02/12/2022
অনেকেই বলছে এই বেঞ্চটা বিশ্বের সবচেয়ে দামী বেঞ্চ।
আসলেই কী তাই? হ্যাঁ, একদম তাই। আপনি যদি ক্লাব ও ন্যাশনাল ফুটবল দেখে থাকেন তবে এদের ভালোভাবেই চিনবেন। এখানে কে ওয়ার্ল্ড ক্লাস নয়? প্রত্যেকজনই ওয়ার্ল্ডের টপ ক্লাস পার্ফরমার।
ডানদিকে বসা এডারসন ম্যানচেস্টার সিটির নাম্বার ওয়ান গোলকিপার।
তার পাশে বসা ছেলেটা এই মৌসুমের ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগের সবচেয়ে ব্যয়বহুল সাইন করা তারকা এন্টোনি।
তার পাশেরজনের নাম মার্টনেলি। যাকে লিভারপুল কোচ ‘জার্গেন ক্লপ’ উপাধি দিয়েছেন "ট্যালেন্ট অব দ্যা সেঞ্চুরি"।
তার পাশে বসা ছেলেটা জেসুস। ম্যান সিটির প্রাক্তন এই ফরওয়ার্ড ইপিএলের এবারের মৌসুমে সবার জন্যেই অবাক বিস্ময়।
শেষের দুজনের প্রথমজন মিলিটাও। মাদ্রিদের ফার্স্ট চয়েস সেন্টার ব্যাক।
আর দ্বিতীয়জনকে আমি মিস্টার ফ্যান্টাসটিক বলে থাকি। ২১ বছর বয়সী এই ছেলেটার নাম রদ্রিগো। যে ম্যাচের শেষ দশ মিনিট আগে এসেই বারবার দলকে লিড এনে দিয়ে যায়। যে কি-না এবার রিয়াল মাদ্রিদকে চ্যাম্পিয়নস লীগ জেতানোর অন্যতম নায়ক বলে বিবেচিত হয়েছে।
আর এরা সবাই ব্রাজিল জাতীয় দলের সেকেন্ড চয়েস হয়ে বেঞ্চে বসে থাকে। বদলি প্লেয়ার হিসেবে খেলে থাকে। রেগুলার ম্যাচ স্টার্টের সুযোগ হয় না। এই পোস্ট তাদের জন্যই যারা বলে ব্রাজিল সমর্থকরা শুধু ৫ টা বিশ্বকাপ দেখে সাপোর্ট করে। তাদের বলা হচ্ছে, এরা বর্তমানের ইয়াং ট্যালেন্ট প্লেয়ার। যাদের বিশ্বব্যাপী খ্যাতি এরমধ্যেই তৈরী হয়ে গেছে। তাছাড়া অতীতে কারা ব্রাজিলের প্রতিনিধিত্ব করেছিল তাদের কথা বলে কাউকে লজ্জা দিয়ে ছোট করতে চাই না। শুধু একটা কথাই বলব, পাঁচটা বিশ্বকাপ ব্রাজিল চুরি করে আনেনি; প্লেয়ারেরা খেলেই এই পাঁচটা বিশ্বকাপ ঘরে তুলেছে।
Shohel Rana