Genius Vocational Training Academy

Genius Vocational Training Academy Genius Vocational Training Academy
প্রযুক্তির সাথে,আগামীর পথে, আমরা আছি একসাথে
With technology, on the way to the future, we are together

08/05/2026

কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন বিষয়ে ২৫টি MCQ (উত্তরসহ)
১. Microsoft Word কোন ধরনের সফটওয়্যার?
A) Spreadsheet
B) Presentation
C) Word Processing
D) Database
উত্তর: C) Word Processing
২. Excel এ Formula শুরু হয় কোন চিহ্ন দিয়ে?
A) #
B) @
C) =
D) %
উত্তর: C) =
৩. PowerPoint মূলত কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A) হিসাবরক্ষণ
B) Presentation তৈরি
C) Database সংরক্ষণ
D) Programming
উত্তর: B) Presentation তৈরি
৪. MS Word এ নতুন Document খোলার Shortcut কী?
A) Ctrl + O
B) Ctrl + N
C) Ctrl + P
D) Ctrl + S
উত্তর: B) Ctrl + N
৫. Excel এ Cell এর মিলিত অংশকে কী বলে?
A) Column
B) Row
C) Range
D) Merge Cell
উত্তর: D) Merge Cell
৬. নিচের কোনটি Operating System?
A) MS Word
B) Windows
C) Excel
D) PowerPoint
উত্তর: B) Windows
৭. MS Excel এ SUM Function এর কাজ কী?
A) গুণ করা
B) ভাগ করা
C) যোগ করা
D) বিয়োগ করা
উত্তর: C) যোগ করা
৮. কোন Shortcut দিয়ে Copy করা হয়?
A) Ctrl + X
B) Ctrl + V
C) Ctrl + C
D) Ctrl + Z
উত্তর: C) Ctrl + C
৯. Email পাঠানোর জন্য কোনটি ব্যবহৃত হয়?
A) Browser
B) Printer
C) Email Client
D) Scanner
উত্তর: C) Email Client
১০. PowerPoint Slide Show চালু করার Shortcut কী?
A) F1
B) F5
C) F7
D) F9
উত্তর: B) F5
১১. MS Word এ বানান পরীক্ষা করার অপশন কোনটি?
A) Spell Check
B) Grammar View
C) Slide Check
D) Format Check
উত্তর: A) Spell Check
১২. Excel এ Column কে কোন অক্ষর দ্বারা চিহ্নিত করা হয়?
A) সংখ্যা
B) প্রতীক
C) বর্ণ
D) রঙ
উত্তর: C) বর্ণ
১৩. নিচের কোনটি Input Device?
A) Monitor
B) Printer
C) Keyboard
D) Speaker
উত্তর: C) Keyboard
১৪. Ctrl + S এর কাজ কী?
A) Save
B) Search
C) Select
D) Start
উত্তর: A) Save
১৫. PowerPoint এ Animation কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A) হিসাব করতে
B) Slide ডিজাইন করতে
C) Object কে গতিশীল করতে
D) Printing করতে
উত্তর: C) Object কে গতিশীল করতে
১৬. Excel এ কোনটি একটি বৈধ Formula?
A) SUM(A1:A5)
B) =SUM(A1:A5)
C) +SUM
D) A1+A5=
উত্তর: B) =SUM(A1:A5)
১৭. নিচের কোনটি Output Device?
A) Mouse
B) Scanner
C) Monitor
D) Keyboard
উত্তর: C) Monitor
১৮. MS Word এ Text Bold করার Shortcut কী?
A) Ctrl + I
B) Ctrl + B
C) Ctrl + U
D) Ctrl + L
উত্তর: B) Ctrl + B
১৯. Excel এ Row কোন সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করা হয়?
A) অক্ষর
B) সংখ্যা
C) প্রতীক
D) রঙ
উত্তর: B) সংখ্যা
২০. Database ব্যবস্থাপনার জন্য Microsoft এর কোন সফটওয়্যার ব্যবহৃত হয়?
A) Access
B) Word
C) Excel
D) Paint
উত্তর: A) Access
২১. নিচের কোনটি Web Browser?
A) MS Word
B) Google Chrome
C) Excel
D) PowerPoint
উত্তর: B) Google Chrome
২২. Ctrl + P এর কাজ কী?
A) Paste
B) Print
C) Page Setup
D) Paragraph
উত্তর: B) Print
২৩. Excel এ গড় নির্ণয়ের Function কোনটি?
A) SUM
B) MAX
C) AVERAGE
D) MIN
উত্তর: C) AVERAGE
২৪. নিচের কোনটি Presentation Software?
A) MS Access
B) MS Excel
C) MS PowerPoint
D) MS Paint
উত্তর: C) MS PowerPoint
২৫. কম্পিউটারে তথ্য সংরক্ষণের স্থায়ী মাধ্যম কোনটি?
A) RAM
B) Cache Memory
C) Hard Disk
D) Register
উত্তর: C) Hard Disk

Engr. Firoz Ahmad Fahim

28/10/2025

বন্টননামা বা বাটোয়ারা দলিল কীভাবে করবেন রেজিষ্ট্রেশন ও আনুষঙ্গিক খরচ কি ?

