Agnibeena - অগ্নিবীণা

Agnibeena - অগ্নিবীণা সর্বধায় সত্য বলুন

30/06/2026

❤️আর ফিরে আসে না❤️

কিছু নাম ঠোঁটে আসে না,
তবুও প্রতিটি নিঃশ্বাসে উচ্চারিত হয়।
কিছু মানুষ দূরে চলে যায়,
তবুও হৃদয়ের সবচেয়ে কাছের আসনটুকু
তাদের জন্যই খালি পড়ে থাকে।

একদিন ভেবেছিলাম—
ভালোবাসা মানেই পাশাপাশি হাঁটা।
আজ বুঝি,
কিছু ভালোবাসা শুধু দূরত্বের ভেতরেই
সবচেয়ে বেশি বেঁচে থাকে।

রাত যত গভীর হয়,
ততই স্মৃতিরা দরজায় কড়া নাড়ে।
আমি জানালা খুলে দিই,
আর তারা এসে নীরবে বসে পড়ে
আমার একাকীত্বের পাশে।

কেউ জানে না,
হাসির আড়ালে কতবার
চোখের ভেতর একটা সমুদ্র ভেঙে পড়ে।
মানুষ শুধু শুকনো চোখ দেখে,
ভেজা আত্মাটা দেখে না।

আজও যদি হঠাৎ কোথাও
তোমার ছায়ার মতো কাউকে দেখি,
মুহূর্তের জন্য মনে হয়—
সময় বুঝি ভুল করেছে,
তুমি বুঝি ফিরে এসেছ।

তারপর আবার বাস্তবতা
আমার কাঁধে হাত রেখে বলে—
যাদের হারিয়ে ফেলা যায়,
তারা আর ফিরে আসে না;
ফিরে আসে শুধু তাদের রেখে যাওয়া
অসংখ্য নীরব বিকেল,
অসংখ্য নির্ঘুম রাত,
আর বুকের ভেতর
আজীবন না শুকানো একফোঁটা কান্না।

তুমি সুখে থেকো—
এই প্রার্থনাটুকুই আজও সত্যি।
কারণ ভালোবাসা যদি সত্যিই ভালোবাসা হয়,
তবে সে অধিকার চায় না,
শুধু দূর থেকে
একজন মানুষের ভালো থাকার খবরটুকুই চায়।

সকালের গোধূলি❤️❤️❤️❤️❤️আমি খুবই ডানপিটে, দুষ্টু একটি ছেলে। পড়ালেখায় অত ভালো না, তবে খারাপও না। খেলাধুলায় সব সময়ই এগিয়ে থ...
22/06/2026

সকালের গোধূলি
❤️❤️❤️❤️❤️

আমি খুবই ডানপিটে, দুষ্টু একটি ছেলে। পড়ালেখায় অত ভালো না, তবে খারাপও না। খেলাধুলায় সব সময়ই এগিয়ে থাকতাম। স্কুলের প্রতিযোগিতা হোক কিংবা পাড়ার খেলার সাথীদের সঙ্গে, সব সময়ই ছিলাম উৎসাহের কেন্দ্রবিন্দু।

সেই ছোটবেলা, মানে প্রাইমারি স্কুলে পড়ার বয়সেই তার সঙ্গে আমার পরিচয়। আমি একটু লাজুক প্রকৃতির ছেলে। মধ্যবিত্ত পরিবারে মানুষ হয়েছি। তারও আমার বাড়ির পাশেই আত্মীয়ের বাড়ি ছিল।

বিকেল হলেই পাড়ার ছেলেমেয়েরা একসঙ্গে খেলতে জড়ো হতাম। কলাপাতা দিয়ে ঘর বানানো, একজনের সঙ্গে আরেকজনের পুতুল বিয়ে দেওয়া, বালি দিয়ে রান্না করা, কানামাছি, লুকোচুরি— কত শত স্মৃতি! তখন জীবনটা কত সহজ ছিল, ছোট ছোট আনন্দেই যেন পুরো পৃথিবী ভরে থাকত।

সেও মাঝে মাঝে খেলতে আসত। কিন্তু কোনোভাবেই আমার সঙ্গে তার মিল হতো না। সব সময়ই যেন আমার সঙ্গে খুনসুটি লেগে থাকত। তবুও অন্য সহপাঠীদের সঙ্গে খেলতাম, হাসতাম, দৌড়াতাম। সেই সময়গুলো যে এত মূল্যবান স্মৃতি হয়ে থাকবে, তখন কে জানত!

