০২২. নোয়াখালী উৎসব ২০২২ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

ভৌগোলিকভাবেই নোয়াখালী একটি দুর্যোগপ্রবণ এলাকা। নদীভাঙন, সাইক্লোন এখানকার অধিবাসীদের নিত্যদিনের সঙ্গী। বিগত দু বছরে এর স...
01/04/2026

ভৌগোলিকভাবেই নোয়াখালী একটি দুর্যোগপ্রবণ এলাকা। নদীভাঙন, সাইক্লোন এখানকার অধিবাসীদের নিত্যদিনের সঙ্গী। বিগত দু বছরে এর সাথে যুক্ত হয়েছে বন্যা, যা অঞ্চলের মানুষের জন্য সম্পূর্ণ নতুন অভিজ্ঞতা।
আপনিও যদি নোয়াখালীর দুর্যোগ মোকাবিলায় একজন দক্ষ স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করতে আগ্রহী হন, তবে আজই যুক্ত হোন নোয়াখালী ভলেন্টিয়ার্স টিমে।

🚨 দুর্যোগ মোকাবিলায় তারুণ্য
ভৌগোলিকভাবেই নোয়াখালী একটি দুর্যোগপ্রবণ এলাকা। নদীভাঙন, সাইক্লোন এখানকার অধিবাসীদের নিত্যদিনের সঙ্গী। বিগত দু বছরে এর সাথে যুক্ত হয়েছে বন্যা, যা অঞ্চলের মানুষের জন্য সম্পূর্ণ নতুন অভিজ্ঞতা।

নোয়াখালীর যেকোনো দুর্যোগে তাৎক্ষণিক সাড়াপ্রদানে 'প্রান' (PRAAN) একটি দক্ষ স্বেচ্ছাসেবী দল গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে প্রাণের সাথে যুক্ত হবার মাধ্যমে আপনি দক্ষতা উন্নয়নে নানা ধরনের প্রশিক্ষণ লাভের পাশাপাশি দুর্যোগ মোকাবিলায় বাস্তব অভিজ্ঞতা, তথ্যভিত্তিক কাজ, জরুরি সাড়াপ্রদান এবং নিজেকে একজন দক্ষ লিডার হিসেবে গড়ে তোলার সুযোগ পাবেন।

আপনিও যদি নোয়াখালীর দুর্যোগ মোকাবিলায় একজন দক্ষ স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করতে আগ্রহী হন, তবে আজই যুক্ত হোন আমাদের টিমে।

🔗 রেজিস্ট্রেশন লিংক: https://forms.gle/eaSWv7AMLxkjzAZ48

💬 বিস্তারিত জানতে বা ফরম পূরণে কোনো সমস্যা হলে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে মেসেজ দিন: https://chat.whatsapp.com/LBfmf2yUVQpL4CqP4HzGMV?mode=gi_t

নীলাভ ঠোঁটে চুম্বনে মেখে দিও কর্ফুরআমি লাশ হব; দাও অনন্তজীবন;আমারে কফিনে ঢেকে রেখেবুকে তুলে কর বেহেস্ত নসিব।মৃত্যু অনিবা...
26/10/2024

নীলাভ ঠোঁটে চুম্বনে মেখে দিও কর্ফুর
আমি লাশ হব; দাও অনন্তজীবন;
আমারে কফিনে ঢেকে রেখে
বুকে তুলে কর বেহেস্ত নসিব।

