11/02/2026
পাকিস্তানের এত নাটক করার দরকার ছিল না।
বাট নাটকটা ওরা করেছে।
আইসিসির সাথে নিজেরা একলা মিটিং করে নাই, বাংলাদেশ থেকে বুলবুল সাহেবকেও ডেকে নিয়ে মিটিং এ বসাইছে।
কোন দরকার ছিল না।
বাংলাদেশ ভারতের পলিটিকাল ইস্যু।
পাকিস্তানের তাতে কী? পাকিস্তানকে তো শ্রীলঙ্কায় খেলার পারমিশন দিসেই।
বাট পাকিস্তান এই সুযোগে ভারতকে একটু টিপে দিল।
বিনিময়ে বাংলাদেশ পাইলো ক্ষতিপূরন আর সম্মান। পাকিস্তান কিন্তু আইসিসির অনুরোধে খেলার ডিসিশন নেয় নাই। পাকিস্তান ভারত ম্যাচ খেলার ডিসিশন নিসে বুলবুল সাহেবের অনুরোধে।
তো, এই কথাটাই শুরু থেকেই বলে আসতেসি।
ভারতের মত একটা অসভ্য, বর্বর আর সাম্রাজ্যবাদী দেশের পাশে থাকার ফলাফল হইলো, ঢাকা আর ইসলামাবাদের নিয়তি এখন এক সুতোয় বাঁধা।
ক্রিকেটে যেমন সুযোগ পাওয়ার সাথে সাথে ভারত বাংলাদেশকে খেয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে,
রাজনীতি বা সামরিক ক্ষেত্রেও সিনারিওটা সেইম হবে।
যেদিন সুযোগ পাবে, গিলে ফেলার চেষ্টা করবে।
এইটার প্রটেকশন আমাদের নিশ্চিত করতে হবে পাকিস্তানের কাছে থেকে।
কিচ্ছু করার নাই।
যতই চেতনা মারান, যাই মারান, আমাদের নিউক নাই, অস্ত্র নাই, প্রতিরক্ষার মিনিমাম এবিলিটিও নাই।
এই বাস্তবতা মাথায় রেখে, অন্তত এগুলো ডেভেলপ করার আগ পর্যন্ত ক্রিকেটের এই সম্পর্কটাকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত নিয়ে যেতে হবে।
চেতনা মারানো ঢাকার এলিটরা কোনদিন কোন যুদ্ধে মরে না।
জুলাইতে কারা মরেছে, হিসাব নেন।
পরের যুদ্ধেও তারাই আবার মরবে।
কাজেই, টিএসসির গাঞ্জা খাওয়া বাম ছাত্রনেতা কী বলল, সেটা নিয়ে কনসার্ন না হয়ে পররাষ্ট্র নীতি ঢেলে সাজাতে হবে।
আমাদের বন্ধু লাগবে।
এশিয়াতে, আমেরিকাতে, ইউরোপে।
সবার সাথে বন্ধুত্ব টাইপের বালসাল দিয়ে পররাষ্ট্রনীতি চলে না।
সবাইকে যে বন্ধু বলে, তার আসলে কোন বন্ধু থাকে না।
জাস্ট বিশ্বকাপ ইস্যুতে পাকিস্তান পাশে না দাঁড়াইলে আইসিসি জরিমানা করার আর নিষিদ্ধ করার পথে আগাইয়াই গেসিল।
আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বন্ধুত্বের গুরুত্ব বুঝতে এই একটা ঘটনাই যথেষ্ট।