এক বছর, দুই বছর করে সময় গড়িয়ে গেল। আমি তখন সপ্তম শ্রেণিতে পড়ি। সে আগের মতো আর ততটা আসত না। তখন থেকেই তাকে দেখার এক অদৃশ্য আগ্রহ কাজ করত। শুনেছিলাম, সে আমার এক ক্লাস নিচে পড়ে।

কেন জানি, সে কবে আসবে— এই না-বলা অপেক্ষা ধীরে ধীরে আমার ভেতরে জায়গা করে নিচ্ছিল। কিন্তু তখনও এর কোনো অর্থ বুঝতাম না।

সন্ধ্যা নামলে পশ্চিম আকাশটা লাল হয়ে উঠত। দূরের মসজিদ থেকে ভেসে আসত আজানের ধ্বনি। পাখিরা তাদের নীড়ে ফিরত। আর ঠিক সেই সময়গুলোতেই কেন জানি, তাকে দেখতে ইচ্ছে করত একটু বেশি।

ইতিহাস সাক্ষী, তার সঙ্গে আমার কখনো কোনো কথা হতো না। সেও বলত না। আর আমি ছিলাম ভীষণ লাজুক। কথা বলতে গেলেই কেমন যেন জড়তা কাজ করত।

আমি তখন অষ্টম শ্রেণিতে পড়ি। একদিন বাড়ির পাশ দিয়ে যাচ্ছি। হঠাৎ তার মুখে একটি কথা ফুটে উঠল—

"আপনি নাকি অনেক ভালো ছাত্র?"

কথাটা শুনে আমি যেন থমকে গিয়েছিলাম। কী উত্তর দেব বুঝতে পারছিলাম না। শুধু "হ্যাঁ" বলে চলে গিয়েছিলাম।

আর কোনো কথা হয়নি। কিন্তু এই একটি কথাই আমার ভেতরে এক অদৃশ্য অনুভূতির প্লাবন বয়ে দিয়েছিল।

যে মানুষটি আমাকে দেখতে পারত না, তার মুখে নিজের প্রশংসা শুনে কেন জানি বুকের ভেতরটা অন্যরকম ভালো লাগায় ভরে উঠেছিল। হয়তো তখনই অজান্তে তার জন্য একটুখানি আলাদা জায়গা তৈরি হয়ে গিয়েছিল।

অনেক দিন তার সঙ্গে দেখা নেই। কিন্তু না-বলা এক অপেক্ষা তৈরি হলো আমার মাঝে।

সে কবে আসবে?

কেন তাকে দেখতে ইচ্ছে করে?

কেন তাকে না দেখলে মন খারাপ হয়?

এসব প্রশ্নের উত্তর তখন আমার জানা ছিল না।

আমি তখন নবম শ্রেণির নবীন ছাত্র। স্কুলের প্রতিযোগিতায় আমি প্রায় প্রতি বছরই চ্যাম্পিয়ন হতাম। এবারও প্রস্তুতি চলছিল।

শীতের কুয়াশাভেজা ভোরে প্রতিদিন পাঁচ কিলোমিটার দৌড়াতাম। শিশিরভেজা ঘাসের উপর দিয়ে দৌড়াতে দৌড়াতে কখনো সূর্যের প্রথম আলো গায়ে এসে পড়ত। নতুন দিনের সঙ্গে সঙ্গে নতুন স্বপ্নও যেন জেগে উঠত মনে।

আমাদের স্কুলের প্রতিযোগিতাগুলো সব সময়ই খুব জমজমাট হতো। ভালো ভালো পুরস্কার দেওয়া হতো। অনেক সম্মানিত ব্যক্তিরা প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতেন। পুরো স্কুলজুড়ে যেন উৎসবের আমেজ বিরাজ করত।

অবশেষে প্রতিযোগিতার দিন এসে গেল।

পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে আমিও অংশগ্রহণ করলাম।

যথারীতি আবারও চ্যাম্পিয়ন হলাম। মূল তিনটি ইভেন্টের পাশাপাশি একটি আকর্ষণীয় প্রতিযোগিতা ছিল— "যেমন খুশি তেমন সাজো"। সেখানে আমি বেদে পরিবারের বেশ ধারণ করেছিলাম। সেখানেও প্রথম হলাম।

সব মিলিয়ে আমি একাই ছয়টি মূল্যবান পুরস্কার পেয়েছিলাম। তখনকার মাননীয় সংসদ সদস্যের হাত থেকে সবগুলো পুরস্কার গ্রহণ করলাম। আমি খুবই উচ্ছ্বসিত ছিলাম। মানুষের অনেক ভালোবাসাও পেয়েছিলাম।

পুরস্কার নিয়ে বাড়ি চলে এলাম।

পরদিন জানতে পারলাম, সেও পুরো অনুষ্ঠানটিতে উপস্থিত ছিল। আমার প্রতিটি প্রতিযোগিতা সে মন দিয়ে উপভোগ করেছে।

বিষয়টি আমার কাছে ছিল খুবই বিস্ময়কর।

কেন জানি, সেই খবরটা শুনে আমার মনটা অন্যরকম আনন্দে ভরে উঠেছিল। মনে হয়েছিল, ছয়টি পুরস্কারের মধ্যেও যেন আরও অমূল্য কিছু লুকিয়ে আছে।