মৃত্যু অনিবার্য। আমরা মানি আর না মানি, এটাই সত্য—মানুষ মরণশীল। তবুও কিছু মানুষের মৃত্যু আমাদেরকে ভীষণভাবে দুর্বল করে, নাড়িয়ে দেয়। মধ্যরাতে একটি খবরে আটকে গেল তেমনি একটি খবর, আমাদের প্রিয় মাহমুদুল হক ফয়েজ আর নেই। রাত আড়াইটার দিকে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে প্রয়াত হন তিনি।
দ্বিধাহীনভাবে বলবো, আমার কৈশোরত্তীর্ণ সময়ের নায়ক ছিলেন তিনি। এখনো আমি এ মানুষটাকে ভীষণভাবে শ্রদ্ধা করি, যেটা হয়তো এতটা অন্য কাউকে করি কি না সন্দেহ। মাঝখানে অনেকদিন যোগাযোগ ছিল না তাঁর সঙ্গে। হঠাৎ করে তাঁর কথা ভীষণ মনে পড়ল। তাঁকে মেসেজ দিয়েছি—‘মামা আপনাকে কল দিবো?’ এর কিছুক্ষণ পরই তিনি ফোন দিলেন, বললেন, আমাকে ফোন দিতে আনুষ্ঠানিকতা লাগে, জিগ্যেস করতে হয়? এ প্রশ্নের উত্তর দিতে পারিনি আমি। তখনই জানলাম, অনেক দিন থেকে তিনি অসুস্থ। কোলন ক্যানসারে আক্রান্ত হন তিনি। বিছানায় শুয়ে কাটে তার জীবন। লেখালেখির কথা জিগ্যেস করতেই বললেন, এখন আর লেখালেখি করতে পারেন না।
কী লেখালেখি প্রাণ ছিলেন তিনি! খুব লিখতেন। তার লেখাগুলো আমি গ্রোগ্রাসে গিলতাম। কেন তিনি কৈশোরত্তীর্ণ নায়ক ছিলেন, সেই প্রশ্নের জবাব মিলবে তার লেখায়। দুই হাতে লিখেছেন তিনি। তাঁর কালু মস্তান, শীত বিকেলের কবিতা পাঠ বহুল আলোচিত। বেশ অনেক দিন মানুষের মুখে মুখে ছিল।
তাল খান মাল খান
খেয়ে গায় গান,
লাল কালো ফোঁটা দেখে
চোখ কচলান।
হেঁটে যান ছুটে যান
করে আনচান্,
আমাদের শহরের
কালু মস্তান।

দুই।
এক সময় নোয়াখালী প্রেসক্লাব ছিল গুমোট-অন্ধকারাচ্ছন্ন। ব্যক্তি আধিপত্যবাদের প্রভাব ছিল ব্যাপক, সেখানে জুয়ার আসর হতো। আবার টাউন হল যখন টাউন ক্লাবে পরিণত হলো, সে সময়ে তার কালু মস্তান, শীত বিকেলের কবিতা পাঠ—কবিতা দুটো আমাদের ভীষণ আন্দোলিত করেছে। নোয়াখালী টাউন হল পুনরুদ্ধারে তাঁর ক্ষুরধার লেখনী অসামান্য ভূমিকা রেখেছে। আমার দেখা, নোয়াখালী নিয়ে জাতীয় দৈনিকে তাঁর মতো করে আর কেউ লিখেনি। এখন ভাবি, তাঁর মতো মেরুদণ্ড সোজা করা মানুষ কোথায় পাবো?

তিন।
১৯৭৭ সালে নোয়াখালী টাউন হলে মঞ্চস্থ হয় জোছন দস্তিদার রচিত নাটক ‘দুই মহল’। নাটকটি পরিচালনা করেছিলেন মফিজুল হায়দার চৌধুরী ও বিমলেন্দু মজুমদার। ওই নাটকে প্রধান একটি চরিত্রে অভিনয় করেন মাহমুদুল হক ফয়েজ।
মুক্তিযুদ্ধের সময় হাতে লেখা একটি পত্রিকা বের করতেন, তার নাম স্বাধীনতা।