বাংলাদেশের বিভিন্ন আদালতে যত জমি সংক্রান্ত মামলা দায়ের হয় এর মধ্যে বন্টনজনিত মামলাই (Partition Suit) অধিকাংশ। তাই সবারই ওয়ারিশান সম্পত্তি ভাগ বাটোয়ারার সময় একটি বাটোয়ারা দলিল করে নেওয়া উচিত।

বন্টন বাটোয়ারা দলিল কি কি কাজে লাগে-
১. অংশীদারগণের মধ্যে ওয়ারিশান সম্পত্তি বন্টনের লিখিত প্রমান হিসাবে বাটোয়ারা দলিল কাজে লাগে। এতে ভবিষ্যতে যে কোন অংশীদার এই দলিল অনুযায়ী নিজেদের মধ্যে সম্পত্তি ভাগ বাটোয়ারা করতে বাধ্য থাকে।
২. ওয়ারিশি সম্পত্তির নামজারি করতে বন্টন দলিলের প্রয়োজন হয়।
৩. ওয়ারিশি জমি বিক্রি করতে গেলে বন্টন দলিলের প্রয়োজন হয়।
৪. ভূমি জরিপকালীন সময়ে ওয়ারিশি সম্পত্তিতে রেকর্ড করাতে।
৫. ওয়ারিশি জমির মাধ্যমে ব্যাংক থেকে লোন করাতে গেলে।
৬. অংশীদারগণের মধ্যে ভবিষ্যতে মামলা মকদ্দমা হওয়া থেকে বাচা যায়।
এছাড়া আরো নানা কারনে আপনাদের বন্টন বা বাটোয়ারা দলিলের প্রয়োজন হতে পারে ।
তো চলুন এখন দেখি বন্টন দলিল করার জন্য কি কি লাগবেঃ
১. যে ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টন করা হবে উক্ত ব্যক্তির মৃত্যু সনদ লাগবে
২. মৃত ব্যক্তির ওয়ারিশগণের প্রমান হিসাবে ওয়ারিশ সনদ লাগবে
৩. মৃত ব্যক্তির যে সম্পত্তি বন্টন হবে উক্ত সম্পত্তির দলিল লাগবে
৪. মৃত ব্যক্তির যে সকল ওয়ারিশ সম্পত্তির মালিক হবে স সকল ওয়ারিশের সম্মতি থাকতে হবে
তো চলুন এখন দেখি বাটোয়ারা দলিল করার প্রক্রিয়াগুলোঃ
১. একটি বন্টন দলিল করার সকল প্রয়োজনীয় উপাদানগুলো থাকলে প্রথমে আপনারা একজন দক্ষ দলিল লেখক বা একজন বিজ্ঞ আইনজীবীর কাছে যাবেন।
২. সেখানে গিয়ে মৃত ব্যক্তির পূর্বের দলিলগুলো তাকে প্রদান করবেন এবং একটি বন্টন দলিল লিখার জন্য বলবেন।
৩. দলিল লেখক/আইনজীবী প্রথমে মৃত ব্যক্তির পূর্বের দলিলগুলো দেখে এবং সমন্বয় করে একটি নতুন বন্টন দলিল লিখবেন।
৪. এবার উক্ত দলিলটি নিয়ে ওয়ারিশগণ সংশ্লিষ্ট সাবরেজিস্ট্রি অফিসে যাবেন সেখানে গিয়ে বাটোয়ারা দলিলের জন্য নির্ধারিত ফি জমা দিতে হবে
৫. এবার দলিলের সকল অংশীদারগণ সাবরেজিস্ট্রারের সম্মুখে রেজিস্ট্রি ভলিউমে স্বাক্ষর করবেন।
৬. এর পরে সাবরেজিস্ট্রার উক্ত দলিলটি রেজিস্ট্রি করে নিবেন।
আপনারা চাইলে উক্ত বাটোয়ারা দলিলের একটি অবিকল নকল দলিল তখন নিয়ে নিতে পারেন
তো এইভাবেই খুব সহজেই সম্পাদিত হবে একটি আপোষমূলে বাটোয়ারা দলিল।
বন্টননামা (Partition) বা বাটোয়ারা দলিলের রেজিস্ট্রি খরচসহ অন্যান্য তথ্য
***************************
রেজিস্ট্রেশন ফিসঃ
(ক) বন্টনকৃত সম্পত্তির দলিলে লিখিত (বৃহত্তম এক পক্ষের অংশের মূল্য বাদ দিয়ে) মোট মূল্য অনুর্ধ ৩ লক্ষ টাকা হলে ৫০০ টাকা (রেজিস্ট্রেশন আইন-১৯০৮, এর ধারা ৭৮বি (১) অনুসারে)।
(খ) বন্টনকৃত সম্পত্তির দলিলে লিখিত (বৃহত্তম এক পক্ষের অংশের মূল্য বাদ দিয়ে) মোট মূল্য অনুর্ধ ১০ লক্ষ টাকা হলে ৭০০ টাকা (রেজিস্ট্রেশন আইন-১৯০৮, এর ধারা ৭৮বি (২) অনুসারে)।