সেবার সে অনেক দিন ছিল। তবে তার সঙ্গে তখনও আমার কোনো কথা হয়নি।

নিকট প্রতিবেশী হওয়ার কারণে প্রায়ই দেখা হতো। কিন্তু কখনো সে আমার সঙ্গে কথা বলত না। শুধু চোখে চোখে তাকাত, খুব মায়াবী দৃষ্টিতে। আমিও তাকিয়ে থাকতাম। কিন্তু কথা হতো না।

কখনো কখনো মনে হতো, আমাদের নীরবতাগুলোই যেন সবচেয়ে বেশি কথা বলে।

হঠাৎ একদিন খবর পেলাম, সে চলে যাবে।

সেদিন বিকেলটা কেমন যেন অন্যরকম ছিল। আকাশে হালকা মেঘ, চারপাশে এক অদ্ভুত নীরবতা। বাতাসে শীতের ছোঁয়া, আর আমার মনটাও কেমন যেন অজানা এক বিষণ্ণতায় ভরে উঠেছিল।

যাওয়ার আগে একবার তার চোখের দিকে তাকিয়ে দেখি, চোখের কোণে চিকচিক করছে কয়েক ফোঁটা জল।

আমার বুকের ভেতরটা কেমন যেন দুমড়ে-মুচড়ে উঠল।

কেন তার চোখে জল?

কেন আমার এত কষ্ট হচ্ছে?

আমি কোনো উত্তর খুঁজে পেলাম না।

শুধু মনে হচ্ছিল, খুব কাছের কিছু একটা যেন ধীরে ধীরে দূরে সরে যাচ্ছে।

সে চলে গেল।

আমিও রাস্তার পাশে নিশ্চুপ দাঁড়িয়ে ছিলাম।

কিছুদূর যাওয়ার পর সে একবার ফিরে তাকাল। তারপর মায়াভরা মুখে হাতের ইশারায় আমাকে বিদায় জানাল।

আমিও হাত তুলে বিদায় জানিয়েছিলাম।

ধীরে ধীরে সে চোখের আড়ালে চলে গেল। কিন্তু কেন জানি, সেদিন সন্ধ্যায় পশ্চিম আকাশের লাল আভাটাও যেন কেমন ফিকে হয়ে গিয়েছিল।

আর আমার মনের ভেতর জন্ম নিয়েছিল এক নীরব অপেক্ষা—

আবার কবে দেখা হবে?
..

চলবে...

চোখের ভাষায় প্রথম প্রেম❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️নীল আকাশের নিচে শান্ত নদীর জলে,তোমার স্মৃতি ভাসত নীরব ঢেউয়ের দোলে।উড়ে চলা গাঙচ...
13/06/2026

চোখের ভাষায় প্রথম প্রেম

❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️
নীল আকাশের নিচে শান্ত নদীর জলে,
তোমার স্মৃতি ভাসত নীরব ঢেউয়ের দোলে।
উড়ে চলা গাঙচিল যেন খবর নিয়ে যেত,
আমার অব্যক্ত প্রেমের কথা তোমার কানে দিত।
ষোলো বছরের আবেগ ছিল শিশির ভেজা ফুল,
তোমাকে দেখার অপেক্ষায় কাটত দুপুর-বিকেল ভুল।
লুকিয়ে লুকিয়ে দেখতাম, আড়চোখে শতবার,
তোমার একটুখানি হাসিতেই হারাতাম বারবার।
মাঝি যখন ভাটিয়ালি গান ধরত সন্ধ্যার পরে,
মনে হতো তোমার নামই ভাসছে সুরের ঘোরে।
শান্ত নদীর বুক চিরে নৌকা যেত দূর,
আমার হৃদয়ও ছুটে যেত তোমার স্বপ্নপুর।
গোপনে লিখতাম চিঠি, কাঁপা কাঁপা হাতে,
কত যে কথা জমে থাকত সাদা কাগজপাতাতে।
"ভালোবাসি" শব্দ দুটি লিখে আবার মুছতাম,
ভয়ের কাছে হেরে গিয়ে নীরবতাকেই বেছে নিতাম।
মাঝরাতে দূর বাঁশির সুর যখন বাতাস ছুঁয়ে যেত,
মনে হতো তোমার ডাকে ঘুম ভেঙে হৃদয় কেঁদে উঠত।
জানালার পাশে বসে আমি চাঁদের সাথে কথা বলতাম,
তোমার চোখের ভাষা পড়ে কত স্বপ্ন বুনতাম।
নীল আকাশে সাদা মেঘ, গাঙচিলের ডানা,
তোমার স্মৃতির রঙে রাঙা ছিল আমার ঠিকানা।
শিউলি ভেজা ভোরের হাওয়ায় তোমার গন্ধ পেতাম,
অকারণে একা একা তোমার নামই বলতাম।
কদম ফুলের সুবাস মেখে বর্ষা যখন আসত,
তোমার মুখের সরল হাসি বুকের ভেতর ভাসত।
দু'চোখ ভরা ভাষা ছিল, ঠোঁটে ছিল না শব্দ,
তবু বুঝতাম, ভালোবাসারও আছে নীরব রূপ।
কতবার বলতে গিয়ে ফিরে এসেছি হেরে,
হৃদয়ের সব কথাগুলো বুকের মাঝে রেখে।
তুমি যখন আড়চোখে তাকিয়ে মুচকি হাসতে,
মনে হতো সাত সমুদ্র সুখ এসে গেছে হাতে।
আজও শান্ত নদীর জলে সন্ধ্যা নামে ধীরে,
মাঝির ভাটিয়ালি গান বাজে আগের মতোই নীরে।
মাঝরাতে দূর বাঁশির সুর জাগিয়ে দেয় মন,
প্রথম প্রেমের স্মৃতিগুলো আজও অমলিন।
কারণ কিছু ভালোবাসা উচ্চারণে নয়,
চোখের ভাষায় লেখা থাকে অনন্ত পরিচয়।
কিছু চিঠি কখনো পৌঁছায় না প্রিয় ঠিকানায়,
তবুও তারা বেঁচে থাকে হৃদয়ের গহীন ছায়ায়।
আর আজও নীল আকাশে উড়ে চলা গাঙচিল দেখে,
মনে হয়, তুমি বুঝি ফিরে আসবে হঠাৎ একদিন ডেকে—
সেই ষোলো বছরের আবেগ নিয়ে,
চোখের ভাষায় আবারও বলবে,
"কথা না বলেও, আমি তোমায় ভালোবেসেছিলাম..."।