চার।
২০২০ সালের কথা, সে বছরের ১৮ জানুয়ারি নোয়াখালী জিলা স্কুলের প্রাক্তন ছাত্রদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়। মিলনমেলা উপলক্ষে ঢাউস একটি স্মারক প্রকাশনা প্রকাশিত হয়। সেই প্রকাশনার জন্য আমি ফয়েজ মামার লেখা চাইলাম, সঙ্গে সঙ্গে তিনি আমাকে একটি লেখা দিলেন। সেই লেখায় জানা যায়, স্কুলে পড়াকালে তিনি কাব স্কাউট গ্রুপে জড়িত হন। সেই সময়ে মৌমাছি কচি কাঁচার মেলা গড়ে তোলেন। যখনই আমি ফয়েজ মামার কাছে লেখা চেয়েছি, কখনো না করতেন না। বরং আরও উৎসাহিত করতেন।
ফয়েজ মামা বলতাম তাঁকে। সেই সম্পর্কটা অনেক পুরানো। সেই স্কুলে পড়া সময় থেকে। জাতীয় কবিতা পরিষদের একটা সভায়। সভাটি হয়েছিল মৌমাছি কচি কাঁচার মেলায়। তো, কবিতা পরিষদের সভায় আমার কবিতা শুনে তিনি আমাকে কাছে টেনে নিলেন। সেই থেকে লম্বা একটা সময় আমি তাঁর স্নেহ পেয়ে এসেছি। তাঁর কাছে যেতে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাপার ছিল না। কত উনার বাসায় গিয়েছি, কত গল্প, কত আলোচনা। তিনি আমাকে বলতেন, লেখালেখি ছেড়ো না। যেদিন শেষ ফয়েজ মামার সঙ্গে কথা বলেছি, সেদিনও বলেছেন সেই একই কথা, এখনো কানে বাজে সেই কথা—মামা লেখালেখি ছেড়ো না।

নোয়াখালী শহরের ইতিহাস ভাঙাগড়ার ইতিহাস। নোয়াখালী আজ পানিতে ভাসছে। চারদিকে কেবল পানি আর পানি। জেলার প্রায় ২২ লাখ মানুষ এখন...
30/08/2024

নোয়াখালী শহরের ইতিহাস ভাঙাগড়ার ইতিহাস।

নোয়াখালী আজ পানিতে ভাসছে। চারদিকে কেবল পানি আর পানি। জেলার প্রায় ২২ লাখ মানুষ এখন জলবন্দি। প্রশ্ন হলো কেন?

ছোট্ট শহর, নোয়াখালী। ছোট হলেও তার একটি বিশিষ্ট জীবন-ইতিহাস আছে। একসময় পরিচ্ছন্ন এবং বসবাসের উপযোগী শহর হিসেবে নো.....

ভাবতে পারছি না। কিছু বলার ভাষা পাচ্ছি না। খুব চাপ লাগছে এখন—এভাবে চলে যাবি বোন!মাঝখানে রাহনুমার সঙ্গে অনেক কথা হয়েছে। ওর...
28/08/2024

ভাবতে পারছি না। কিছু বলার ভাষা পাচ্ছি না। খুব চাপ লাগছে এখন—এভাবে চলে যাবি বোন!

মাঝখানে রাহনুমার সঙ্গে অনেক কথা হয়েছে। ওর নিজের কথা, ওর পরিবারের কথা বলেছিল। ওদের পুরো পরিবার আমার ভীষণ ঘনিষ্ট। ওদের দুই বোন আমার ভীষণ স্নেহের। আর আমি ওর মায়ের ভীষণ স্নেহভাজন ছিলাম। একদিন মৌমাছি কচি কাঁচার মেলায় রিহার্সেল চলার সময় ওর মা আমার জন্য পিঠা নিয়ে এসেছিলেন, বললেন, বাবা খাও।

রাহনুমা খুব ছোট তখন। মায়ের হাত ধরে রিহার্সেলে আসত।

অনেক স্মৃতি রেখে তোর চলে যাওয়া আমাদের জন্যও জীবন্মৃত আজ। হয়তো ভুলে যাবো, কিছু স্মৃতি ঠিকই উঁকি দিবে যখন-তখন।

এক। ছোট্ট শহর—নোয়াখালী। খুব একটা ঐতিহাসিক চিহ্ন এখন এখানে নেই, কাউকে দেখানোর মতো এখানে কিছু নেই। অথচ একসময় মেঘনার স্তন্য...
22/08/2024

