World Defense News

World Defense News parikhit sarkar defense journalist

26/08/2026
22/08/2026

ভারতীয় নৌবাহিনীর প্রজেক্ট ১৮ (Project 18) হলো একটি উচ্চকাঙ্ক্ষী নেক্সট-জেনারেশন ডেস্ট্রয়ার (Next-Generation Destroyer - NGD) কর্মসূচী। এটি ভারতের বর্তমান বিশাখাপত্তনম-ক্লাস (Project 15B) ডেসট্রেয়ারের পরবর্তী ও আরও বেশি শক্তিশালী উত্তরসূরি হিসেবে ডিজাইন করা হচ্ছে।
প্রধান বৈশিষ্ট্য ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা
* আকার ও ওজন: এটি প্রায় ১৩,০০০ টন বা তার বেশি ওজনের একটি হেভি-গাইডেড মিসাইল ডেসট্রেয়ার হতে যাচ্ছে, যা এটিকে ভারতীয় নৌবাহিনীর নির্মিত এ যাবৎকালের বৃহত্তম ডেসট্রেয়ারে পরিণত করবে।
* এডভান্সড স্টেলথ: এতে জাপানের সাথে যৌথ প্রযুক্তিতে তৈরি UNICORN (NORA-50) সমন্বিত রাডার মাস্ট ব্যবহার করা হবে, যা জাহাজের রাডার ক্রস-সেকশন (RCS) কমিয়ে শত্রুর রাডারে অদৃশ্য থাকার ক্ষমতা বহুগুণ বাড়াবে।
* উন্নত অস্ত্রশস্ত্র:
* হাইপারসনিক অ্যান্টি-শিপ ও অ্যান্টি-সারফেস ক্রুজ মিসাইল।
* দীর্ঘপাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (LRSAM/ERSAM)।
* অধিক সংখ্যক ভার্টিক্যাল লঞ্চ সিস্টেম (VLS) সেল (প্রায় ৮০ থেকে ১৪৪টি পর্যন্ত)।
* ভবিষ্যতের ডাইরেক্টেড এনার্জি ওয়েপন (DEW) বা লেজার অস্ত্র ব্যবহারের সুবিধা।
* এআই ও আধুনিক সেন্সর: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চালিত কমব্যাট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এবং মাল্টি-ফাংশন ফেসড-অ্যারে রাডার।
| বৈশিষ্ট্য | প্রজেক্ট ১৫বি (বিশাখাপত্তনম-ক্লাস) | প্রজেক্ট ১৮ (নেক্সট-জেনারেশন NGD) |
|---|---|---|
| শ্রেণি | গাইডেড মিসাইল ডেসট্রেয়ার | হেভি নেক্সট-জেনারেশন ডেসট্রেয়ার |
| ওজন (Displacement) | ~৭,৪০০ টন | ~১৩,০০০+ টন |
| মাস্ট প্রযুক্তি | প্রচলিত সমন্বিত মাস্ট | ইউনিকর্ন (UNICORN) স্টেলথ মাস্ট |
| প্রধান কাজ | বিমান ও জাহাজ বিধ্বংসী যুদ্ধ | দূরপাল্লার স্ট্রাইক, এয়ার ডিফেন্স ও কমান্ড সেন্টার |
বর্তমান অবস্থা ও সময়সীমা
এই প্রজেক্টটির প্রাথমিক নকশা ও কৌশলগত অনুমোদনের কাজ চলছে। কোচিন শিপইয়ার্ড এবং মাজগাঁও ডক লিমিটেড (MDL)-এর মতো শীর্ষস্থানীয় ভারতীয় শিপইয়ার্ডগুলোতে ৫ থেকে ৮টি যুদ্ধজাহাজ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে, যা ২০৩০-এর দশকের প্রথমভাগ থেকে নৌবাহিনীতে যুক্ত হওয়া শুরু করবে।