(গ) বন্টনকৃত সম্পত্তির দলিলে লিখিত (বৃহত্তম এক পক্ষের অংশের মূল্য বাদ দিয়ে) মোট মূল্য অনুর্ধ ৩০ লক্ষ টাকা হলে ১২০০ টাকা (রেজিস্ট্রেশন আইন-১৯০৮, এর ধারা ৭৮বি (৩) অনুসারে)।
(ঘ) বন্টনকৃত সম্পত্তির দলিলে লিখিত (বৃহত্তম এক পক্ষের অংশের মূল্য বাদ দিয়ে) মোট মূল্য অনুর্ধ ৫০ লক্ষ টাকা হলে ১৮০০ টাকা (রেজিস্ট্রেশন আইন-১৯০৮, এর ধারা ৭৮বি (৪) অনুসারে)।
(ঙ) বন্টনকৃত সম্পত্তির দলিলে লিখিত (বৃহত্তম এক পক্ষের অংশের মূল্য বাদ দিয়ে) মোট মূল্য ৫০ লক্ষ টাকার উর্ধে হলে ২০০০ টাকা (রেজিস্ট্রেশন আইন-১৯০৮, এর ধারা ৭৮বি (৫) অনুসারে)।
রেজিস্ট্রেশন ফি পে-অর্ডারের মাধ্যমে স্থানীয় সোনালী ব্যাংক লিঃ এ, কোড নং ১৪২২২০১ তে জমা করতে হবে (পুরাতন কোড ১৮২৬)।
স্টাম্প শূল্কঃ ৫০ টাকা (১৮৯৯ সালের স্টাম্প আইনের ১ নম্বর তফশিলের ৪৫ নম্বর ক্রমিকে উল্লিখিত বর্ণনা অনুসারে)।
এছাড়া
১। ২০০ টাকার স্টাম্পে হলফনামা।
২। ই- ফিঃ- ১০০ টাকা।
৩। এন- ফিঃ-
(!) বাংলায় প্রতি ৩০০ (তিন শত) শব্দ বিশিষ্ট এক পৃষ্ঠা বা উহার অংশ বিশেষের জন্য ১৬ টাকা।
(!!) ইংরেজি ভাষায় প্রতি ৩০০ (তিন শত) শব্দ বিশিষ্ট এক পৃষ্ঠা বা উহার অংশ বিশেষের জন্য ২৪ টাকা।
৪। (নকলনবিশগনের পারিশ্রমিক) এনএন ফিসঃ-
(!) বাংলায় প্রতি ৩০০ (তিনশত) শব্দ বিশিষ্ট এক পৃষ্ঠা বা উহার অংশ বিশেষের জন্য ২৪ টাকা।
(!!) ইংরেজি ভাষায় প্রতি ৩০০ (তিনশত) শব্দ বিশিষ্ট এক পৃষ্ঠা বা উহার অংশ বিশেষের জন্য ৩৬ টাকা।
৫। সম্পত্তি হস্তান্তর নোটিশের আবেদনপত্রে ১০ টাকা মূল্যের কোর্ট ফি।
মন্তব্যঃ-
১। এন- ফি ও ই- ফি, রেজিস্ট্রেশন ফি এর সাথে একত্রে পে-অর্ডারের মাধ্যমে কোড নং ১৪২২২০১ তে জমা করতে হবে (পুরাতন কোড ১৮২৬)।
২। এনএন- ফি নগদে রেজিস্ট্রি অফিসে জমা করতে হবে।
৩। সরকার নির্ধারিত হলফনামা, ২০০ টাকার স্টাম্পে প্রিন্ট করে মূল দলিলের সাথে সংযুক্ত করতে হবে।
বিঃদ্রঃ ১। ওয়ারিশী স্হাবর সম্পত্তি ব্যতিত অন্যভাবে অর্জিত স্হাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত বন্টন নামা দলিলের ক্ষেত্রে উৎস কর প্রযোজ্য।
২। রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের ১৪৩ বি, ধারা মোতাবেক কোন রেকর্ডীয় মালিক মৃত্যুবরণ করলে তাঁর জীবিত ওয়ারিশগণ নিজেদের মধ্যে একটি বন্টননামা দলিল সম্পাদন করে রেজিস্ট্রি করবেন।
শেয়ার করে পাশে রাকবেন।

৫ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের জন্য  জ্যামিতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ..... #বৃত্ত1️⃣ কেন্দ্র (Center):যে নির্দিষ্ট বিন্দুকে কেন্দ্র ...
14/10/2025

৫ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের জন্য জ্যামিতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ.....

