05/03/2026
#হয়রানি
এই হয়রানির শেষ কোথায়?
সম্প্রতি কিছুদিন আগে আমি একটা পোস্ট করেছিলাম সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের নামে তাতে উল্লেখ ছিল যে আমি দীর্ঘ ১৩ মাস সুন্দরবন সার্ভিস যাত্রাবাড়ী শাখায় কর্মরত ছিলাম। চাকরি ছাড়ার দীর্ঘ চার মাস শেষ হওয়ার পরও আজও পর্যন্ত আমি আমার প্রফিট ফান্ডের ন্যায্য টাকা আজও পাইনি। এই চার মাস আমি যাত্রাবাড়ী অফিসার ইনচার্জ জিএম হতে হেড অফিসে কল সেন্টারে এডমিনে সেকশনে কথা বলার পর লোন সেকশনে ছবি আইডি কার্ড পাঠানোর পরও কোন সমাধান হয়নি। এরপর একপর্যায়ে আমি আমার ফেসবুক আইডিতে উল্লেখ করেছি যে আমি আইনগত ব্যবস্থা নিব ইতিমধ্যে আমি একটি জিডি করেছিলাম সেটি করার পর অফিসে নাকি আলোচনা হয়েছে তিন দিনের মধ্যে আমার টাকা পরিষদ করবে। বর্তমান যে ম্যানেজার জনাব ইদ্রিস সাহেব তিনি আমাকে গত বৃহস্পতিবার আবার ও আমার আইডি কার্ডের ফটোকপি ছবি তার কাছে দেই। দুইদিন পর আবার আপডেট জানার জন্য ফোন দিলাম ইদ্রিস সাহেব ম্যানেজারের কাছে উনি ফোনে বললেন আমি নাকি আমার ছবিতে ফোন নাম্বারটি লিখে দেই নি। তাই উনি হেড অফিসে ওনার ফোন নাম্বার টি পাঠিয়েছে যেন প্রফিট ফান্ডের টাকাটি খুব দ্রুত চলে আসে। কিন্তু আজ পাচ দিন পরও খবর নিয়ে দেখি সেই টাকা এখনো আসে নি।
এখন আমার কথা হলো ভাই এই টাকা টা তো আমার পাওনা টাকা এমন না যে কোম্পানি আমাকে উপহার কিংবা কোন অনুদান দিচ্ছে। তাহলে আমার টাকা আমাকে দিতে কেন এত অনেহা। আমি এই চার মাসে প্রায় সব মিলিয়ে ৫০০ টাকারমত খরচ করে ফেলছি। সবচেয়ে বড় কথা হলো টাকা টা হয় মতিঝিল থেকে আসবে না হয় উওরা থেকে তাহলে ৪/৫ মাস সময় কেন লাগবে এমন তো না এটা মালয়েশিয়ার কোলালামপুর থেকে আসবে। আরেকটা বিষয় হলো আমি চাকরি ছেড়ে দিছি ৫ মাস রানিং এই সময়ে মধ্যে আমি আমার টাকা এখনো পাই নি এর মধ্যে যদি আমি মরে যেতাম তাহলে এই টাকা আমার পরিবার পরিজন পেতো তা কত পারসেন্ট নিশ্চয়তা রয়েছে। আমার অফিসের আইডি কার্ড জন্ম নিবন্ধন আইডি কার্ড চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট এবং কি আমার ফিঙ্গারপ্রিন্ট এখনো কোম্পানির কাছে আছে তাহলে সমস্যা কোথায় আমি কিছুই বুঝি না। ১০ বছর কর্ম জীবন আমার টোটাল ১৫ টা চাকরি করেছি এমন নিয়ম কানুন পলিসি আর কোথাও দেখি নি ভাই।
আল্লাহ তাদেরকে সহীহ্ বুঝ দান করুন।
#আমিন