প্রতিটি নৌ-পতাকাই বলে এক একটি গল্প।সূচনালগ্ন থেকে আজকের আধুনিক নকশা পর্যন্ত—ভারতীয় নৌ-পতাকার বিবর্তন ফুটিয়ে তোলে দেশের অ...
10/08/2026

প্রতিটি নৌ-পতাকাই বলে এক একটি গল্প।
সূচনালগ্ন থেকে আজকের আধুনিক নকশা পর্যন্ত—ভারতীয় নৌ-পতাকার বিবর্তন ফুটিয়ে তোলে দেশের অগ্রযাত্রার গল্প, সমৃদ্ধ সামুদ্রিক ঐতিহ্য এবং সার্বভৌম পরিচয়কে।
দশকের পর দশক ধরে কালজয়ী এই প্রতীকটি কীভাবে পরিবর্তিত হয়েছে, তা দেখতে সোয়াইপ করুন 🇮🇳⚓
#ভারতীয়নৌবাহিনী #স্বাধীনতাদিবস২০২৬ #নৌপতাকা #সামুদ্রিকঐতিহ্য

01/08/2026

বিশ্ব অস্ত্র বাজারে ভারত বর্তমানে একটি অনন্য এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল অবস্থানে রয়েছে। ঐতিহাসিকভাবে ভারত বিশ্বের অন্যতম বড় অস্ত্র আমদানিকারক দেশ হিসেবে পরিচিত হলেও, 'মেক ইন ইন্ডিয়া' (Make in India) এবং 'আত্মনির্ভর ভারত' উদ্যোগের কারণে দেশটি এখন দ্রুত বড় একটি অস্ত্র রপ্তানিকারক দেশে উন্নীত হচ্ছে।
অস্ত্র ব্যবসার তথ্য পরিচালনাকারী আন্তর্জাতিক সংস্থা

❤️SIPRI (Stockholm International Peace Research Institute)** এবং ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী নিচে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো:

❤️১. বৈশ্বিক অস্ত্র রপ্তানিতে ভারতের অবস্থান
যদিও ভারত এখনও বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ অস্ত্র আমদানিকারক দেশ (মূলত চীন ও পাকিস্তান সীমান্তের ভূ-রাজনৈতিক কারণে), কিন্তু রপ্তানির ক্ষেত্রে তাদের গ্রাফ দ্রুত ওপরের দিকে উঠছে।

❤️শীর্ষ ২৫-এ অবস্থান:** ভারত সফলভাবে বিশ্বের **শীর্ষ ২৫টি অস্ত্র রপ্তানিকারক দেশের** তালিকায় নিজের জায়গা ধরে রেখেছে এবং বর্তমানে সাধারণত বৈশ্বিক তালিকায় **২৩তম অবস্থানে** রয়েছে।

❤️আমদানি হ্রাস:** দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধির ফলে গত ৫ বছরে ভারতের নিজস্ব অস্ত্র আমদানির পরিমাণ প্রায় ৪% কমেছে, যা প্রমাণ করে যে ভারত এখন সামরিক সরঞ্জামের জন্য অন্য দেশের ওপর নির্ভরতা কমাচ্ছে।

❤️২. রেকর্ড গড়া রপ্তানি প্রবৃদ্ধি
ভারতের অভ্যন্তরীণ প্রতিরক্ষা খাতের উৎপাদন ও রপ্তানি গত কয়েক বছরে অভাবনীয় গতিতে বেড়েছে। এর পেছনে সরকারি ও বেসরকারি—উভয় খাতেরই বড় অবদান রয়েছে।
❤️২০২৫-২৬ অর্থবছরের রেকর্ড:** সাম্প্রতিক ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ভারতের প্রতিরক্ষা রপ্তানি সর্বকালের রেকর্ড ভেঙে **৩৮,৪২৪ কোটি রুপিতে (প্রায় ৪.১৫ বিলিয়ন ডলার)** পৌঁছেছে। এটি আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৬২.৭% বেশি।
❤️১২ বছরে ৫০ গুণ বৃদ্ধি:** ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ভারতের প্রতিরক্ষা রপ্তানি ছিল মাত্র ৬৮৬ কোটি রুপি। সেই তুলনায় গত ১২ বছরে তাদের রপ্তানি **৫০ গুণেরও বেশি** বেড়েছে।
❤️খাতভিত্তিক অবদান:** ভারতের মোট প্রতিরক্ষা রপ্তানির প্রায় ৫৫% আসে সরকারি বিভিন্ন প্রতিরক্ষা সংস্থা (DPSUs) থেকে এবং বাকি ৪৫% আসে বেসরকারি খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে।