#বৃত্ত
1️⃣ কেন্দ্র (Center):

যে নির্দিষ্ট বিন্দুকে কেন্দ্র করে একটি বৃত্ত অঙ্কিত হয়, তাকে বৃত্তের কেন্দ্র বলে।

2️⃣ ব্যাসার্ধ (Radius):

কেন্দ্র থেকে বৃত্তের পরিধির উপর যেকোনো বিন্দু পর্যন্ত যোগ করা রেখাখণ্ডকে ব্যাসার্ধ বলে।

3️⃣ ব্যাস (Diameter):

কেন্দ্র দিয়ে অতিক্রম করে বৃত্তের পরিধির দুইটি বিন্দুকে যুক্ত করা রেখাখণ্ডকে ব্যাস বলে।

👉 ব্যাস = ২ × ব্যাসার্ধ

4️⃣ পরিধি (Circumference):

বৃত্তের চারপাশের বাঁকা রেখাকে পরিধি বলে।

5️⃣ জ্যা (Chord):

বৃত্তের পরিধির দুইটি বিন্দুকে যুক্ত করা রেখাখণ্ডকে জ্যা বলে।

6️⃣ খণ্ড (arc):

বৃত্তের পরিধির কোনো অংশকে খণ্ড বলে।

7️⃣ খণ্ডিতাংশ (Segment):

বৃত্তের একটি জ্যা ও তার উপরিতলীয় খণ্ড দ্বারা সীমাবদ্ধ অংশকে খণ্ডিতাংশ বলে।

8️⃣ খণ্ডাংশ (Sector):

দুটি ব্যাসার্ধ ও তাদের মধ্যবর্তী খণ্ড দ্বারা সীমাবদ্ধ অংশকে খণ্ডাংশ বলে।

9️⃣ স্পর্শক (Tangent):

যে সরলরেখা বৃত্তকে এক বিন্দুতে স্পর্শ করে কিন্তু ছেদ করে না, তাকে স্পর্শক বলে।

10️⃣ ছেদক (Secant):

যে সরলরেখা বৃত্তকে দুইটি বিন্দুতে ছেদ করে, তাকে ছেদক বলে।

06/10/2025

👉যে ১০টি কারণে নামজারি বাতিল হচ্ছে! ভূমি মালিকদের জরুরি করণীয়।

১০টি সাধারণ ভুল বা ত্রুটির কারণে নামজারি আবেদন বাতিল হয়ে যাচ্ছে, যা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ভূমি ক্রেতাদের অসচেতনতার ফল। নিচে এসব কারণ এবং প্রতিকার নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো:

১. দাগ নম্বরে ভুল

দাগ নম্বর জমির পরিচয় প্রকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেকেই দলিলে ভুল দাগ নম্বর লিখিয়ে থাকেন, যা রেকর্ডে থাকা দাগ নম্বরের সঙ্গে মিলে না। ফলে দলিলে যেটি লেখা হয়েছে, সেটি হয়তো অন্য কারো জমির দাগ, ফলে নামজারি হয় না বা ভুল দাগে নামজারি হয়।

করণীয়: দলিল করার আগে খতিয়ান দেখে নিশ্চিত করুন সঠিক দাগ নম্বর ব্যবহার হয়েছে কি না। ভুল থাকলে ভ্রান্তি সংশোধনী করে নিন।

২. চৌহত্তিতে ভুল

চৌহত্তি বা বিবরণ অংশে ভুল থাকলে নামজারি বাতিল হয়। মালিকানা বিবরণ, দাগ, মৌজা, সাবেক মালিকের নাম ইত্যাদি অসংলগ্ন বা অসম্পূর্ণ থাকলে তা নামজারিতে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

করণীয়: দলিল লেখার সময় অভিজ্ঞ আইনজীবী বা দলিল লেখক দ্বারা দলিল তৈরি করুন এবং প্রতিটি তথ্য ভালোভাবে যাচাই করুন।

৩. ভোটার আইডি ও দলিলের নামের অমিল

দলিলে ক্রেতার নাম যেমন লেখা হয়েছে, ভোটার আইডিতেও ঠিক তেমনই লেখা থাকতে হবে। বানান, পিতার নাম বা নামের স্টাইল ভিন্ন হলে আবেদন বাতিল হতে পারে।

করণীয়: দলিল এবং ভোটার আইডি মিলিয়ে দেখুন। প্রয়োজনে সংশোধন করে তারপর আবেদন করুন।