এক।
ছোট্ট শহর—নোয়াখালী। খুব একটা ঐতিহাসিক চিহ্ন এখন এখানে নেই, কাউকে দেখানোর মতো এখানে কিছু নেই। অথচ একসময় মেঘনার স্তন্যধারায় সঞ্জীবিত, নারকেল-সুপারি, খেজুর, তাল সুশোভিত সমুদ্র শিকড়সিক্ত-সবুজাভ ধানক্ষেতে সমাচ্ছন্ন ছিল। ছোট হলেও তার একটি বিশিষ্ট জীবন-ইতিহাস আছে।

একটি পরিকল্পিত নগর হিসেবে গড়ে ওঠে নোয়াখালী। পরবর্তী সময়ে যা পরিণত হয়েছে ঐতিহাসিক নগরীতে। ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে পর্তুগিজ, স্পেনীয়, ইংরেজ ও আরবীয় স্থাপত্যের বহু ইমারত ও ভবন। নোয়াখালী টাউন হল ছিল জার্মান, গ্রিক ও রোম সভ্যতার মিশ্রণে অপূর্ব স্থাপত্যকলার নিদর্শন। ছিল ঘোড়দৌড়ের মাঠ। ছিল কালেক্টরেট ভবন, জজকোর্ট, পুলিশ লাইন, জেলখানা, হাসপাতাল, মসজিদ, মন্দির, গির্জা, স্কুল, মাদরাসা। ছিল সুপ্রশস্ত রাস্তা। শহরে যানবাহনের মধ্যে ছিল ঘোড়ার গাড়ি। সুপ্রশস্ত রাস্তার দুধারে ছিল নয়নাভিরাম ঝাউবীথিকা। শহরজুড়ে ছিল নানা ফল আর সুবৃহৎ বৃক্ষের সাজানো বেহেশতি বাগানের মতো উদ্যান। একসময়ের কোলাহলময় ছিমছাম নোয়াখালী শহর, হাজার বছর ধরে তিলে তিলে গড়ে ওঠা তিলোত্তমা এ শহর ২০০ বছর ধরে ভাঙাগড়ার খেলা খেলে শেষবারে যেন হঠাৎই একেবারে এক ঝাপটায় চিরতরে হারিয়ে গেল।

নোয়াখালী শহরের ইতিহাস ভাঙাগড়ার ইতিহাস। শত বছর আগে একটু ঘুরে আসা যাক। জেলার সর্বদক্ষিণের রেলস্টেশন সোনাপুরের মাইলখানেক দক্ষিণে ছিল তখনকার জেলা সদর সুধারাম। ছিল ঐতিহ্যের, ইতিহাসের ও সর্বোপরি গর্বেরও। এখন তা ঠাঁই নিয়েছে স্মৃতির পাতায়।

দুই।
নোয়াখালী অঞ্চলের মানুষ আর এর ভাষা নিয়ে দেশের অন্য অঞ্চলের মানুষদের মধ্যে কৌতূহল রয়েছে। নানান মুখরোচক গল্পও প্রচলিত আছে এই জেলাকে ঘিরে। একই সঙ্গে নানা বিদ্রূপ-টিপ্পনীও আছে। এটা তো মানতেই হবে—সারা দেশে তো বটেই, পৃথিবীজুড়ে প্রতাপের সঙ্গে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে নোয়াখালীর মানুষ। এই অঞ্চলের ভাষার সঙ্গে মিশে গেছে গ্রিক, ইংরেজি, ল্যাটিন, পর্তুগিজসহ নানান ইউরোপীয় ভাষা। সেই সঙ্গে আরবি-ফারসি তো রয়েছে। ফলে নানান ভাষার মিশেল এক অনন্য বৈশিষ্ট্যের রূপ নিয়েছে ভাষায়।