"নীলচিঠির মানুষী "❤️❤️❤️❤️❤️"কিছু কিছু মানুষ ভালোবাসা পায় না, তবুও মৃত্যুর আগ পর্যন্ত একজন মানুষকেই ভালোবেসে যায়।"রাত তখ...
06/06/2026

"নীলচিঠির মানুষী "
❤️❤️❤️❤️❤️

"কিছু কিছু মানুষ ভালোবাসা পায় না, তবুও মৃত্যুর আগ পর্যন্ত একজন মানুষকেই ভালোবেসে যায়।"
রাত তখন প্রায় দুইটা।
পুরো শহর ঘুমিয়ে গেছে।
শুধু একটি ছোট্ট ঘরের জানালার পাশে বসে আছে অয়ন।
সামনে একটি পুরনো ডায়েরি।
এক কাপ চা অনেক আগেই ঠান্ডা হয়ে গেছে।
আর ডায়েরির শেষ পাতায় বড় বড় অক্ষরে লেখা—
"আজও তোমাকে ভুলতে পারলাম না, নীলপাখি..."
চোখের কোণে জমে থাকা জলটা আঙুল দিয়ে মুছে আবার কলমটা হাতে নিল অয়ন।
কিন্তু আজকাল আর কবিতা আসে না।
যে মানুষটা একসময় শব্দ দিয়ে মানুষকে কাঁদাতো, সে আজ নিজের কান্নাটাও ঠিকমতো লিখতে পারে না।
কারণ—
কিছু কিছু কষ্ট ভাষার থেকেও বড় হয়ে যায়।
পাঁচ বছর আগে...
ফেসবুকের একটা সাহিত্য গ্রুপে নিয়মিত লিখতো অয়ন।
মানুষ তার কবিতা পড়ে মুগ্ধ হয়ে যেত।
কেউ বলত—
"ভাই, আপনার লেখাগুলো বুকের ভেতরে গিয়ে লাগে।"
কেউ বলতো—
"এত সুন্দর করে কেউ ভালোবাসা লিখতে পারে?"
অয়ন শুধু হাসতো।
কারণ সে জানতো—
যে ভালোবাসেনি, সে কখনো ভালোবাসার কবিতা লিখতে পারে না।
একদিন একটি মেয়ের কমেন্ট আসে।
"আপনার কবিতাগুলো পড়লে মনে হয় কেউ আমার অদেখা কান্নাগুলো বুঝতে পারে।"
অয়নের চোখ থেমে যায়।
নামটা অদ্ভুত ছিল।
নীলপাখি।
অয়ন মুচকি হেসে রিপ্লাই দিয়েছিল—
"তাহলে কান্নাগুলোকে একটু হাসতে শেখান।"
সেই ছিল শুরু।
প্রথম দিন।
দ্বিতীয় দিন।
তারপর এক সপ্তাহ।
তারপর এক মাস।
ধীরে ধীরে তারা দুজন দুজনের অভ্যাস হয়ে উঠলো।
সকাল হলে—
"ঘুম ভেঙেছে?"
দুপুরে—
"খেয়েছো?"
রাতে—
"আজ এত চুপ কেন?"
কথা বলতে বলতে কখন যে রাত তিনটা বেজে যেত, তারা নিজেরাও বুঝতো না।
কখনো অয়ন ঘুমিয়ে পড়লে নীলপাখি রাগ করতো।
আবার নীলপাখি অভিমান করলে অয়ন সারারাত জেগে থাকতো।
একদিন নীলপাখি লিখেছিল—
"শোনো, পৃথিবীর সবাই ছেড়ে চলে গেলেও তুমি যাবে না তো?"
অয়ন অনেকক্ষণ ধরে শুধু একটা লাইন লিখেছিল।
"তোমার আগে মৃত্যু আসুক, চলে যাওয়া না।"
সেই উত্তর পড়ে নীলপাখি কেঁদে ফেলেছিল।
দুই বছর।
পুরো দুই বছর।
তারা একে অপরকে না দেখে ভালোবেসেছিল।
কোনো ফোন নাম্বার না।
কোনো ভিডিও কল না।
শুধু কিছু ছবি।
আর হাজার হাজার মেসেজ।
হাজার হাজার অনুভূতি।
নীলপাখি অয়নকে ডাকতো—
"কবি।"
আর অয়ন ডাকতো—
"নীলপাখি।"
তাদের পৃথিবীটা খুব ছোট ছিল।
কিন্তু সেই ছোট পৃথিবীতে ভালোবাসাটা অনেক বড় ছিল।
একদিন হঠাৎ নীলপাখি বদলে যেতে শুরু করলো।
আগের মতো সময় দেয় না।
মেসেজের উত্তর দিতে দেরি হয়।
কথা কমে যায়।
হাসি কমে যায়।
অয়ন বুঝতে পারছিল—
কিছু একটা বদলে যাচ্ছে।
কিন্তু কী?
এক রাতে অয়ন লিখলো—
"তুমি কি আমাকে আর আগের মতো ভালোবাসো না?"
দীর্ঘ সময় কোনো উত্তর এলো না।
তারপর মাত্র একটি লাইন।
"সব ভালোবাসা পূর্ণতা পায় না, কবি..."