৪. মালিকানা ধারাবাহিকতায় ভুল

সিএস, এসএ, আরএস রেকর্ড অনুসারে মালিকানা ইতিহাস সঠিকভাবে দলিলে উল্লেখ না থাকলে নামজারি হয় না। ২৫ বছরের ধারাবাহিক ইতিহাস থাকা আবশ্যক।

করণীয়: সাবেক মালিকের মালিকানা সঠিক কি না তা খতিয়ান থেকে যাচাই করে নিন এবং দলিলে যথাযথভাবে উল্লেখ করুন।

৫. খতিয়ান নম্বরে অমিল

দলিল ও সর্বশেষ রেকর্ডের খতিয়ান নম্বর যদি না মেলে, তাহলে তা নামজারির জন্য গ্রহণযোগ্য নয়।

করণীয়: খতিয়ানে যে নম্বর দেওয়া আছে, তা-ই দলিলে লিখুন। অমিল থাকলে আগে সংশোধন করে আবেদন দিন।

৬. জমিটি আগেই অন্য কারো নামে নামজারি হয়ে যাওয়া

একই জমি একাধিকবার বিক্রি হওয়া বা মালিকের সীমাবদ্ধ অংশের চেয়ে বেশি বিক্রি করায় পরে ক্রয়কৃত ব্যক্তির আবেদন বাতিল হয়।

করণীয়: জমি ক্রয়ের আগে দাগভিত্তিক নামজারি রেকর্ড দেখে নিন, জমির অবস্থান বুঝে ক্রয় করুন।

৭. অর্পিত সম্পত্তি থাকা

অনেকে অর্পিত (সরকারি নিয়ন্ত্রিত) সম্পত্তি ব্যক্তিগত মালিকানায় ভেবে বিক্রি করে থাকেন। দাগে অর্পিত জমি থাকলে নামজারি বাতিল হয়।

করণীয়: ভূমি অফিস থেকে জেনে নিন জমিতে কোনো অর্পিত অংশ রয়েছে কি না। থাকলে সে জমি ক্রয় করা থেকে বিরত থাকুন।

৮. খাস জমি থাকা

ব্যক্তিগত জমির মাঝে সরকারিভাবে ঘোষিত খাস জমি থাকলে সেটির ওপর নামজারি সম্ভব নয়।

করণীয়: জমির সকল অংশের দাগ চেক করে নিশ্চিত হোন সেটি ব্যক্তিমালিকানাধীন কি না।

৯. জমির মধ্যে খাস জমি থাকা

খাস (নদী ভাঙন বা সরকার নির্ধারিত) জমি থাকলে বা সেটি ব্যক্তি মালিকানার বাইরে হলে নামজারি হবে না।

করণীয়: দলিলের আগে ভৌগোলিকভাবে জমির অবস্থা, দখল, ও প্রাকৃতিক অবস্থা দেখে নেওয়া জরুরি।

১০. অংশের চেয়ে বেশি জমি বিক্রি করা

অনেক সময় ওয়ারিশানদের কেউ কেউ নিজের অংশের চেয়ে বেশি জমি বিক্রি করে থাকেন। এতে ক্রেতা নামজারি করতে গিয়ে সমস্যায় পড়েন।

করণীয়: বন্টননামা বা ওয়ারিশান সনদ দেখে নিশ্চিত হোন বিক্রেতার বিক্রয় ক্ষমতা কতটুকু।

কী করবেন নামজারি রিজেক্ট হলে?

১. এসিল্যান্ড অফিসে গিয়ে সরাসরি জেনে নিন রিজেকশনের কারণ
২. প্রয়োজনীয় সংশোধন করে পুনরায় আবেদন করুন
৩. কারো কথায় টাকা দিয়ে দ্রুত নামজারি করিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করবেন না
৪. আইনি সহায়তা প্রয়োজন হলে উপজেলা ভূমি অফিস বা স্থানীয় আইনজীবীর পরামর্শ নিন

সতর্কতা:

নামজারি জমির মালিকানা স্বীকৃতির বৈধ প্রমাণ। একে অবহেলা করা মানে ভবিষ্যতে জমির ওপর অধিকার হারানোর ঝুঁকি নেওয়া। কাজেই ক্রয়ের আগেই দলিল, দাগ, খতিয়ান, মালিকানা ইতিহাস ভালোভাবে যাচাই করে নিন।

25/09/2025

বর্তমান যুগে প্রযুক্তি শিক্ষার বিকল্প কিছু নেই

01/09/2025

👉 জাল দলিল চেনার ৯ উপায়

জমি কেনা-বেচার ক্ষেত্রে সাবধান না হলে পরবর্তীতে দীর্ঘদিন ভুগতে হয়। এমন বহু মানুষ রয়েছেন, জমি কেনা-বেচার ক্ষেত্রে আসল দলিল চিনতে না পারায় ঝামেলায় পড়েন। এজন্য দলিল চেনা খুবই জরুরি।