পূর্ব-দক্ষিণ বাংলার মেঘনা, যেখানে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে, সেখান থেকে নোয়াখালী বেশি দূরে নয়। কিন্তু ভৌগলিক কারণে কোনো মর্যাদা পায়নি এই শহর। নদী ভাঙনে বড় ক্লান্ত এই শহর। তার সমস্ত ঐতিহ্য কেড়ে নিয়েছে নদী।

গত শতাব্দীর ত্রিশ দশক থেকে শুরু পঞ্চাশ দশকে নোয়াখালীর মানুষগুলো আতঙ্কগ্রস্ত জীবন-যাপন করেছে। দিনের পর দিন অস্থিরভাবে তারা আশ্রয় হারানোর আশঙ্কায় অবিাহিত করেছে। সাজানো সংসার, ঘরবাড়ি, ঐতিহ্য আর সভ্যতা ধারণে সুস্থির একটি সুদৃশ্য শহরকে নদীর প্রচণ্ড ছোবল থেকে রক্ষা করার জন্য তাদের সেকি ব্যাকুলতা!
সর্বনাশা মেঘনা নদী যেন মানুষের সৃষ্টিকে ধুলোয় মিশিয়ে দিতে চাইছে। সর্বনাশার ছিনিমিনি খেলায় দুর্বিষহ হয়ে উঠলো হাজারও মানুষের জীবন। নদীর উন্মত্ত উচ্ছ্বাসে শত সহস্র সহজ-সরল জীবনের অবসান ঘটলো। ঝঞ্ঝা-বিক্ষুব্ধ প্রকৃতির তাণ্ডবে হলো বিপর্যস্ত, বিধ্বস্ত।

আবার বিক্ষুব্ধ প্রকৃতির আঘাতে আঘাতে জীবনের কঠিন রূপের মুখোমুখি হলো এখানকার মানুষ। জীবনকে জানলো তারা নতুনভাবে। ‘ভাঙন সৃষ্টিকে আটকে রাখতে পারে না’। পৃথিবীর অমর সন্তানেরা আবার জীবনের সজীবতার স্পর্শ খুঁজে পায়।

মেঘনার অপরিণামদর্শী গ্রাস এখানকার মানুষকে সংগ্রামী করেছে, প্রত্যয়ী করেছে; কিন্তু আটপৌরে করে রেখেছে। কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন এখানকার মানুষ পায়নি। চিরকাল নোয়াখালী অভাগাই থেকেছে।

তিন।
আমার জন্মস্থান নোয়াখালী আজ পানিতে ভাসছে। চারদিকে শুধু পানি আর পানি। এখানকার প্রায় ২২ লাখ মানুষ এখন জলবন্দী। কেন? অবিরাম বৃষ্টি, ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং মুহুরী ও ফেনী নদীর পানিতে জেলার ৯ উপজেলা প্লাবিত হয়েছে। সেখানে বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। পানির তোড়ে ভেসে গেছে বহু বাঁধ, রাস্তাঘাট ও ব্রিজ। রাস্তাঘাট ও ফসলের মাঠ তলিয়ে গেছে, ভেসে গেছে পুকুরের মাছ।

জলাবদ্ধতা নোয়াখালীর পুরানো সমস্যা। অথচ কয়েক বছর ধরে আমরা নানামাধ্যমে বলে আসছি, ছাগলমারা খালসহ জেলার বিভিন্ন খাল ভরাট হয়ে গেছে। সেগুলো খুলে দিতে হবে। দখলমুক্ত করে দিতে হবে, বার বার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। কোনো কর্ণপাত করেনি।
আমি যখন কলেজের ছাত্র, কয়েক বছর আগে নোয়াখালী নাগরিক ফোরাম থেকে একটা সেমিনার হয়েছিল, সেখানে আমি স্পষ্টভাবে বলেছিলাম, জলাবদ্ধতা দূর করতে হবে। সেই সময়ে আমরা কলেজে যেতে পারতাম না। তৎকালীন সংসদ সদস্য মো. শাহজাহান বিষয়টি দেখবেন বলে আশ্বস্ত করেছিলেন। কিন্তু কিছু হয়নি। তারপর আওয়ামী লীগ সরকার এলো। কিছু হয়নি। এতবছরে জেলা প্রশাসন, নোয়াখালী পৌরসভা তথা স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো কোনো উদ্যোগ নেয়নি। পরস্পরকে দোষারোপ ছাড়া আর তার কিছু করতে পারেনি। এ ব্যর্থতা আসলে আমাদের, যারা আমরা ভোট দিয়ে তাদের জনপ্রতিনিধি বানাই। যত দোষ নন্দ ঘোষ, আর কী!