31/07/2026

ভারতের প্রতিরক্ষা রপ্তানিতে আরও একটি বড় সম্ভাবনা।

আফ্রিকার দেশ আইভরি কোস্ট ভারতের তৈরি HAL Light Combat Helicopter (LCH) ‘প্রচণ্ড’ কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, দেশটি তাদের পুরনো ৪টি Mi-25 আক্রমণকারী হেলিকপ্টারের পরিবর্তে ৬টি HAL LCH সংগ্রহের বিষয়টি বিবেচনা করছে।

HAL LCH-এর উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য:
🔹 উচ্চ পার্বত্য এলাকায় যুদ্ধ পরিচালনার সক্ষমতা
🔹 ট্যাঙ্ক-বিধ্বংসী ও এয়ার-টু-এয়ার অস্ত্র বহনের ক্ষমতা
🔹 আধুনিক সেন্সর ও টার্গেটিং সিস্টেম
🔹 দিন-রাত সব ধরনের আবহাওয়ায় অভিযান পরিচালনা

30/07/2026

ভারত তার নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি **আকাশ (Akash) সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল (SAM)** সিস্টেম মধ্য এশিয়ার দুই রাষ্ট্র **তাজিকিস্তান ও তুর্কমেনিস্তানে** রপ্তানি করেছে। ভারতের প্রতিরক্ষা খাতের বৈশ্বিক প্রসারে এটি একটি বড় মাইলফলক।

**মূল বিষয়সমূহ:**
* **নিশ্চিতকরণ:** ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (DRDO)-র প্রাক্তন প্রধান ড. সমীর ভি. কামাত এই বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রপ্তানির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

* **আকাশ মিসাইলের সক্ষমতা:** এটি একটি মাঝারি পাল্লার (Medium-range) বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এটি শত্রুপক্ষের যুদ্ধবিমান, হেলিকপ্টার, ড্রোন, সোয়ার্ম ড্রোন (Swarming drones) এবং ক্রুজ মিসাইল নিখুঁতভাবে চিহ্নিত করে ধ্বংস করতে সক্ষম।

* **কৌশলগত প্রভাব:** মধ্য এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে এই রপ্তানি ভারতের সামরিক ও কূটনৈতিক প্রভাব অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে। এর আগে আর্মেনিয়াও ভারতের কাছ থেকে আকাশ বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সংগ্রহ করেছিল।
* **নির্মাণ ও প্রযুক্তি:** এই মিসাইল সিস্টেমটি ভারত ডায়নামিক্স লিমিটেড (BDL) দ্বারা উৎপাদিত এবং এতে ডিআরডিও-র তৈরি অত্যাধুনিক রাডার ও কমান্ড সিস্টেম যুক্ত রয়েছে।

* **প্রতিরক্ষা রপ্তানি বৃদ্ধি:** ভারতের 'আত্মনির্ভর ভারত' নীতির অংশ হিসেবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশটির প্রতিরক্ষা রপ্তানি ইতিমধ্যে রেকর্ড ৩৮,০০০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। ২০২৮-২৯ সালের মধ্যে এই রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৫০,০০০ কোটি টাকায় উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

**SARAS MK 2 (বা Saras Mk-II)** হলো ভারতের সম্পূর্ণ নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি প্রথম হালকা যাত্রীবাহী বিমান (Light Transpor...
08/07/2026

