World Defense News

World Defense News parikhit sarkar defense journalist

♥️🌍ভারতীয় নৌবাহিনী, স্টেলথ ফ্রিগেট INS তারাগিরি (Taragiri) কে ৩ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে কমিশন করতে চলেছে। ♦️এটি একটি গুরুত্ব...
22/03/2026

♥️🌍ভারতীয় নৌবাহিনী, স্টেলথ ফ্রিগেট INS তারাগিরি (Taragiri) কে ৩ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে কমিশন করতে চলেছে।

♦️এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক, কারণ এটি প্রজেক্ট-১৭এ (Project-17A)-এর অধীনে নির্মিত ৭টি মাল্টি-রোল স্টেলথ ফ্রিগেটের মধ্যে চতুর্থ জাহাজ।

♦️জাহাজের নাম:— INS তারাগিরি

♦️কমিশনিং তারিখ:— ৩ এপ্রিল ২০২৬

♦️ওজন:— প্রায় ৬,৬৭০ টন,

♦️ধরন:— অত্যাধুনিক স্টেলথ গাইডেড মিসাইল ফ্রিগেট (Nilgiri-Class),

♦️ নির্মাতা:— মাজাগাঁও ডক শিপবিল্ডার্স লিমিটেড (MDL), মুম্বাই (এবং GRSE-ও এই প্রজেক্টে অংশ নিয়েছে),

♦️প্রজেক্টের মোট খরচ:— প্রায় ৪৫,০০০ কোটি রুপি (সমস্ত ৭টি জাহাজের জন্য),

♦️ ইন্ডিজেনাস কনটেন্ট:— ৭৫% এরও বেশি স্বদেশী প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, যা 'আত্মনির্ভর ভারত' এবং 'মেক ইন ইন্ডিয়া'-র একটি বড় উদাহরণ।

♦️ অত্যাধুনিক স্টেলথ ডিজাইন (রাডারে কম ধরা পড়ে),

♦️ সুপারসোনিক মিসাইল সিস্টেম (যেমন BrahMos) সহ শক্তিশালী অস্ত্র সজ্জা,

♦️ মাল্টি-রোল ক্ষমতা:— বিমান-বিরোধী, জাহাজ-বিরোধী, সাবমেরিন-বিরোধী যুদ্ধ এবং অন্যান্য মিশন, উন্নত অটোমেশন, সারভাইভেবিলিটি এবং যুদ্ধ-ক্ষমতা।

'আকাশ' (Akash) হলো ভারতের তৈরি একটি মাঝারি পাল্লার, মোবাইল বা ভ্রাম্যমাণ সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল (SAM) বা ভূমি থেকে আকাশে...
21/03/2026

'আকাশ' (Akash) হলো ভারতের তৈরি একটি মাঝারি পাল্লার, মোবাইল বা ভ্রাম্যমাণ সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল (SAM) বা ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এটি ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (DRDO) দ্বারা নকশা ও তৈরি করা হয়েছে।
​নিচে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো তুলে ধরা হলো:

