আমার মা

আমার মা তোমায় অনেক ভালবাসি মা

13/06/2016

যে মেয়েটার বিছানায় গড়াগড়ি করে কিংবা হাত পা ছুঁড়ে ঘুমানোর অভ্যাস এক সময় সেই মেয়ে এক কাত হয়ে সারা রাত পার করে দেয় কারণ সে জানে তার পাশে শুয়ে আছে ছোট্ট একটা বাবু, এখন কিছুতেই হাত-পা ছুঁড়ে দেওয়া চলবে না।
-
যে একটা সময় লাল পিঁপড়ার কামড় খেয়ে চেঁচিয়ে বাড়ি মাথায় তুলত, আজ তার ভেতরে বেড়ে উঠা ছোট্ট প্রাণটা সারাদিন হাত পা ছোড়াছোড়ি করে প্রতিটা লাথি কলিজায় গিয়ে আঘাত করে তবু মা দাঁতে ঠোট চেপে সব সহ্য করে, হয়ত দু ফোঁটা জলও গড়িয়ে পড়ে । সে জল যতটা কষ্টের তার থেকে অনেক বেশি আনন্দের কারণ সে অনুভব করে তার বাবুটা জীবন্ত প্রাণের স্পন্দন।
-
একদিন নাড়াচাড়া না করলে অজানা আশংকায় বুক কেঁপে উঠে "সবকিছু ঠিক আছে তো??"
একদিন হঠাৎ তীক্ষ্ণ যন্ত্রণা। জানান দেয় তার সন্তানের পৃথিবীতে আগমন এর সময় হয়েছে। বোধ হয় কলিজাটা কেউ টেনে ছিঁড়ে ফেলছে। বিশটি হাড় একসাথে ভেঙে দেওয়ার কষ্ট নারীজাতি সেদিনই অনুভব করতে পারে। এত কষ্টের পর সন্তান ভূমিষ্ঠ হলে মায়ের ক্লান্ত বিধ্বস্ত চেহারা খানি এদিক ওদিক খোঁজে ফেরে একজনকে মৃদু করে বলে "আমার বাবু কোথায় ?"
ছোট্ট একটা রক্ত মাখা শরীর তুলে দেওয়া হয় তার কোলে। টপটপ করে নোনা জল গড়িয়ে পড়ে সে দেহে।
-
তার বুকে মাথা রেখে মা বাবুটার হৃদস্পন্দন শোনে। আচ্ছা এটা কেন বলে না "তুই আমায় খুব ব্যথা দিয়েছিস। তোকে আমার লাগবে না।
"মা জানে তার এই ছোট্ট বাবুটা
ছাড়া তার একদম চলবে না । বাবুটা মায়ের বুকের উষ্ণতায় চুপটি শুয়ে থাকে মায়ের নির্ঘুম চোখ তাকে সারারাত পাহারা দেয় । ফিসফিস করে বাবুটাকে শোনায় "তুই ভাল
থাকলেই আমি ভাল থাকব।
-
"তুমি কি করে পার মা ?
তবুও কেন আমরা তোমার মর্যাদা দিতে পারি না..??
কেন শেষ বয়সে তোমার ঠিকানা হয় ওই বৃদ্ধাশ্রম!

08/05/2016

sorry মা
মিথ্যা বলার জন্য
sorry মা
অনেক রাতে বাড়ি ফেরার জন্য।
sorry মা
অযথা রাগারাগির জন্য।
sorry মা
মাঝে মাঝে অনেক রাত পর্যন্ত জাগিয়ে রাখার জন্য।
sorry মা
ধন্যবাদ না জানানোর জন্য।
sorry মা
sorry না বলার জন্য।
sorry মা
অযথাই যিদ করার জন্য।
sorry মা
শুধু শুধু দুশ্চিন্তা দেয়ার জন্য।
sorry মা
অনেক ভালোবাসি বলতে না পারার জন্য
sorry মা
sorry
sorry মা
sorryকিন্তু আমার প্রভু খোদ বলে যদি কিছু থাকে তা শুধু তুমি।Sorry মা