**SARAS MK 2 (বা Saras Mk-II)** হলো ভারতের সম্পূর্ণ নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি প্রথম হালকা যাত্রীবাহী বিমান (Light Transport Aircraft) প্রকল্প। এটি বেঙ্গালুরুর **CSIR-National Aerospace Laboratories (NAL)** দ্বারা ডিজাইন করা হচ্ছে এবং এর উৎপাদনে সহযোগিতা করছে **Hindustan Aeronautics Limited (HAL)**।

এটি মূলত ভারতের আঞ্চলিক বিমান যোগাযোগ ব্যবস্থা (যেমন- UDAN স্কিম) উন্নত করা এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলের ছোট রানওয়েগুলোতে সহজে যাতায়াতের উদ্দেশ্যে তৈরি হচ্ছে।

# # # বর্তমান অবস্থা ও আপডেট (২০২৬)

* **ডিজাইন সম্পন্ন:** CSIR-NAL অনুসারে বিমানটির প্রধান ডিজাইন পর্ব ফ্রিজ (Freeze) বা চূড়ান্ত করা হয়েছে। সিস্টেমের খুঁটিনাটি পরীক্ষার জন্য সম্প্রতি এর "Iron Bird" (গ্রাউন্ড-টেস্টিং প্ল্যাটফর্ম) সুবিধা চালু করা হয়েছে।

* **প্রথম পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন (Maiden Flight):** বিমানটির প্রথম প্রোটোটাইপ বা পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন

**২০২৭ সালের ডিসেম্বর** নাগাদ শিডিউল করা হয়েছে।
* **প্রতিরক্ষা বাহিনীর আগ্রহ:** ভারতীয় বিমান বাহিনী (IAF) প্রাথমিক স্তরে ১৫টি সারাস এমকে-২ বিমান কেনার আগ্রহ দেখিয়েছে।

# # # প্রধান টেকনিক্যাল স্পেসিফিকেশন (Technical Specifications)
বৈশিষ্ট্য | বিবরণ |

**আসন সংখ্যা** | ১৯ জন যাত্রী (19-seater) |

**ইঞ্জিন** | ২টি Pratt & Whitney Canada PT6A-67A টার্বোপ্রপ ইঞ্জিন (Tractor Configuration) |

| **সর্বোচ্চ গতি** | প্রায় ৫০০ কিমি/ঘণ্টা (Maximum Cruise Speed) |

**রেঞ্জ (পাল্লা)** | ১৯ জন যাত্রী নিয়ে ৭৫০ কিমি; কম যাত্রী নিয়ে সর্বোচ্চ ২,৪০০ কিমি পর্যন্ত (Ferry Range) |
**উড্ডয়ন উচ্চতা** | ২৯,০০০ ফুট (Service Ceiling) |

**ডিজাইন ও ককপিট** | সম্পূর্ণ আধুনিক গ্লাস ককপিট, ডিজিটাল অ্যাভিওনিক্স, অটো-পাইলট এবং প্রেসারাইজড কেবিন (উচ্চতায় আরামদায়ক ভ্রমণের জন্য) |

# # # কেন এই বিমানটি ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ?
১. **ডর্নিয়ার (Dornier 228) এর বিকল্প:** বর্তমানে ভারতে এই ক্যাটাগরিতে ব্যবহৃত ডর্নিয়ার বিমানের কেবিন প্রেসারাইজড নয়, যার কারণে বেশি উচ্চতায় ওড়ার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা থাকে। SARAS MK 2-এ প্রেসারাইজড কেবিন থাকায় এটি অনেক সস্তায় আধুনিক সুবিধা দেবে।

২. **অর্ধ-প্রস্তুত রানওয়ে:** বিমানটি আধা-প্রস্তুত বা কাঁচা রানওয়ে (Semi-prepared runways) এবং পাহাড়ি অঞ্চলের (Hot and high altitude) ছোট এয়ারফিল্ড থেকেও সহজেই ওঠানামা করতে পারবে।