আসুন, আমাদের অবস্থান থেকে যে যার মতো করে আমার ভাইদের-আমার বোনদের-আমার সন্তানতুল্য প্রজন্মদের পাশে দাঁড়াই। এখানে শিক্ষিতরা সকলেই প্রায় সরকারি চাকরিজীবী, উকিল, ডাক্তার, শিক্ষক—অন্যরা ব্যবসা-বাণিজ্য করে। একটা বড় অংশ দেশের বাহিরে থাকে, রেমিট্যান্স জোগান দেয়। সবার কাছে বিনীত আহ্বান, পাশে দাঁড়ান। আপনার ক্ষুদ্র সহযোগিতাও এখন ভীষণ দরকার।

The terms CV, resume, and biodata are often used interchangeably, but they have distinct differences, particularly in te...
03/07/2024

The terms CV, resume, and biodata are often used interchangeably, but they have distinct differences, particularly in terms of their content, format, and the contexts in which they are used. Here's a breakdown of each:

1. CV (Curriculum Vitae)
• Length and Detail: A CV is typically longer than a resume and can range from 2 to several pages. It provides a detailed and comprehensive overview of your academic and professional history.
• Content: It includes information on education, work experience, publications, research, presentations, awards, honors, affiliations, and other academic achievements.
• Purpose: Used primarily in academic, education, scientific, medical, and research fields. It is also used when applying for grants, fellowships, or academic positions.
• Geographical Preference: More common in Europe, Asia, and Africa for all job applications, and in the U.S. for academic and research positions.

2. Resume
• Length and Detail: A resume is typically 1-2 pages long and provides a concise summary of your skills, experience, and qualifications.
• Content: Focuses on relevant work experience, skills, education, and accomplishments tailored to the specific job you are applying for. It often includes a summary or objective statement.
• Purpose: Used for job applications in most industries in the U.S. and Canada. It is tailored for each specific job application to highlight the most relevant experience and skills.
• Geographical Preference: Predominantly used in the U.S. and Canada for most non-academic job applications.

3. Biodata (Biographical Data)
• Length and Detail: Biodata can vary in length but often includes personal and demographic details.
• Content: Contains personal information such as date of birth, gender, marital status, nationality, religion, and other personal details. It may also include education and work experience but is more focused on personal background.
• Purpose: Used in certain countries, particularly in India and South Asia, for various purposes, including matrimonial purposes and some job applications. It is less focused on professional achievements and more on personal details.
• Geographical Preference: Common in India, Pakistan, and other South Asian countries, especially for marriage proposals and sometimes in job applications where personal details are emphasized.

Summary
• CV: Detailed, academic/research focus, several pages, used globally in academic contexts.
• Resume: Concise, job-specific, 1-2 pages, used primarily in the U.S. and Canada for job applications.
• Biodata: Includes personal details, used in South Asia for matrimonial and some job applications.

08/05/2024

আমার এই দেহখানি তুলে ধরো,
তোমার ওই দেবালয়ের প্রদীপ করো--
নিশিদিন আলোক-শিখা জ্বলুক গানে ॥

13/06/2022

যুক্তরাজ্যে নোয়াখালী সমিতি ইউকের উদ্যোগে নানা আয়োজনের মাধ্যমে উদযাপিত হয়েছে নোয়াখালী উৎসব ২০২২।

Address

Maijdee Court
Maijdee Court
3800

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when নোয়াখালী উৎসব posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category