সেই রাতে অয়নের বুকের ভেতর কিছু একটা ভেঙে গিয়েছিল।
দুই দিন পর সে জানতে পারলো—
নীলপাখির বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে।
একজন ডাক্তার।
পরিবারের পছন্দ।
ছেলেটি ভালো।
বড় পরিবার।
ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল।
সব ঠিক।
শুধু একটা মানুষ ছাড়া।
অয়ন।
সেই রাতে অয়ন প্রথমবার নিজের ঘরে দরজা বন্ধ করে শিশুর মতো কেঁদেছিল।
সকালে আয়নায় নিজের চোখ দেখে নিজেই ভয় পেয়ে গিয়েছিল।
এত লাল চোখ সে আগে কখনো দেখেনি।
বিয়ের আগের দিন নীলপাখি শেষবার লিখেছিল—
"কবি, আমাকে ঘৃণা করো না।"
অয়ন লিখেছিল—
"ভালোবাসা মানুষকে ঘৃণা করতে শেখায় না।"
এরপর...
নীলপাখি হারিয়ে গেল।
চিরতরে।
দিন গেল।
মাস গেল।
বছর গেল।
মানুষ ভাবে সময় সব ঠিক করে দেয়।
মিথ্যা কথা।
সময় শুধু মানুষকে অভিনয় করতে শেখায়।
কষ্টগুলো ঠিক আগের জায়গাতেই থেকে যায়।
অয়ন বিয়ে করলো।
কিন্তু সংসার আর হলো না।
যে মানুষটা তার হৃদয়ে পুরো পৃথিবী নিয়ে বসে আছে, সেখানে অন্য কাউকে জায়গা দেওয়া কি এত সহজ?
তার স্ত্রী অভিযোগ করতো—
"তুমি আমাকে ভালোবাসো না।"
অয়ন মাথা নিচু করে থাকতো।
কারণ অভিযোগটা সত্যি ছিল।
একদিন স্ত্রী চলে গেল।
কোনো ঝগড়া না।
কোনো চিৎকার না।
শুধু চলে গেল।
অয়ন বাধা দেয়নি।
যে মানুষ নিজের হৃদয়টাই হারিয়ে ফেলেছে, সে আর কাউকে ধরে রাখবে কী দিয়ে?
তারপর ধীরে ধীরে অয়ন বদলে গেল।
কবিতা বন্ধ।
হাসি বন্ধ।
মানুষের সাথে কথা বলা বন্ধ।
শুধু রাত জাগা আর পুরনো মেসেজ পড়া।
পাঁচ বছর পর...
এক রাতে হঠাৎ তার পুরনো ফেসবুক আইডিতে লগইন করলো।
হাজার হাজার মেসেজ।
একটা একটা করে পড়তে লাগলো।
"খেয়েছো?"
"ওষুধ খেতে ভুলবে না।"
"আজ তোমাকে খুব দেখতে ইচ্ছে করছে।"
"কবি, আমি যদি হারিয়ে যাই, মনে রাখবে?"
অয়ন ডায়েরির উপর মাথা রেখে কাঁদছিল।
হঠাৎ একটা পুরনো ভয়েস মেসেজ চোখে পড়লো।
সে প্লে করলো।
ওপাশ থেকে ভেসে এলো সেই পরিচিত কণ্ঠ।
"শোনো কবি, যদি কোনোদিন আমি হারিয়ে যাই...
তাহলে অন্য কাউকে ভালোবেসো।
কারণ আমি চাই না আমার জন্য কেউ কষ্ট পাক।"
অয়ন হেসে ফেললো।
কান্নাভেজা হাসি।
খুব ধীরে বললো—
"মিথ্যা বলেছিলে, নীলপাখি...
মানুষ সবকিছু পারে...
কিন্তু প্রথম ভালোবাসার কবরের উপর দ্বিতীয় ভালোবাসার ঘর তুলতে পারে না..."
বাইরে তখন ভোর হয়ে আসছে।
আজান ভেসে আসছে দূর থেকে।
অয়ন ডায়েরির শেষ পাতায় লিখলো—
**"তোমাকে পাওয়ার সৌভাগ্য আমার হয়নি।
কিন্তু তোমাকে ভালোবাসার সৌভাগ্য হয়েছিল।
এই জীবনে সেটাই আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি..."**
কলমটা থেমে গেল।
জানালার বাইরে সূর্য উঠছিল।
আর ঘরের ভেতরে...
একজন মানুষ আবারও নীরবে হারিয়ে যাচ্ছিল তার অপূর্ণ ভালোবাসার স্মৃতির ভেতরে।
সমাপ্ত।
"সব বিচ্ছেদ ঘৃণায় শেষ হয় না। কিছু কিছু বিচ্ছেদ মৃত্যুর আগ পর্যন্ত নীরব ভালোবাসা হয়ে বেঁচে থাকে।" ❤️🥀