​মূল বৈশিষ্ট্য ও ক্ষমতা:
​কার্যকারিতা: এটি শত্রু বিমান, ড্রোন, এবং ক্রুজ মিসাইল শনাক্ত করে ধ্বংস করতে সক্ষম। এর উন্নত সংস্করণ আকাশ-প্রাইম (Akash Prime) উচ্চতা ও ঠান্ডা আবহাওয়াতেও কার্যকর।
​পাল্লা (Range): এটি প্রায় ২৭ থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরত্বের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে [২, ৩, ৮]। কিছু তথ্যানুযায়ী, এর সর্বোচ্চ পাল্লা ৪৫ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে।
​উচ্চতা: এটি ১৮ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত উড়তে সক্ষম।
​নিশানা: আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রতিটি ব্যাটারিতে একটি 'রাজেন্দ্র' রাডার (Rajendra 3D Radar) এবং তিনটি ক্ষেপণাস্ত্রসহ চারটি লঞ্চার থাকে। এটি একসঙ্গে ৬৪টি লক্ষ্যবস্তু ট্র্যাক করতে পারে এবং একই সময়ে ১২টি লক্ষ্যবস্তুতে আক্রমণ চালাতে সক্ষম ।
​গতি: এটি সুপারসনিক গতিতে (প্রায় ম্যাক ২.৫) ছুটতে পারে।
​সিস্টেমের গঠন:
​একটি সম্পূর্ণ আকাশ ব্যাটারি বিভিন্ন উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত, যার মধ্যে রয়েছে:
১. ফায়ারিং লেভেল রাডার: লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত ও ট্র্যাক করার জন্য।
২. ফায়ারিং কন্ট্রোল সেন্টার: আক্রমণের নির্দেশনা ও সমন্বয় করার জন্য।
৩. লঞ্চার: তিনটি ক্ষেপণাস্ত্রসহ মোবাইল লঞ্চার।
​এটি ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং ভারতীয় বিমান বাহিনীতে ব্যবহৃত হচ্ছে । এছাড়া, আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা রফতানির অনুমোদনের মাধ্যমে ভারত আন্তর্জাতিক বাজারেও এটি পৌঁছানোর লক্ষ্য রাখে ।
আকাশ (Akash) ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার রপ্তানি (Export) সংক্রান্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
১. প্রথম আন্তর্জাতিক ক্রেতা: আর্মেনিয়া
২০২২ সালে ভারত ও আর্মেনিয়ার মধ্যে আকাশ মিসাইল সিস্টেম সরবরাহের জন্য একটি বড় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। প্রায় ৬,০০০ কোটি টাকার এই চুক্তির আওতায় ভারত ইতিমধ্যে আর্মেনিয়াকে এই অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহ শুরু করেছে।
২. আকাশ-এনজি (Akash-NG) এর চাহিদা
আকাশের নতুন সংস্করণ Akash-NG (Next Generation)-এর প্রতি অনেক দেশ আগ্রহ দেখিয়েছে। এর পাল্লা বেশি (প্রায় ৭০-৮০ কিমি) এবং এটি আরও দ্রুত লক্ষ্যবস্তু ভেদ করতে সক্ষম।
৩. আগ্রহী অন্যান্য দেশসমূহ
ভারত সরকার আকাশ মিসাইল রপ্তানির জন্য বেশ কিছু বন্ধুপ্রতীম দেশের সাথে আলোচনা করছে। সম্ভাব্য দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে:
* ভিয়েতনাম ও ফিলিপাইন: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশগুলো তাদের আকাশসীমা সুরক্ষায় ভারতের এই প্রযুক্তিতে আগ্রহ দেখিয়েছে।
* মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার দেশ: ব্রাজিল, মিশর এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতও এই সিস্টেমটি নিয়ে প্রাথমিক আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
৪. রপ্তানি অনুমোদনের গুরুত্ব
২০২০ সালে ভারত সরকার আকাশ মিসাইল সিস্টেম রপ্তানির আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেয়। এটি ভারতের "মেইক ইন ইন্ডিয়া" এবং প্রতিরক্ষা রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়। কারণ, এটি ভারতের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি অন্যতম সফল এবং নির্ভরযোগ্য সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল (SAM) সিস্টেম।

ভারতীয় নৌবাহিনীর তৃতীয় নিউক্লিয়ার সাবমেরিন INS Aridhaman (S4) – ফাইনাল ট্রায়াল শেষ, এপ্রিল-মে ২০২৬-এ কমিশনিং!নয়াদিল...
16/03/2026

ভারতীয় নৌবাহিনীর তৃতীয় নিউক্লিয়ার সাবমেরিন INS Aridhaman (S4) – ফাইনাল ট্রায়াল শেষ, এপ্রিল-মে ২০২৬-এ কমিশনিং!

