10/05/2026
শকুন্তলা কালী পুজা 2026
আজ কোন্নগর এর ঐতিহ্য মা শকুন্তলা রক্ষাকালী মাতার ১৩৭তম বর্ষের পুজো।
সূর্যের মুখ দেখেন না দেবী, মায়ের কাছে আশাপূরণে ছুটে আসেন ভক্তরা, কোন্নগরের শকুন্তলা পুজোর রোমাঞ্চকর ইতিহাস
মা এখানে দেবী দক্ষিণা কালিকার নাগরিক রূপ। বিশ্বাস করা হয়, লোকালয়ের রক্ষাকর্ত্রী তিনি।
মন্দিরের গঠন একেবারে সাদামাটা। । মূল মন্দিরের গর্ভগৃহে রয়েছে একটি শ্বেত পাথরের বেদি। নিত্যদিনের পুজো অর্চনা চলে সেখানেই। আড়ম্বরহীন এই মন্দিরে পূর্ণ হয় লক্ষ লক্ষ ভক্তদের মনস্কামনা। স্থানীয় বিশ্বাস, মা কখনই তাঁর সন্তানদের ফেরান না। ভক্তরা মানত করলে তা পূরণ করেন মা শকুন্তলা।
মা এখানে দেবী দক্ষিণা কালিকার নাগরিক রূপ। বিশ্বাস করা হয়, লোকালয়ের রক্ষাকর্ত্রী তিনি। তাই সেই হিসাবে দেবী দক্ষিণা কালীকেই রক্ষাকালী হিসাবে পুজো করা হয় এখানে। কোন্নগরকে রক্ষা করেন তিনি, তাই রাস্তার তিনমাথার মোড়ে মাকে পুজো করার রেওয়াজ রয়েছে বলে জানা যায়।
তবে এর ইতিহাস বলে, ১৮৩৬ সালের সময় কোন্নগর-নবগ্রাম ছিল ঘন বনজঙ্গলে ঢাকা এলাকা। জঙ্গলের মধ্যে এলাকা ভাগ-ভাগ করে ছিল বিভিন্ন ডাকাত আর ঠগীদের ডেরা। এই এলাকায় ডাকাতদেরও আনাগোনা ছিল। প্রাপ্ত সূত্র থেকে জানা যায়, বৈশাখ মাসের কৃষ্ণা তৃতীয়া বা তার ঠিক পরের শনিবারের রাতে এই ডাকাতে কালীকে পুজো দিয়ে সারা বছরের মতো ডাকাতির ব্যবসা শুরু করত ডাকাত ও ঠগীর দল। মস্ত অশ্বত্থ গাছের নীচেই ছিল মায়ের থান। সেই সময় এই থানেই পড়ে থাকত রক্তমাখা হাঁড়িকাঠ। গাছের ওপরে বাস করে দলে দলে শকুন, তাই এই থানের আরেক নাম শকুন্তলা মায়ের থান, সেই থেকে মায়ের নামও শকুন্তলা রক্ষাকালী মা।
📷 Anirban Pandit
[ Konnagar, shakuntala kali puja, shakuntala maa, Konnagar kali puja, Hooghly, hindu, Sanatan, festival, 2026]
'
'
'
🔥