Food Fun Bangladesh

Food Fun Bangladesh Bangladeshi

'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারী‍' ___ আবদুল গাফফার চৌধুরীআমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারিআমি কি ...
20/02/2022

'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারী‍'
___ আবদুল গাফফার চৌধুরী
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি
আমি কি ভুলিতে পারি
ছেলেহারা শত মায়ের অশ্রু গড়ায়ে ফেব্রুয়ারি
আমি কি ভুলিতে পারি
আমার সোনার দেশের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি
আমি কি ভুলিতে পারি।।

জাগো নাগিনীরা জাগো নাগিনীরা জাগো কালবোশেখীরা
শিশু হত্যার বিক্ষোভে আজ কাঁপুক বসুন্ধরা,
দেশের সোনার ছেলে খুন করে রোখে মানুষের দাবী
দিন বদলের ক্রান্তিলগ্নে তবু তোরা পার পাবি?
না, না, না, না খুন রাঙা ইতিহাসে শেষ রায় দেওয়া তারই
একুশে ফেব্রুয়ারি একুশে ফেব্রুয়ারি।

সেদিনও এমনি নীল গগনের বসনে শীতের শেষে
রাত জাগা চাঁদ চুমো খেয়েছিল হেসে;
পথে পথে ফোটে রজনীগন্ধা অলকনন্দা যেন,
এমন সময় ঝড় এলো এক ঝড় এলো খ্যাপা বুনো।।

সেই আঁধারের পশুদের মুখ চেনা,
তাহাদের তরে মায়ের, বোনের, ভায়ের চরম ঘৃণা
ওরা গুলি ছোঁড়ে এদেশের প্রাণে দেশের দাবীকে রোখে
ওদের ঘৃণ্য পদাঘাত এই সারা বাংলার বুকে
ওরা এদেশের নয়,
দেশের ভাগ্য ওরা করে বিক্রয়
ওরা মানুষের অন্ন, বস্ত্র, শান্তি নিয়েছে কাড়ি
একুশে ফেব্রুয়ারি একুশে ফেব্রুয়ারি।।

তুমি আজ জাগো তুমি আজ জাগো একুশে ফেব্রুয়ারি
আজো জালিমের কারাগারে মরে বীর ছেলে বীর নারী
আমার শহীদ ভায়ের আত্মা ডাকে
জাগো মানুষের সুপ্ত শক্তি হাটে মাঠে ঘাটে বাটে
দারুণ ক্রোধের আগুনে আবার জ্বালবো ফেব্রুয়ারি
একুশে ফেব্রুয়ারি একুশে ফেব্রুয়ারি।।

01/01/2022
23/06/2020

"পুরান ঢাকার বিয়ে"

ঢাকাবাসীর আনন্দ অনুষ্ঠানের একটি বড় জায়গাজুড়ে রয়েছে বিয়ে উৎসব। পুরান ঢাকার মানুষের ক্ষেত্রে এই ব্যাপারটি আরো জমকালো। বিভিন্ন প্রথা ও রীতিনীতির মাধ্যমে তাদের বিয়ের সম্পন্ন হয়৷

উনিশ -বিশ শতকের দিকে পুরান ঢাকায় বিয়ের বিশেষ রীতিনীতি মেনে চলা হতো। সেকালে অধিকাংশ বিয়েই হতো পরিবারের মতামতের ভিত্তিতে বা পারিবারিক পছন্দে। তাই, ঘটকের ভূমিকা এক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ঢাকাইয়া ভাষায় ঘটককে বলা হয় "মোতাসা"। এঁরা ছিলেন পেশাজীবী ঘটক। বর-কনের বিয়ে পাকা করার দিনকে বলা হতো "পান চিনির অনুস্ঠান"। বরপক্ষ কনেপক্ষের বাড়িতে পান সুপারি নিয়ে কথা পাকা করতে যেতো৷ মেয়েপক্ষও নানান পদের আয়োজন করে বরপক্ষকে আপ্যায়ন করতো।

"গায়ে হলুদ" সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও জমকালোভাবে করা হতো। ঢাকাইয়া ভাষায় গায়ে হলুদকে "তেলাই" বলা হয়, যার প্রচলন বর্তমানে নেই বললেই চলে। হলুদ বাটা ও মেহেদী দেওয়া হয় বর-কনেকে৷ তাছাড়া রং মাখামাখির প্রচলনও ছিলো। আত্নীয়রা সবাই মিলে রং মাখার অনুষ্ঠান করতো৷ বাড়ির ছেলে-মেয়ে-বুড়োরা মিলেই বাড়ি সাজানো হতো, আলপনা আকা হতো।

তাছাড়া, পালকীর প্রচলন ছিলো৷ কনেকে পালকীতে কতে বরের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হতো। বরের বাড়ি বুড়িগঙ্গার ওপারে হলে নৌকা সাজানো হতো কনেকে নেওয়ার জন্য। বিত্তশালীরা ঘোড়ার গাড়িতে করে কনের বাড়িতে যেতো।