“কাঠবিড়ালি”💘💘💘💘প্রভাত ছিল এক অদ্ভুত স্বভাবের ছেলে। বাহির থেকে সাধারণ, কিন্তু ভেতরে ছিল এক অসাধারণ জগৎ—কবিতার জগৎ।সে প্র...
05/06/2026

“কাঠবিড়ালি”
💘💘💘💘
প্রভাত ছিল এক অদ্ভুত স্বভাবের ছেলে। বাহির থেকে সাধারণ, কিন্তু ভেতরে ছিল এক অসাধারণ জগৎ—কবিতার জগৎ।
সে প্রতিদিন ফেসবুকের একটি কবিতার গ্রুপে লিখত। তার লেখা ছিল খুব সাধারণ ভাষার, কিন্তু শব্দের ভেতরে লুকিয়ে থাকত গভীর অনুভূতি।
কেউ লিখত— “ভালো লাগল” কেউ লিখত— “খুব সুন্দর”
কিন্তু প্রভাত কখনো বাহবা খুঁজত না। সে শুধু লিখত, কারণ লেখাই ছিল তার নিঃশ্বাস।
একদিন একটি কমেন্ট আসে—
“তোমার কবিতায় আমি নিজেকে খুঁজে পাই…”
নামটা ছিল অদ্ভুত— কাঠবিড়ালি
প্রভাত প্রথমে খুব একটা গুরুত্ব দেয়নি। কিন্তু পরের দিন আবার একই নামের মেসেজ আসে।
“আজকের কবিতাটা যেন আমার ভাঙা মনটা জোড়া লাগিয়ে দিল…”
সেই দিন প্রথমবার প্রভাত রিপ্লাই দেয়।
“আপনি কি সত্যিই আমার কবিতা পড়েন?”
সেখান থেকেই শুরু।
প্রথম দিন, দ্বিতীয় দিন, তৃতীয় দিন…
ধীরে ধীরে তাদের কথা বলা বাড়ে।
শুধু কবিতা না—জীবন, কষ্ট, হাসি, ছোট ছোট অনুভূতি—সব কিছু শেয়ার করতে শুরু করে তারা।
প্রভাত সারাদিন কী করেছে, কোথায় গেছে—সব বলে কাঠবিড়ালিকে।
আর কাঠবিড়ালি তার দিনের গল্প বলে, তার একাকীত্ব, তার হাসির আড়ালের কষ্ট।
দুজনেই বুঝতে পারে না—কখন এই বন্ধুত্বটা একটা অভ্যাস হয়ে গেছে।
রাত গভীর হয়।
প্রভাত ঘড়ির দিকে তাকায়।
“সে কি আসবে আজ?”
অনলাইন স্ট্যাটাস দেখলেই বুক ধক করে ওঠে।
“Online”
একটা ছোট শব্দ, কিন্তু প্রভাতের কাছে সেটা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় শান্তি।
কাঠবিড়ালি একদিন বলে—
“তুমি যদি কখনো লিখা বন্ধ করো, আমি নিঃশ্বাস নিতে ভুলে যাবো।”
প্রভাত চুপ থাকে।
তার মনে হয়—এই মেয়ে শুধু পাঠক না, তার লেখার ভেতরের মানুষ।
সময় গড়ায়।
বন্ধুত্ব ধীরে ধীরে বদলে যায়।
কথার মাঝে আবেগ আসে, আবেগের মাঝে নীরবতা আসে, আর নীরবতার মাঝে জন্ম নেয় এক অদৃশ্য সম্পর্ক—ভালোবাসা।
তারা কেউ কাউকে কখনো দেখেনি। কোনো ফোন নাম্বার নেই। শুধু চ্যাট, শুধু শব্দ, শুধু অনুভূতি।
তবুও প্রভাতের পৃথিবী এখন কাঠবিড়ালি ছাড়া অসম্পূর্ণ।
একদিন কাঠবিড়ালি মজা করে বলে—
“তুমি কি আমাকে সত্যিই ভালোবাসো, নাকি শুধু কবিতার মতো ভালো লাগো?”
প্রভাত অনেকক্ষণ টাইপ করে।
তারপর লিখে—
“আমি জানি না ভালোবাসা কেমন হয়… তবে তুমি না এলে আমার দিন শেষ হয় না।”
কাঠবিড়ালি সেই মেসেজ পড়ে অনেকক্ষণ চুপ থাকে।
ধীরে ধীরে সম্পর্ক গভীর হয়।
কাঠবিড়ালি একদিন নিজের এক কাজিনের কথা বলে।
“আমার জীবনে একজন আছে, আমার পরিবার তাকে পছন্দ করে…”
প্রভাত প্রথমে বুঝতে পারে না।
তারপর বুঝে যায়—তার পৃথিবীতে একটা ফাটল ধরছে।
প্রভাত তখন ভালো চাকরি করে। ঢাকায় থাকে। জীবন মোটামুটি স্থির।