জাল দলিল চেনার উপায়:

১. ভলিউডেমর তথ্য:
সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিলের প্রকৃতি অনুযায়ী চারটি রেজিস্ট্রার বা ভলিউমে লেখা হয়ে থাকে। কোনো দলিল নিয়ে সন্দেহ হলে রেজিস্ট্রি অফিসে সংরক্ষণ করা দলিলের সাল মিলিয়ে দেখতে হবে। এজন্য নির্দিষ্টভাবে দরখাস্ত করতে হবে। এতে দলিলটির যাবতীয় তথ্য দিতে হবে।

২. স্বাক্ষর যাচাই:
অনেক সময় স্বাক্ষর জালিয়াতি করে দলিলদাতা বা গ্রহীতার সাজা হয়। এক্ষেত্রে স্বাক্ষর বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে স্বাক্ষরের সত্যতা যাচাই করিয়ে নেয়া যেতে পারে। এছাড়া ভূমি অফিস থেকে বিভিন্ন সিল পরীক্ষা করেও জালিয়াতি নির্ণয় করা যায়।
খেয়াল রাখতে হবে, অনেক আগের দলিলে আগের চিহ্নিত কিছু সিল ব্যবহারই থাকে। আগের দলিল কিন্তু সিল যদি নতুন হয়, তাহলে ধরে নিতে হবে, দলিলটি জাল হতে পারে। একই সঙ্গে তারিখটিও ভালোভাবে যাচাই করতে হবে। দলিল রেজিস্ট্রির তারিখ কোনো সরকারি বন্ধের দিন থাকলে সন্দেহের অবকাশ থাকবে। অনেক সময় অর্পিত সম্পত্তি বা মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি জীবিত দেখিয়ে জাল করা হয়।

৩. মূল মালিক শনাক্ত:
এক জমির একাধিক মালিকের নামে করা থাকলে ধরে নিতে হবে দলিলটি জাল হতে পারে। এক্ষেত্রে সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে মূল মালিক কে, তা নির্ণয় করতে হবে।

৪. নামজারি:
সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিস থেকে জমির মিউটেশন বা নামজারি সম্পর্কে খোঁজ নিতে হবে। নামজারিতে ধারাবাহিকতা ঠিক আছে কি না, সেটা সুচারুভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। যদি দেখা যায়, সিএস জরিপের সঙ্গে বিক্রেতার খতিয়ানের কোনো গরমিল আছে, তাহলে বুঝতে হবে, কোনো জটিলতা আছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, জরিপ খতিয়ানে জমির পরিমাণ পরবর্তী সময়ে যতবার বিক্রি হয়েছে, তার সঙ্গে জমির পরিমাণ মিল আছে কি না, তা যাচাই করে দেখা। দাগ নম্বর, ঠিকানা এসব ঠিক আছে কি না, এসব যাচাই করতে হবে।

৫. আমমোক্তারনামা:
সম্প্রতি কোনো আমমোক্তারনামা দলিল থাকলে তাতে উভয় পক্ষের ছবি ব্যবহার হয়েছে কি না যাচাই করতে হবে।

৬. তারিখ যাচাই:
কোনো দান করা জমি হলে দলিলে সম্পাদনের তারিখ দেখে কবে জমিতে গ্রহীতা দখলে গেছে তা যাচাই করতে হবে। দলিলটি রেজিস্ট্রি করা কি না এবং দলিলদাতার সঙ্গে গ্রহীতার সম্পর্ক কী, তা যাচাই করতে হবে।

৭. লেখক যাচাই:
সম্প্রতি সম্পন্ন হওয়া কোনো বিক্রীত দলিলের দলিল লেখকের নাম ঠিকানা জেনে সরেজমিন কথা বলে নেয়া দরকার।

৮. মালিকানা যাচাই:
জমির স্বত্ব কী বা মালিকানা যাচাই করতে হবে। বিক্রেতার কাছ থেকে সব দলিল, বিশেষ করে ভায়া দলিল চেয়ে নিতে হবে। সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে জানতে হবে সব দলিলের ক্রমিক নম্বর, দলিল নম্বর ঠিক আছে কি না।

৯. সিল-স্ট্যাম্প যাচাই:
দলিল সম্পাদনের সময় ব্যবহৃত স্ট্যাম্পের পেছনে কোন ভেন্ডার থেকে স্ট্যাম্প কেনা হয়েছে এবং কার নামে কেনা হয়েছে খেয়াল রাখুন। প্রতিটি স্ট্যাম্পের পেছনে একটি ক্রমিক নম্বর উল্লেখ থাকে। এ নম্বরটি ঠিক আছে কি না, প্রয়োজনে স্ট্যাম্প বিক্রেতার সঙ্গে দেখা করে যাচাই করে নিন।