26/06/2015

বাঙালী মায়ের
কিছু ডায়লগ :::::↓↓↓
একটু মোবাইল টিপলে
মায়ের ডায়লগঃ.
"ঢুইকা যা ঢুইকা যা,
মোবাইলের ভিত্রে
ঢুইক্কা যা।" .
টিভি দেখলে মায়ের
ডায়লগঃ .
"সারাদিন টিভি,
চোখ দুইটা তো নষ্ট
কইরা ফালাবি।
পড়তে তো দেহিনা এক
ফুটাও।"
বন্ধুদের সাথে আড্ডা
দিলে মায়ের ডায়লগঃ
যা যা, বাড়িতে আসার
দরকার কি।
দেখি আজকে কোন
বন্ধুর বাড়িতে ভাত
খাইতে
পারিস।
" চুল কেটে আসার পর
মায়ের ডায়লগঃ
চুল কি কেটে আসলি,
না মাথা দেখায়া
আসলি।"
কারও সাথে একটু
ইটিস পিটিস করলে
মায়ের
ডায়লগঃ
"ঐ মাইয়ার মধ্যে
পাইছোস টা কি, ক তো
আমারে।"
ঘুম থেকে দেরিতে
উঠলে মায়ের ডায়লগঃ
পড়ার তো নাম গন্ধোও
নাই। রাত ভইরা কি
চুরি করছোস নি।"
টাকা চাইলে মায়ের
ডায়লগঃ
"টাকা কি গাছে ধরে,
বাপের হোটেলে খাস
তো,
কি আর বুঝবি।"
ফুটবল খেলতে গেলে
মায়ের ডায়লগঃ
"এহন বুজবি নাতো।
হাত পাও ভাইঙ্গা যহন
ঘরে বসপি তহন
বুজবি।
রেজাল্ট খারাপ করলে
মায়ের ডায়লগঃ"অমুকের পুলার পা
ধুইয়া পানি খাইস।
ওরে দেইখা কিছু শিখ।"তবুও মা তো মা ই।
কারন..... "একটা চাঁদ
ছাড়া,
ঐ অাধার কালো।
মায়ের মমতা ছাড়া,
কে থাকে ভালো।