কিন্তু সেই স্থির জীবনের ভেতরে হঠাৎ ঝড় আসে।
কাঠবিড়ালির বিয়ে ঠিক হয়ে যায়।
একজন প্রবাসীর সাথে।
প্রভাত যখন এই খবর পায়, সে শুধু চুপ থাকে।
তার ফোনের স্ক্রিনে শুধু একটা নাম জ্বলতে থাকে—
KATHBIRALI
সে অনেকবার টাইপ করে, আবার ডিলিট করে।
শেষে শুধু লিখে—
“তুমি কি খুশি?”
কোনো উত্তর আসে না।
কিছুদিন পর জানা যায়— কাঠবিড়ালির বিয়ে হয়ে গেছে। সে এখন বিদেশে।
প্রভাত সেই দিন প্রথমবার খুব জোরে কেঁদেছিল।
তার কবিতাগুলো বন্ধ হয়ে যায়।
ফেসবুক গ্রুপে কেউ আর তার লেখা পায় না।
দিন যায়, মাস যায়।
প্রভাত ধীরে ধীরে ভেঙে পড়ে।
সে আর আগের মতো নেই।
চাকরি থাকে, জীবন থাকে—কিন্তু মানুষটা ভেতর থেকে হারিয়ে যায়।
পরিবার তাকে বিয়ে করিয়ে দেয়।
একটা মেয়ের সাথে, যে শান্ত না—বরং অনেক রাগী।
দুজনের মধ্যে শুরু থেকেই ঝগড়া, অভিযোগ, দূরত্ব।
এক ছাদের নিচে থেকেও তারা দুই পৃথিবী।
প্রভাত ধীরে ধীরে নিজেকে হারিয়ে ফেলে।
কবিতা লেখা বন্ধ। হাসি বন্ধ। মানুষের সাথে কথা বলা বন্ধ।
সে একসময় ঢাকায় থাকলেও এখন রাস্তার মানুষ।
দিনে যা পায় তাই খায়। কখনো ডাস্টবিন থেকে খাবার। কখনো ছেঁড়া কাপড় গায়ে দেয়।
কিন্তু একটা শব্দ সে কখনো ভুলে না—
“কাঠবিড়ালি”
সে রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে হঠাৎ হঠাৎ বলে ওঠে— “কাঠবিড়ালি… তুমি কোথায়?”
মানুষ তাকিয়ে থাকে, কেউ ভাবে পাগল।
সে এখন এয়ারপোর্ট এলাকায় ঘোরে।
কারণ তার ভেতরে এক অদ্ভুত বিশ্বাস— কাঠবিড়ালি কোনোদিন ফিরবে।
এদিকে কাঠবিড়ালি বিদেশে।
তার জীবন এখন অন্য কারো সাথে।
চেহারায় হাসি আছে, কিন্তু চোখে কোথাও একটা শূন্যতা।
একদিন সে তার স্বামীর সাথে এয়ারপোর্টে আসে।
বিদেশে চলে যাবে।
সবকিছু ঠিকঠাক।
জ্যাম।
গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে এয়ারপোর্ট গেটের সামনে।
হঠাৎ কাঠবিড়ালি জানালার বাইরে তাকায়।
ডাস্টবিনের পাশে একজন মানুষ দাঁড়িয়ে আছে।
ছেঁড়া কাপড়, এলোমেলো চুল, হাতে পচা রুটি।
সে কিছু একটা বলছে বারবার—
“কাঠবিড়ালি… কাঠবিড়ালি…”
কাঠবিড়ালির শরীর থমকে যায়।
সে দ্রুত ফোন বের করে পুরোনো চ্যাট দেখে।
পুরোনো নাম—
প্রভাত
তার বুকের ভেতর কিছু একটা ভেঙে যায়।
সে গাড়ির গ্লাস নামায়।
চিৎকার করে ডাকে—
“প্রভাত!”
“প্রভাত আমি কাঠবিড়ালি!”
কিন্তু রাস্তার মানুষটা তাকায় না।
সে শুধু রুটিটা হাতে নিয়ে আবার বলে—
“কাঠবিড়ালি… কোথায় তুমি…”
তার চোখে কোনো চিনতে পারার আলো নেই।
কাঠবিড়ালি কাঁদতে কাঁদতে আবার ডাকে—
“প্রভাত… আমি চলে যাচ্ছি…”
কিন্তু তখন বিমানবন্দরের ঘোষণা বাজে।
সময় শেষ।
সে একবার ফিরে তাকায়।
দূরে প্রভাত দাঁড়িয়ে আছে।
ডাস্টবিনের পাশে, পচা রুটি হাতে, অস্পষ্ট কণ্ঠে আবার ডাকছে—
“কাঠবিড়ালি…”
গাড়ি এগিয়ে যায়।
পেছনে থেকে যায় একটি অসমাপ্ত ভালোবাসা— যার শুরু ছিল শব্দে, আর শেষ হলো নীরবতায়।