নয়াদিল্লি, ১৫ মার্চ ২০২৬: ভারতের সমুদ্রভিত্তিক নিউক্লিয়ার ডিটারেন্সে বড় ধাপ! নৌবাহিনীর তৃতীয় নিউক্লিয়ার-চালিত ব্যালিস্টিক মিসাইল সাবমেরিন (SSBN) INS Aridhaman (কোডনেম S4) এখন ফাইনাল ট্রায়ালে রয়েছে। নৌসূত্র অনুযায়ী, সব প্রাথমিক ও গভীর সমুদ্র ট্রায়াল (deep-sea trials) সম্পূর্ণ হয়েছে। এপ্রিল-মে ২০২৬-এর মধ্যে এটাকে আনুষ্ঠানিকভাবে কমিশন করা হবে।

INS Aridhaman হল Arihant-ক্লাসের তৃতীয় SSBN। এর আগে INS Arihant (২০১৬) এবং INS Arighaat (২০২৪) কমিশন হয়েছে। এই সাবমেরিনটি ভারতের "No First Use" নিউক্লিয়ার পলিসির জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ – কারণ এটা দ্বিতীয় ধাক্কা (second-strike capability) দেয়, অর্থাৎ প্রথম আক্রমণের পরও প্রতিশোধ নেওয়ার ক্ষমতা।

বিশেষত্ব INS Aridhaman-এর:

* ওজন: প্রায় ৭,০০০ টন (পূর্বের দুটির চেয়ে বড়, যা ৬,০০০ টন)
* ডিজাইন: "Arihant Stretch" – হাল ১০ মিটার লম্বা করে মিসাইল টিউব বাড়ানো হয়েছে
* মিসাইল: ৮টি VLS টিউব – ২৪টি K-15 Sagarika (৭৫০ কিমি রেঞ্জ) বা ৮টি K-4 (৩,৫০০ কিমি রেঞ্জ) SLBM বহন করতে পারে। এতে এশিয়ার বেশিরভাগ অংশ কভার হয়
* রিঅ্যাক্টর: ৮৩ MW নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর – দীর্ঘদিন সমুদ্রে থাকতে পারে, স্টিলথ ও স্লো মুভিং
* নির্মাণ: L&T-এর সহযোগিতায় Ship Building Centre (SBC), Visakhapatnam-এ তৈরি। লেড ডাউন ২০১৮, লঞ্চ ২০২১ নভেম্বর

এই সাবমেরিন কমিশন হলে ভারতের Strategic Forces Command (SFC)-এর অধীনে তিনটি অপারেশনাল SSBN থাকবে – যা ক্রমাগত সমুদ্রে নিউক্লিয়ার ডিটারেন্স নিশ্চিত করবে। চতুর্থ SSBN (S4* বা INS Arisudan) এখন সি ট্রায়ালে, ২০২৭-এ কমিশন হতে পারে। পরের S5 ক্লাস আরও বড় (১৪,০০০ টন) হবে।

আইএনএস আরিহান্ত (INS Arihant) হলো ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। এটি ভারতের প্রথম নিজস্ব ...
13/03/2026

আইএনএস আরিহান্ত (INS Arihant) হলো ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। এটি ভারতের প্রথম নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি পরমাণু শক্তিচালিত ব্যালিস্টিক মিসাইল সাবমেরিন (SSBN)।
​এখানে আইএনএস আরিহান্ত সম্পর্কে কিছু মূল তথ্য দেওয়া হলো:
​১. গুরুত্ব ও পরিচিতি
​নামের অর্থ: 'আরিহান্ত' একটি সংস্কৃত শব্দ, যার অর্থ "শত্রু বিনাশকারী"।
​নিউক্লিয়ার ট্রায়াড: এটি সফলভাবে চালু হওয়ার মাধ্যমে ভারত 'নিউক্লিয়ার ট্রায়াড' (জল, স্থল ও আকাশ—তিন পথেই পরমাণু আক্রমণে সক্ষমতা) পূর্ণ করেছে।
​২. মূল বৈশিষ্ট্য
​শক্তি উৎস: এটি একটি ৮৩ মেগাওয়াট ক্ষমতার প্রেসারাইজড লাইট ওয়াটার রিঅ্যাক্টর দ্বারা চালিত। যেহেতু এটি পরমাণু শক্তিচালিত, তাই এটি সাধারণ ডিজেল সাবমেরিনের মতো ঘনঘন উপরে না উঠে মাসের পর মাস পানির নিচে থাকতে পারে।
​অস্ত্রশস্ত্র: এটি K-15 (সাগরিকা) মিসাইল (৭৫০ কিমি পাল্লা) এবং K-4 মিসাইল (৩,৫০০ কিমি পাল্লা) বহন করতে সক্ষম।
​৩. নির্মাণ ও ইতিহাস
​প্রজেক্ট: এটি 'অ্যাডভান্সড টেকনোলজি ভেসেল' (ATV) প্রকল্পের অধীনে তৈরি করা হয়েছে।
​উদ্বোধন: ২০০৯ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এটি উদ্বোধন করেন।
​কমিশন: ২০১৬ সালে এটি ভারতীয় নৌবাহিনীতে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হয়।
​বর্তমানে ভারতের কাছে এই শ্রেণির দুটি সাবমেরিন সক্রিয় রয়েছে: আইএনএস আরিহান্ত এবং এর উন্নত সংস্করণ আইএনএস আরিঘাত। এটি মূলত ভারতের "নো ফার্স্ট ইউজ" (আগে পরমাণু হামলা না করা) নীতির অংশ হিসেবে কাজ করে, যা শত্রুপক্ষের হামলার পর পাল্টা জবাব দেওয়ার নিশ্চয়তা দেয়।

