BMSCF Community

BMSCF Community BMF is a MOTHER ORGANIZATION of all mountaineering sports activity.

19/05/2026

Dear Delegate and UIAA Member federations,

I am pleased to inform you that the UIAA Management Board has confirmed your election to the Mountaineering Commission at its Spring 2026 meeting.

The following members have been elected:

Commission Members (CM):
• Young Hoon Oh (KAF)
• Haitham Abdulkarim (UAE)
• Gokul Thapa (NMA)

Full Members (FM):
• Aupar Ahmed (BMF)
• Rajendra Bahadur Lama (NMA)
• Claire Vesvard (FFCAM)

Congratulations to all of you. Greg Moseley, Commission President, will be in touch regarding upcoming activities and next steps.

Send a message to learn more

13/04/2026
Best of luck 👍
07/04/2026

Best of luck 👍

'প্রতিদিনের বাংলাদেশ' এ আজকের প্রেস কনফারেন্স এর খবর।

বিস্তারিত কমেন্ট বক্সে..

13/05/2025

পাহাড়ের আন অফিসিয়াল শিখরগুলোকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার গুরুত্ব !

বাংলাদেশের পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি এক অনন্য বৈচিত্র্য ধারণ করে, যা অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমীদের জন্য এক সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র। দেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গগুলোর যথাযথ স্বীকৃতি ও আন্তর্জাতিক পরিচিতি লাভের লক্ষ্যে বাংলাদেশ মাউন্টেনিয়ারিং এসোসিয়েশন (BMA) দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। তবে এখন সময় এসেছে এই প্রচেষ্টাকে আরও বেগবান করে সরকারি ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা প্রদানের।

বাংলাদেশের শীর্ষ পর্বতগুলোর স্বীকৃতি কেন গুরুত্বপূর্ণ?

বাংলাদেশে বেশ কিছু উঁচু শৃঙ্গ রয়েছে, যার মধ্যে তাজিংডং, কেওক্রাডং এবং মদক তং বা সাকা হাফং-শৃঙ্গ অন্যতম। তবে উচ্চতার সঠিক পরিমাপ ও আনুষ্ঠানিক তালিকা নির্ধারণের অভাবে এসব পাহাড় আন্তর্জাতিক পর্বতারোহণ মানচিত্রে যথা যথভাবে প্রতিফলিত হয়নি।

যদি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলো উদ্যোগ নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা প্রদান করে, তাহলে—

1. আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি: জাতীয় ও গ্লোবাল কমিটিতে পাহাড়গুলোর নাম অন্তর্ভুক্ত হলে বিদেশি মাউন্টেনিয়ারদের আগ্রহ বাড়বে।

2. পর্যটন বিকাশ: সরকারি উদ্যোগের ফলে পাহাড়ি অঞ্চলে পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটবে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

3. যুব সমাজের অংশগ্রহণ: পর্বতারোহণ কেবলমাত্র অ্যাডভেঞ্চার ক্রীড়া নয়, এটি শারীরিক ও মানসিক দক্ষতা বৃদ্ধির এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। দেশের তরুণ সমাজ যদি এটি পেশাদার ক্রীড়া হিসেবে গ্রহণ করে, তাহলে আন্তর্জাতিক ময়দানে বাংলাদেশের নাম আরও উজ্জ্বল হবে।

4. পর্বতারোহণ খাতে বিনিয়োগ: সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে বিনিয়োগ ও পৃষ্ঠপোষকতার সুযোগ সৃষ্টি হবে।

সরকারি সহযোগিতা ও দৃষ্টি আকর্ষণের প্রয়োজনীয়তা

বাংলাদেশ মাউন্টেনিয়ারিং এসোসিয়েশন ইতোমধ্যেই বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে পর্বতারোহণে আগ্রহীদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। কিন্তু পর্বতারোহণের যথাযথ বিকাশের জন্য সরকারের সরাসরি উদ্যোগ অত্যন্ত জরুরি। এ জন্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে

1. জাতীয়ভাবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা: দেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গগুলোর নির্ভুল উচ্চতা নির্ধারণ ও সরকারি স্বীকৃতি প্রদান করা।

2. আন্তর্জাতিক সংগঠনের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন: UIAA (International Climbing and Mountaineering Federation) ও অন্যান্য পর্বতারোহণ সংস্থার সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।

3. পর্বতারোহণ প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্র স্থাপন: দেশের বিভিন্ন পাহাড়ি অঞ্চলে আধুনিক পর্বতারোহণ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা।