বিয়ের রাতে বাজি ফাটানো, ফানুস ওড়ানোর প্রচলন ছিলো। বিয়ে উপলক্ষে গীত গাওয়া আর নানা রকম গানবাজনার ব্যবস্থা করা হতো। লাউড স্পিকার চালু হওয়ার আগে গানের জন্য ‘মেরাসিনদে’র আমন্ত্রণ জানানো হতো। এরা ছিল বিশেষ ধরনের গান ও নাচের শিল্পী। সাধারণত পুরুষ শিল্পীরা মেয়েদের মতো সেজে গানের পাশাপাশি নানা অঙ্গভঙ্গি করে সবার মনোরঞ্জন করত। এসব গান গাওয়া হতো হিন্দি ও উর্দু ভাষায়। লাউড স্পিকার আসার পর ধীরে ধীরে মেরাসিনদের কদর কমে আসে।

বিয়ে পড়ানোর পর বরকে কনের বাড়ির অন্দর মহলে নিয়ে যাওয়া এবং কনেকে বরের বাড়িতে আনা নানা রকম আচার-উপাচার ও আনন্দঘন পরিবেশ সৃষ্টির মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হতো। বরকে অন্দরে নেওয়ার পর, এই পর্ব ছিল পুরো মেয়েদের হাতে। সেখানে মজা করা, বরকে জব্দ করা বা বোকা বানানোর জন্য ঠাট্টা সম্পর্কীয়রা নানা আয়োজন করত।

বরের বাড়িতে কনেকে নিয়ে যাওয়ার পর বাড়ির আঙিনায় বা নির্দিষ্ট কোনো ঘরে বর ও কনের জন্য পিঁড়ি বা আসন সাজানো হতো। কনেকে প্রথমে সেই আসনে দাঁড় করানো হতো। মুরব্বিস্থানীয়রা বরণডালা নিয়ে আসতেন। ধান, দুর্বা দিয়ে আর প্রদীপ জ্বালিয়ে সাজানো হতো বরণডালা। ডালা কনের কপালে ছোঁয়ানো হতো। দুধ আর আলতা মেশানো পানি দিয়ে ধোয়ানো হতো নববধুর পা।

বরের বাড়িতে আসার মধ্যদিয়েই ঢাকার বিয়ে উৎসবের সমাপ্তি ঘটত না। কনে তার বরকে নিয়ে "নাইওর" যেতো নিজের বাড়িতে। পুনরায় নাইওর যাওয়ার ব্যাপার বলে তা ‘ফিরোল্টা’ অর্থাৎ ‘ফির উল্টা’ নামে পরিচিত ছিল। এই পর্বে বরকে একদিন নিজ হাতে শ্বশুরবাড়িতে বাজার করতে হতো। জামাই কত বড় মাছ কিনে তা ছিল এক ধরনের দেখার বিষয়। অবশ্য এই পর্বটি সামর্থ্যের সাথে সম্পর্কিত ছিল।

বর-কনের নানা আনুষ্ঠানিকতার ভেতরে উভয় বাড়িতে আসা-যাওয়ার মধ্যদিয়ে পারিবারিক সম্পর্ক দৃঢ় করা হতো।স সেকালের অনেক রীতিনীতিই বর্তমানের ঢাকাইয়া বিয়েতে খুজে পাওয়া যায়। কিন্তু, বর্তমানে কিছু পরিবর্তনও লক্ষ্য করা যায় যেটা আগের বিয়েতে দেখা যেতোনা।

- সংগ্রহীত ও সংকলিত

Congratulations Bangladesh Cricket Team! 💓
03/11/2019

Congratulations Bangladesh Cricket Team! 💓

Roaaaarrr!!! 😍   🔥🔥
15/10/2019

Roaaaarrr!!! 😍

🔥🔥

02/10/2019

আপনার যেকোন প্রোগ্রামে স্মার্ট , কর্মঠ ভলান্টিয়ার বা স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত করতে পাশে আছে Plan For You Events 💜

Call us for details : +8801521315427 😃

23/09/2019

Volunteer / Brand Promoters Support for ypur event! 😁

“There are some people who live in a dream world, and there are some who face reality; and then there are those who turn...
01/08/2019

“There are some people who live in a dream world, and there are some who face reality; and then there are those who turn one into the other.”

-Douglas H. Everett

Call us for your tremendous event 💜 We're here to Plan For You 🙂
26/07/2019

Call us for your tremendous event 💜

We're here to Plan For You 🙂

Address

Zigatola Bus Stand , Dhanmondi
Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 23:30
Tuesday 09:00 - 23:30
Wednesday 09:00 - 23:30
Thursday 09:00 - 23:30
Friday 09:00 - 23:30
Saturday 09:00 - 23:30
Sunday 09:00 - 23:30

Telephone

+8801521315427

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Food Fun Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Food Fun Bangladesh:

Share

Our Story!

Plan for you Events is a target oriented venture run by a group of skilled and dedicated personnel who has the experience of organizing a numerous illustrious events . his organization carries a distinctive popularity and wonderfulness by an incongruent ex*****on in event planning & management . Customer’s fulfillment is the most elevated need of our service .

We not only provide service for wedding and event but also care for the quality. Our proficient trustworthiness, earnestness and quality control guarantee you a awe inspiring event planning and management which is interesting all through the country.