ভারতের তৈরি 'ঘাতক' (Ghatak) হলো একটি অত্যন্ত উন্নত প্রযুক্তির স্টেলথ মানববিহীন যুদ্ধ বিমান বা UCAV (Unmanned Combat Aeri...
12/03/2026

ভারতের তৈরি 'ঘাতক' (Ghatak) হলো একটি অত্যন্ত উন্নত প্রযুক্তির স্টেলথ মানববিহীন যুদ্ধ বিমান বা UCAV (Unmanned Combat Aerial Vehicle)। এটি ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (DRDO) এবং এরোনটিক্যাল ডেভেলপমেন্ট এস্টাবলিশমেন্ট (ADE) যৌথভাবে তৈরি করছে।
ঘাতক ড্রোন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
১. মূল বৈশিষ্ট্য ও প্রযুক্তি
* স্টেলথ ডিজাইন: ঘাতক ড্রোনটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যা শত্রুর রাডারে সহজে ধরা পড়বে না। এর 'ফ্লাইং-উইং' (Flying-wing) ডিজাইন ড্রোনটিকে আকাশে প্রায় অদৃশ্য রাখতে সাহায্য করে।
* ইঞ্জিন: এতে ডিআরডিও-র নিজস্ব কাভেরি (Kaveri) ইঞ্জিনের একটি নন-আফটারবার্নিং সংস্করণ ব্যবহার করা হতে পারে, যা ড্রোনটিকে শক্তিশালী থ্রাস্ট প্রদান করবে।
* অস্ত্রভাণ্ডার: এটি স্টেলথ বজায় রাখার জন্য এর ভেতরের ইন্টারনাল উইপন বে (Internal Weapons Bay)-তে বিভিন্ন ধরনের মিসাইল, লেজার-গাইডেড বোমা এবং প্রিসিশন উইপন বহন করতে সক্ষম।
২. সক্ষমতা
* স্বায়ত্তশাসন: এটি সম্পূর্ণ স্বায়ত্তশাসিত (Autonomous) অর্থাৎ কোনো পাইলট ছাড়াই এটি উড্ডয়ন, লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত এবং অবতরণ করতে পারবে।
* গভীর হামলা: শত্রুর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করে দেশের ভেতরে ঢুকে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর সক্ষমতা এটি ভারতের আকাশপথের শক্তি বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে।
৩. বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
* SWiFT (টেকনোলজি ডেমোনস্ট্রেটর): ঘাতক ড্রোনের একটি ছোট সংস্করণ হলো SWiFT (Stealth Wing Flying Testbed)। ২০২২ সালের জুলাই মাসে এর সফল প্রথম উড্ডয়ন সম্পন্ন হয়েছে।
* পূর্ণাঙ্গ প্রোটোটাইপ: ২০২৫-২৬ সালের মধ্যে এর পূর্ণাঙ্গ প্রোটোটাইপের পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে।
* প্রতিরক্ষা সংগ্রহ: সাম্প্রতিক ২০২৬ সালের মার্চ মাসের রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারত সরকার প্রায় ৬০টি ঘাতক ড্রোন সংগ্রহের প্রক্রিয়া শুরু করার সবুজ সংকেত দিয়েছে।
৪. কেন এটি ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ?
ঘাতক ড্রোনটি ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য একটি গেম-চেঞ্জার। এটি অনেকটা আমেরিকার B-2 স্টিলথ বোম্বার বা রাশিয়ার ওখোটনিক ড্রোনের সমপর্যায়ের প্রযুক্তিতে তৈরি করা হচ্ছে। পাইলটের ঝুঁকি ছাড়াই অত্যন্ত বিপজ্জনক মিশন সম্পন্ন করতে এটি বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