4. জাতীয় প্রতিযোগিতা আয়োজন: পর্বতারোহণকে জনপ্রিয় করতে জাতীয় পর্যায়ে নিয়মিত প্রতিযোগিতা ও ইভেন্ট আয়োজন করা।
মোট কথা:
বাংলাদেশের পর্বতারোহণের সম্ভাবনা বিশাল, তবে তা পুরোপুরি কাজে লাগাতে হলে সরকারি উদ্যোগ অত্যাবশ্যক। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, পর্যটন বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যদি বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে, তাহলে বাংলাদেশের পর্বতারোহণ বিশ্ব দরবারে নিজস্ব অবস্থান তৈরি করতে পারবে। এটি শুধু ক্রীড়ার বিকাশ নয়, বরং জাতীয় মর্যাদা বৃদ্ধিরও একটি মাধ্যম। এখন সময় এসেছে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর একযোগে কাজ করার, যাতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ গুলো জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ভাবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পায়।






@জাতীয়ক্রীড়াপরিষদ


“পাহাড় আমাদের ডাকে”               🗯️🗯️পাহাড়—একটা উঁচু মাটির/পাথরের ঢীবি বা একটুকরো ভূখণ্ড নয় শুধু, ও যেন প্রকৃতির নীরব ...
19/04/2025

“পাহাড় আমাদের ডাকে”
🗯️🗯️
পাহাড়—একটা উঁচু মাটির/পাথরের ঢীবি বা একটুকরো ভূখণ্ড নয় শুধু, ও যেন প্রকৃতির নীরব কবিতা। খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি আর বান্দরবান সেই কবিতার তিনটি স্তবক বাংলাদেশের—যেখানে শব্দ নেই, শুধু দৃশ্যের সংগীত।

কিন্তু এই সংগীত আজ ক্লান্ত, কণ্ঠরুদ্ধ। মানুষ এসেছে, ছবি তুলেছে, চিৎকার করেছে—কিন্তু পাহাড়ের কান্না শোনেনি। এই লেখা সেই কান্নারই কিঞ্চিৎ উপলব্ধি।

১. পানির অভাব: পাহাড়ের বুকের গভীরে শুষ্কতা
একসময় পাহাড়ের গায়ে নেমে আসা ঝিরিপানির ধারায় জেগে উঠত জীবনের ছন্দ। আজ সেই ছন্দ থেমে যাচ্ছে। পাহাড়ি শিশুরা সকালবেলায় স্কুলব্যাগ নয়, কাঁধে বোঝা নেয় পানির হাঁড়ি।
প্রকৃতি তার ভাষায় বলছে—আমার শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে।

আমরা কী করতে পারি?

🫴প্রতিটি ফোঁটা পানির প্রতি শ্রদ্ধাশীল হই।
🫴পুনর্ব্যবহারযোগ্য বোতল ব্যবহার করি।
🫴পাহাড়ের পানি যেন শুধু আমাদের নয়, তাদেরও থাকে—যারা এই মাটির সন্তান।

২. বন উজাড়: সবুজের গায়ে আগুন লেগেছে !
যেখানে গাছেরা বাতাসে কবিতা লিখত, সেখানে এখন শূন্যতা। গাছ কেটে, আগুন জ্বেলে মানুষ গড়ে তুলেছে অস্থায়ী পথ, স্থায়ী ক্ষয়। পাহাড়ের শরীরে আজ ব্যান্ডেজ নেই, আছে ক্ষত।

আমরা কী করতে পারি?

🫴একটি ফুল ছিঁড়বার আগে ভাবুন, সেটি কার আশ্রয় ছিল।
🫴বনভূমিকে না ছুঁয়ে ছবি তুলুন।
🫴প্রকৃতির ছায়ায় থাকুন, কিন্তু সেই ছায়া যেন হারিয়ে না যায়।

৩. জীবজন্তুর নিঃসঙ্গতা: পাহাড়ের প্রাণীরা এখন কবরে!
ধনেশ,বন্যহাতি, ময়না পাখি ইত্যাদিরা—ওরা এখন শুধুই নাম, গল্প, কিংবা অতীতের ছায়া। ওদের জায়গায় এসেছে শোরগোল, হর্ন আর প্লাস্টিক।

আমরা কী করতে পারি?

🫴যদি প্রকৃতি ভালোবাসেন, তাহলে তাকে নীরবতাও দিন।
🫴ড্রোন নয়, চোখ দিয়ে দেখুন; জোরে নয়, মনের গভীরতা দিয়ে শুনুন।
🫴খাবার, প্লাস্টিক কোথাও ফেলে যাবেন না—কারণ ওগুলো কারও মৃত্যু ডেকে আনতে পারে।

৪. কৃষিজ : পাহাড় হারাচ্ছে তার আত্মা কিংবা প্রান !
পাহাড়ি মানুষ একসময় প্রকৃতির ভাষা জানত—বৃষ্টি নামবে কখন, শস্য উঠবে কবে। এখন তারা বৃষ্টি দেখে ভয় পায়, খরা দেখে হাহাকার করে।

আমরা কী করতে পারি?