 # # # 🔌 **১. RCA (উচ্চারণ: আর-সি-এ)*** **কাজ:** অ্যানালগ অডিও ও ভিডিও সিগন্যাল পরিবহন।* **সাধারণ ব্যবহার:** DVD প্লেয়ার...
27/07/2025

# # # 🔌 **১. RCA (উচ্চারণ: আর-সি-এ)**

* **কাজ:** অ্যানালগ অডিও ও ভিডিও সিগন্যাল পরিবহন।
* **সাধারণ ব্যবহার:** DVD প্লেয়ার, টিভি, হোম থিয়েটার, অডিও মিক্সার।
* **চ্যানেল:** সাধারণত সিঙ্গেল চ্যানেল (মনো)। জোড়ায় ব্যবহার করলে স্টেরিও (লাল=ডান, সাদা/কালো=বাম)।
* **লক্ষণীয়:** সস্তা এবং সহজে পাওয়া যায়, কিন্তু প্রোফেশনাল ইউজের জন্য নয়।

---

# # # 🎤 **২. XLR**

* **কাজ:** ব্যালান্সড অডিও সিগন্যাল পরিবহন, বিশেষ করে মাইক্রোফোনের জন্য।
* **সাধারণ ব্যবহার:** লাইভ সাউন্ড, রেকর্ডিং স্টুডিও, প্রফেশনাল মিক্সার।
* **চ্যানেল:** ব্যালান্সড (হাম ও নয়েজ কমায়)।
* **লক্ষণীয়:** ৩-পিন (অডিও), ৫-পিন (লাইট/ডেটা) ইত্যাদি পাওয়া যায়।

---

# # # 🔊 **৩. Speakon**

* **কাজ:** হাই-পাওয়ার স্পিকার কানেকশন (বিশেষ করে সাবউফার/মেইন স্পিকার)।
* **সাধারণ ব্যবহার:** পিএ সিস্টেম, কনসার্ট সাউন্ড, হেভি অ্যাম্প থেকে স্পিকার।
* **সিগন্যাল:** হাই কারেন্ট/লো ভোল্টেজ অডিও সিগন্যাল।
* **লক্ষণীয়:** লকিং সিস্টেম থাকে, নিরাপদ ও টেকসই।

---

# # # 🎧 **৪. TS (Tip-Sleeve)**

* **কাজ:** আনব্যালান্সড অডিও সিগন্যাল পরিবহন।
* **সাধারণ ব্যবহার:** গিটার কেবল, সিঙ্গেল চ্যানেল ইনপুট/আউটপুট।
* **চ্যানেল:** মনো (১ চ্যানেল)।
* **লক্ষণীয়:** মাথায় ১টি কালো রিং থাকে (টিপ এবং স্লিভ)।

---

# # # 🎧 **৫. TRS (Tip-Ring-Sleeve)**

* **কাজ:** ব্যালান্সড অডিও বা স্টেরিও সিগন্যাল পরিবহন।
* **সাধারণ ব্যবহার:** হেডফোন, অডিও ইন্টারফেস, প্যাচ কেবল।
* **চ্যানেল:** স্টেরিও (বাম+ডান) বা ব্যালান্সড মনো।
* **লক্ষণীয়:** মাথায় ২টি কালো রিং থাকে।

---

# # # 🔁 **৬. MIDI (Musical Instrument Digital Interface)**

* **কাজ:** মিউজিক ডিভাইসগুলোর মধ্যে ডিজিটাল সিগন্যাল আদান-প্রদান (নোট, কন্ট্রোলার ডেটা)।
* **সাধারণ ব্যবহার:** কীবোর্ড, সিকোয়েন্সার, ড্রাম মেশিন, DAW কন্ট্রোল।
* **সিগন্যাল:** ডিজিটাল, কোনো অডিও নয়—শুধু কমান্ড।

---

# # # 💻 **৭. USB (Universal Serial Bus)**

* **কাজ:** ডেটা ট্রান্সফার, পাওয়ার সাপ্লাই, অডিও ইন্টারফেস কানেকশন।
* **সাধারণ ব্যবহার:** অডিও ইন্টারফেস, MIDI কন্ট্রোলার, DAW কম্পিউটার সংযোগ।
* **সিগন্যাল:** ডিজিটাল।

---

# # # 🔥 **৮. FireWire (IEEE 1394)**

* **কাজ:** হাই-স্পিড ডেটা ট্রান্সফার, বিশেষত অডিও/ভিডিও।
* **সাধারণ ব্যবহার:** পুরনো প্রোফেশনাল অডিও ইন্টারফেস, ক্যামেরা।
* **সিগন্যাল:** ডিজিটাল।
* **লক্ষণীয়:** এখন USB বা Thunderbolt বেশি জনপ্রিয়, FireWire ধীরে ধীরে বিলুপ্ত।