India has strengthened its undersea warfare capability with the Defence Research and Development Organisation’s new man‑...
16/11/2025

India has strengthened its undersea warfare capability with the Defence Research and Development Organisation’s new man‑portable autonomous underwater vehicle (MP‑AUV) program.

Developed by the Naval Science and Technological Laboratory (NSTL) in Visakhapatnam, the system represents a major advancement in automated mine countermeasure operations.

Traditional mine countermeasure missions rely heavily on large, crewed vessels and complex manual systems.

The DRDO’s MP‑AUV initiative marks a decisive departure from that model. Each compact unit is designed for easy deployment by small naval teams, allowing operations even from smaller craft or remote locations without extensive logistical support.

At the heart of the platform lies an integrated triad of technologies: advanced sonar sensors, deep‑learning‑based onboard intelligence, and a resilient acoustic communication system. This combination enables each unit to identify, analyse and classify underwater threats without operator intervention.

Every AUV is fitted with Side Scan Sonar modules and underwater electro‑optical cameras as its primary payloads. These sensors create detailed seabed maps, providing high‑resolution imagery and acoustic signatures of sub‑surface anomalies.

Once potential mine‑like objects are detected, the onboard deep‑learning algorithm compares their shape and reflectivity patterns against a trained dataset, automatically categorising the threat type. This accelerates decision‑making and sharply reduces task load on human operators, thereby cutting overall mission duration and exposure risk.

The innovation extends beyond individual vehicle autonomy. DRDO’s engineers have embedded an acoustic communication network that allows multiple AUVs to exchange situational data during missions.

This capability enables coordinated navigation, target confirmation and area coverage among AUV groups—functioning as a decentralised swarm. Such collaboration enhances mapping precision, increases detection reliability, and allows faster coverage of large operational zones.

According to the Ministry of Defence, the MP‑AUVs recently underwent comprehensive field evaluation at NSTL’s harbour facilities in Visakhapatnam. The trials validated key mission parameters, including endurance, classification accuracy, and underwater communication performance.

DRDO officials confirmed that the project is now transitioning to the production stage. Several private‑sector partners have already been onboarded through DRDO’s technology transfer and manufacturing ecosystem, ensuring rapid scaling over the coming months.

DRDO Chairman Dr Samir V Kamat described the MP‑AUV initiative as a milestone in the evolution of India’s undersea combat and surveillance systems. The platform, he stated, embodies the principles of intelligent, low‑risk and networked operations, essential for modern naval warfare environments.

By significantly reducing operational hazards and resource demands, these AI‑enabled AUVs promise to enhance the Indian Navy’s readiness for mine detection, harbour defence and seabed survey missions.

This success coincides with the broader expansion of DRDO’s industrial and research network, now valued at over ₹80,000 crore across 12 states through direct assets and Infrastructure Investment Trust (InvIT) structures.

The growing participation of private firms underlines India’s sustained progress in developing indigenous underwater systems spanning sensors, batteries, control electronics and composite hulls.

Together, these advances position India among the few nations fielding AI‑driven, swarm‑capable autonomous vehicles tailored for mine warfare and littoral operation

05/08/2025
05/08/2025
India's New Nuclear Submarine Base in Andhra Pradesh to become Operational
12/04/2025

India's New Nuclear Submarine Base in Andhra Pradesh to become Operational

Address

Kolkata

Telephone

+8801734587355

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when World Defense News posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category