10/10/2025

# kake ゚viralシfypシ゚viralシal

With Shimu Montasir – I'm on a streak! I've been a top fan for 13 months in a row. 🎉
10/10/2025

With Shimu Montasir – I'm on a streak! I've been a top fan for 13 months in a row. 🎉

03/10/2025

অশ্রুর মেঘে রঙিন রোদ্দুর
❤️❤️❤️💙❤️❤️❤️

অশ্রুর মেঘে রঙিন রোদ্দুর,
মনের মাঝে নিরব সুর,
ভাঙা স্বপ্নে জোড়া লাগায়,
একটুকু সুখের পুরনো নূর।

হৃদয় গহীনে চেপে রাখা,
অভিমানে দোল খায় ব্যথা,
তবু ভালোবাসি নিঃশব্দে,
নাম না বলা কারো কথা।

চোখের কোণে চুপটি বসে,
স্বপ্নরা গায় নীরব গান,
তোমায় ভেবে সময় থামে,
মন চায় শুধু তোমার স্থান।

নিঃসঙ্গ রাতের আকাশ জুড়ে,
তোমার ছায়া খেলে যায়,
হারিয়ে যাওয়া ভালোবাসা,
মনে পড়ে বারংবার হায়।

15/09/2025

বিরহের প্রহর

নিশীথ রাতে একা বসে চাঁদের সাথে কথা বলি,
তুমি নেই পাশে, তবুও তোমার ছায়া খুঁজি চলি।

বুকের ভেতর শূন্যতা শুধু বেড়ে চলে বারবার,
তোমার স্মৃতি আজও রক্তের মতো গাঢ়।

অশ্রুর সাগরে ভাসে আমার নিঃশব্দ রাত,
তুমি ছাড়া পৃথিবী যেন মরুভূমির প্রপাত।

ফুল ফোটে বাগানে, তবু রঙিন লাগে না,
তুমি ছাড়া সুখের রোদন কোনোদিন জাগে না।

হৃদয়ের দরজায় তালা মেরে রেখেছি আমি,
তুমি ছাড়া এ জীবন শুধু দুঃখের ভূমি।

প্রতিটি নিশ্বাসে বাজে তোমার নামের সুর,
কিন্তু সে সুর আজ কেবল কষ্টের ভরপুর।

বিরহের আগুনে দগ্ধ আমার প্রাণ,
তুমি ছাড়া আজ সবই যেন শূন্য ভুবন গান।

অপেক্ষার ঘড়ি থামে না কোনোদিন,
প্রতিটি ক্ষণে মনে হয়—তুমি ফিরবে হঠাৎ একদিন।

কিন্তু আশা ভাঙে, ভেঙে যায় স্বপ্ন সব,
তোমার অনুপস্থিতি আমার জীবনের অভিশাপ।

বুকে জমা কষ্ট আর অশ্রুর ঢেউ,
তুমি ছাড়া আমার দিন যেন অনন্ত নীরব ঢেউ।

যদি একবার ফিরে এসে বলতে, “আমি আছি,”
তবে হয়তো শুকনো হৃদয় আবার ফুলে ভাসি।

কিন্তু বাস্তবতা নির্মম, তুমি আর নেই,
শুধু দুঃখের ছায়ায় আমি আজ বেঁচে রয়।

With Shimu Montasir – I'm on a streak! I've been a top fan for 9 months in a row. 🎉
19/06/2025

With Shimu Montasir – I'm on a streak! I've been a top fan for 9 months in a row. 🎉

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Agnibeena - অগ্নিবীণা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category