🫴তাঁদের কাছ থেকে কিছু কিনুন, কিছু শিখুন।
🫴দরদ দিয়ে ভাবুন, দর কষাকষি নয়।
🫴ভ্রমণ হোক এমন, যাতে রেখে যাই সমর্থন—শুধু স্মৃতির জন্য যেন না হয়।

মোট কথাঃ পাহাড়কে ভালোবাসা মানে শুধু সেলফিবাজ নয়—প্রকৃতির প্রতিবেশকে নিজের মত থাকতে দেয়ার সচেতনতা বাড়ানো !

এই পৃথিবীতে প্রতিটি জায়গা যেন একেকটি কবিতা—আমরা সেই কবিতার পাঠক। কিন্তু আমরা যদি অক্ষরগুলো মুছে দেই, তাহলে ভবিষ্যতের পাঠক কী পড়বে?
আজ ভ্রমণ করুন, আনন্দ করুন—কিন্তু মনে রাখুন, আপনি যেখানে যাচ্ছেন, সেখানেও কেউ থাকে, শ্বাস নেয়, বাঁচতে চায়। তাই ভ্রমণ হোক কেবল না-ভোলার স্মৃতি নয়, একটুখানি দায়িত্বের ছোঁয়াও।

৫. পর্বতারোহণে দায়িত্ব: পাহাড়ের চূড়ায় পৌঁছানোর আগে হৃদয়ে রাখুন তার ব্যথা।

পাহাড়ে ওঠা শুধু শারীরিক অভিযাত্রা নয়, এটা প্রকৃতির সঙ্গে আত্মার সংলাপ। কিন্তু অনেক পর্বতারোহী দাগ রেখে আসেন—পাথরে খোদাই, আবর্জনার স্তূপ, কিংবা গাছ ভেঙে বানানো পথ।

যা তাঁরা দেখেন না, তা হল—প্রতিটি চূড়া, প্রতিটি খাঁজ প্রকৃতির শরীর। আর আমরা সেখানে যেন অতিথি—যিনি সম্মান না দেখালে অপমান হয় এক মহৎ সৌন্দর্যের।

পর্বতারোহীদের দৃষ্টি ও করণীয়:

🫴আবর্জনামুক্ত অভিযান:
আপনার সাথে আনা প্রতিটি বস্তু (প্লাস্টিক, খাবারের প্যাকেট, ক্যান, বোতল) আপনার সাথে ফিরিয়ে আনুন। পাহাড়ে কিছুই ফেলে যাবেন না, এমনকি কম্পোস্টেবল জিনিসও না।

🫴ট্রেইল সংরক্ষণ: নির্ধারিত ট্রেইল বা পথ অনুসরণ করুন। নতুন পথ বানিয়ে গাছ-পাথর ক্ষতবিক্ষত করবেন না। পাথরে কিছু খোদাই করাও প্রকৃতির ওপর সহিংসতা।

🫴প্রাকৃতিক শব্দ ও শান্তি রক্ষা করুন: পর্বতারোহণ মানে অন্তর্মুখী হওয়া—গান বাজিয়ে বা চিৎকার করে সেই প্রশান্তিকে ভেঙে দেবেন না। পশুপাখিদের কাছে আপনি একজন অনুপ্রবেশকারী—চুপ থাকুন, দেখুন, উপলব্ধি করুন।

স্থানীয় গাইডকে সম্মান করুন:
তারা শুধু পথ দেখান না, পাহাড়ের সন্তান। তাঁদের কাছ থেকে শিখুন, শ্রদ্ধা করুন, এবং ন্যায্য পারিশ্রমিক দিন।

🫴জীববৈচিত্র্যে হস্তক্ষেপ নয়: কোনো প্রাণী, গাছ বা মাটি থেকে কিছু সংগ্রহ করবেন না। পাহাড় আপনাকে স্মৃতি দিক, আপনি পাহাড়কে না দিন দাগ।

"পাহাড়ের চূড়া স্পর্শ করার অর্থ প্রকৃতিকে জয় করা নয়, বরং নিজেকে বুঝে ফেলা—যে আমরা প্রকৃতির সন্তান, মালিক আমরা নই।"🙏
---



Address

House # 97/A, Road # 6/A Old DOHS
Dhaka
1213

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BMSCF Community posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to BMSCF Community:

Share

Category