ভারতের অন্যতম অ্যাডভান্স হাইপারসনিক ক্রুজ মিসাইল : প্রজেক্ট বিষ্ণু! যা Extended Trajectory-Long Duration Hypersonic Crui...
28/06/2026

ভারতের অন্যতম অ্যাডভান্স হাইপারসনিক ক্রুজ মিসাইল : প্রজেক্ট বিষ্ণু! যা Extended Trajectory-Long Duration Hypersonic Cruise Missile (ET-LDHCM) নামেও পরিচিত , সম্পূর্ণ নির্মাণ কার্য শেষ হওয়ার পর এটি সম্ভবত পৃথিবীর মধ্যে সবথেকে ডেভাস্টেটিং হাইপারসনিক ক্রুজ মিসাইলে পরিণত হতে চলেছে। ম্যাসিভ ১-২ টন ওয়ারহেড বহনে সক্ষম এই মিসাইল ম্যাক ৮ থেকে ১০ গতিবেগে ক্রুজ করতে সক্ষম।

ভারতের হাইপারসনিক লাইট মিসাইল গুলি যেরকম হাই অলটিটিউডে আনপ্রেডিক্টেবল ট্র্যাজেক্টরি মেন্টেন করে তার বিপরীতে প্রজেক্ট বিষ্ণু ক্রুজ মিসাইল লো ফ্লাইট ট্র্যাজেক্টরি মেন্টেন করে যা একে হরাইজনের ওপারে মিসাইলকে অদৃশ্য করে রাখে।

যদিও দেখতে পেলেও বা কী করবে? এর লাইটনিং স্পিডের কারণে একে বর্তমানে কোনো এয়ার ডিফেন্স দিয়ে আটকানো সম্ভব নয়। ১৫০০ থেকে সর্বোচ্চ ২৫০০ কিমি পর্যন্ত রেঞ্জ বাড়ানো যাবে। যেখানে BrahMos চালিত হয় Ramjet ইঞ্জিন দিয়ে, সেখানে এই মিসাইল DRDO HSTDV এর অধীনে নির্মিত স্ক্র্যামজেট ইঞ্জিন দ্বারা চালিত হবে। তবে Ramjet এর মতো স্ক্র্যামজেট ইঞ্জিনও শূন্য গতিতে অ্যাক্টিভ হতে পারে না। ইঞ্জিনকে অ্যাক্টিভ হতে এর এয়ার ইনটেকে এয়ার ফ্লো দিতে হবে একটা মিনিমাম স্পিডে। তাই BrahMos এর মতো এই মিসাইলের ফার্স্ট স্টেজ সলিড রকেট মোটর দ্বারা চালিত হয়। যদিও সব ক্রুজ মিসাইল একই ভাবে পরিচালিত।

সমস্ত ওপেন সোর্সে এর বিস্ফোরক বহন ক্ষমতা ১ থেকে ২ টন লেখা হলেও যত সময় না অফিসিয়াল ব্রোশিওর প্রকাশিত হচ্ছে তত সময়ে এটা ঠিক হজম হচ্ছে না। এত ভারী ওজনের ওয়ারহেড সাধারণত কোনো ক্রুজ মিসাইলে থাকে না।

এই মিসাইলের গতি এতটাই যে বায়ুর ঘর্ষণের ফলে এর শরীরের উষ্ণতা ২০০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড ছাড়িয়ে যায়। যার ফলে একে সুরক্ষিত রাখতে ডিআরডিও একটা স্পেশাল ম্যাটেরিয়াল নির্মাণ করেছে যা এই উচ্চ তাপমাত্রায় মিসাইলকে সুরক্ষিত রাখবে। হাইপারসনিক মিসাইল নির্মাণে শুধু স্ক্র্যামজেট ইঞ্জিন যথেষ্ট নয়। আপনাকে এই স্পেসিফিক লাইট ওয়েট হিট শিল্ড নির্মাণ করতে হবে। যা প্রযুক্তিগত দিক থেকে অত্যন্ত জটিল একটি কাজ

Address

Kolkata

Telephone

+8801734587355

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when World Defense News posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category