---

# # # 🎛 **৯. ADAT (Alesis Digital Audio Tape - Optical)**

* **কাজ:** মাল্টি-চ্যানেল ডিজিটাল অডিও ট্রান্সফার।
* **সাধারণ ব্যবহার:** রেকর্ডিং স্টুডিওতে ৮ চ্যানেল ডিজিটাল অডিও ট্রান্সফার করতে।
* **সিগন্যাল:** ডিজিটাল অডিও (লাইট ফাইবারের মাধ্যমে)।
* **লক্ষণীয়:** Toslink অপটিক্যাল ক্যাবলের মতো দেখতে।

---

# # ✅ সারাংশ টেবিল:

| কানেক্টর | ধরণ | ব্যবহারের জায়গা | সিগন্যাল টাইপ |
| -------- | -------- | ------------------ | ------------------ |
| RCA | অ্যানালগ | হোম অডিও/ভিডিও | আনব্যালান্সড |
| XLR | অ্যানালগ | স্টুডিও/লাইভ | ব্যালান্সড |
| Speakon | অ্যানালগ | স্পিকার সংযোগ | হাই-পাওয়ার |
| TS | অ্যানালগ | গিটার/মনো লাইন | আনব্যালান্সড |
| TRS | অ্যানালগ | হেডফোন/ইন্টারফেস | স্টেরিও/ব্যালান্সড |
| MIDI | ডিজিটাল | কীবোর্ড/DAW | মিউজিক ডেটা |
| USB | ডিজিটাল | সবখানে | ডেটা + পাওয়ার |
| FireWire | ডিজিটাল | পুরাতন ইন্টারফেস | হাই-স্পিড |
| ADAT | ডিজিটাল | মাল্টিচ্যানেল অডিও | অপটিক্যাল |

21/06/2025
1 টন AC মানে আসলে কী? অনেকে বলে, “আমার বাসায় 1 টন এসি আছে।” কিন্তু এই “1 টন” মানে কী?ধরেন আপনার সামনে ১,০০০ কেজি বরফ আছে...
16/06/2025

1 টন AC মানে আসলে কী?

অনেকে বলে, “আমার বাসায় 1 টন এসি আছে।” কিন্তু এই “1 টন” মানে কী?

ধরেন আপনার সামনে ১,০০০ কেজি বরফ আছে । ১ টন এসি মানে এমন একটা এসি, যা এক দিনে ১ টন(১০০০ KG) বরফ গলাতে যত তাপ দরকার, ঠিক সেই পরিমাণ তাপ রুম থেকে বের করে দিতে পারে।

★ ১ টন ইনভার্টার এসি দিনে ৮ ঘণ্টা চালালে এক মাসে খরচ কতো হয়?

ধরি এসিটা ঘণ্টায় ১ ইউনিট বিদ্যুৎ খায় (আসলেও একটু কম খেতে পারে)।
✅ দিনে ৮ ঘণ্টা × ১ ইউনিট = ৮ ইউনিট
✅ ৩০ দিনে = ৮ × ৩০ = ২৪০ ইউনিট

বাংলাদেশে বিদ্যুতের গড় দাম ধরি ৮ টাকা/ইউনিট।

📌 তাহলে মাসে খরচ = ২৪০ × ৮ = প্রায় ১,৯২০ টাকা

তাই, এক মাসে আনুমানিক ১,৯০০–২,০০০ টাকা খরচ হতে পারে ৮ ঘণ্টা করে চালালে।

★ ইনভার্টার আর নন-ইনভার্টার এসির মধ্যে পার্থক্য কী?

AC কে যদি একটি Car ইঞ্জিন মনে করি, তাহলে -

একটি নন-ইনভার্টার AC হলো, এমন একটি Car, যেটি শুধুমাত্র ফুলস্পিডে যেতে পারে অথবা থেমে থাকতে পারে। এটা চালু হলে, ফুল পাওয়ারে চলে, রুম ঠান্ডা হলে আবার বন্ধ হয়। পরে আবার চালু হয়। এভাবে প্রচুর বিদ্যুৎ খরচ হয়।

ইনভার্টার এসি একটা স্মার্ট Car এর মতো যেটা স্পিড কমাতে-বাড়াতে পারে। রুম গরম থাকলে, এটা দ্রুত কাজ করে আর রুম ঠান্ডা হয়ে গেলে ধীর গতিতে চলে - বারবার অন-অফ হওয়া ছাড়াই। তাই বিদ্যুৎ অনেক বিদ্যুৎ খরচ বাচায়।

Address

Sylhet
Sylhet

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Genius Vocational Training Academy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Genius Vocational Training Academy:

Share

Category