10/05/2015

মা দিবসের গল্প....
Written By: Shironamhin Athoy Aronyo
কপাল একটু কেটে গেছে।কাটা
চামড়া হালকা ঠেলে
রক্ত বের হয়ে আছে। তবে গড়িয়ে
পড়ছেনা। একটু
জ্বালা করছে।সিয়া হাত দিয়ে
হালকা চেপে চেপে
দেখছে ব্যাথা পায় কিনা।আর
রাস্তার পাশে বসে
জ্যামে আঁটকে যাওয়া কালো
গাড়িটা দেখছে।গাড়ির
ভেতর দুইটা ছেলে বসে আছে তার
মত। ওদের জায়গায়
সে থাকলে গাড়িতে বসে অনেক
আনন্দ করত। অথচ
তারা কেমন গোমরামুখো হয়ে বসে
আছে।মনে হচ্ছে
তাদের সাথে কে যেন নেই।
গাড়ির দিকে তাকাতে তাকাতে
একটু জোরেই কাটা
জায়গায় চাপ পড়ে গিয়েছিল।আর সে
'আহ' করে উঠল।
কপালটা একটু আগেই কাটা
গিয়েছিল,একটা
প্রতিযোগিতায়। তেমন কোন
প্রতিযোগিতা নয়।
ওতো টোকাই। টোকাইদের নিয়ে
আবার কিসের
competition!. একটা গাড়ি থেকে একটা
পানির বোতল
ফেলা হয়েছিল।আর অমনিই ওর মতো
অন্য
টোকাইরা কাড়াকাড়ি শুরু
করেছিল।অবশ্য বোতলটা
এখন তার্ই বস্তায়।
'ওই সিয়া,চল ওইহানে যাই।
কুত্তাগুলা জানি কি
খাইতাছে'.-তার সাথের আরেকটা
টোকাই বলল।
নিজের নামের বিকৃত উচ্চারণ
শুনে একটু রাগ্ও হলো।
'ওই হালা,তুই যা।আমি যামুনা'-
জেদস্বরে ছুঁড়ে দিল
কথাটা।
অন্যদিকে হাঁটতে শুরু করল
সিয়া।কাঁধে ব্যাগ। বয়স
৭-৮ হবে। ওর ভালো নাম সিয়াম।
কিন্তু ওকে সবাই
'সিয়া' নামেই ডাকে।কি জানি
টোকাইদের হয়তো
সঠিক নামে মানায়না বা কেউ
ডাকেনা।
এক মহিলা হেঁটে যাচ্ছে,তার পাশ
দিয়ে।হাতে ধরা
একটা মেয়ে।ছোট মেয়ে।হাঁটতে
চাচ্ছেনা।বারবার
কান্না করছে কোলে উঠার জন্য।
কিন্তু মহিলা
পাষাণের মত ঝাড়ি
দিচ্ছে,'হেঁটে আসো'. তারপর্ও
কোলে তুলে নিচ্ছেনা।
এই দৃশ্যটা দেখে সিয়ামের ঘৃণার
মাত্রা আরো বাড়ে
মা জাতির প্রতি।
মা কি?কেমন?সেটা সে বুঝেনা।
তার মা ছিল কি আছে আদৌ সে
জানেনা।
মায়ের ঝাড়ি আদৌ সে শুনেনি।
মা কি সন্তানকে খোকা বলে
ডাকে?না,বাবা বলে
ডাকে?নাকি,জাদু বলে ডাকে?এই
প্রশ্নের উত্তর
আজ্ও সে উপলব্ধি করতে পারেনি।
মায়ের কোলে
ঘুমানোর চিন্তাও তার আসেনি।
সেতো রাস্তার
শক্ত ইটে মাথা রেখে ঘুমায়।
মাতৃকোলে ঘুমানোর আয়েশ সে
পাবে কোথা থেকে।
তার মাও হয়তো এই মহিলার মত ছিল।
তাকে দূরে
দূরে রাখতো।জ্ঞান হবার পর
থেকে ও এই
টোকাইদের সাথেই আছে।
,
মেঘের গর্জন শোনা গেল।
মূহুর্তেই বৃষ্টি নামল।
রৌদ্রময় বৃষ্টি।সূর্য হাসছে।আর
মেঘ কাঁদছে।
বাস্তব জীবনের সাথে মিল। বড্ড
মিল।
বৃষ্টি দেখলেই সিয়াম দৌড়ায়।
দৌড়ে দৌড়ে ভিজে।
পেছন থেকেতো কেউ বলার
নেই,'ভিজিসনা।জ্বর
আসবে'.কেউ বলার থাকলে হয়তো
আস্তে করে চুপি
চুপি ভিজে আবার উঠে যেত। বলার
নেই কেউ,তাই সে
ভিজছে আর দৌড়াচ্ছে। অন্য কেউ
হলে হয়তো
বলত,'মেঘ হচ্ছে,রোদ হচ্ছে,
খেঁকশিয়ালীর বিয়ে
হচ্ছে'.কিন্তু তাকে শেখানোর
কেউ নেই।সে জানেনা,বলছেনা।
,
অনেক্ষন ভেজার পর রহিম চাচার
চায়ের দোকানে
এসে দঁআড়াল। টিভিতে সিনেমা
চলছে। একটু দেখল সে।
শরীরটা কেমন যেন করছে।
রাত।
সিয়াম শুয়ে আছে ডাস্টবিন
থেকে দূরে। এখন কেন
জানি আর ডাস্টবিন সহ্য হয়না।
অথচ,এই ডাস্টবিন
নিয়েই তার জীবন।
বৃষ্টিতে ভেজায় শরীরে জ্বর
এসেছে।প্রচন্ড জ্বর।
এই জ্বরে কি যেন মিস করছে। রহিম
চাচার দোকানে
দেখা সিনেমার কথা মনে
হল,''অসুস্থ ছেলেটাকে
সারারাত সেবা দিয়ে সারিয়ে
তুলল মা।মায়ের কোলে
শুয়ে কি আরামেই না ছেলেটা
ঘুমিয়েছিল।
এই মূহুর্তে তার শরীরে
থার্মোমিটার ছোঁয়ালে পারদ
চমকেই সর্বোচ্চ দাগ অতিক্রম করে
ফেলবে।মায়ের
প্রতি তার ভালোবাসা হঠাৎ যেন
এমন্ই হয়ে উঠল।
এই ভালোবাসার সর্বোচ্চ-সর্বনি
ম্ন নেই। এটা এক
অগননাযোগ্য ভালোবাসা।
মাথার তলার ইটখানা অসহ্য লাগছে।
মমতায় ভরা
কোন কোল খুঁজছে। অথচ এই ইট্ই ছিল
এতোদিন
শোয়ার একমাত্র সংী।
সেদিন 'সিয়া' বলে ডাকা
ছেলেটাকে বলতে ইচ্ছে
করছে,''আমারে 'সিয়াম্মা' কইয়া
ডাকবি''.অথচ এটাও
তার নামের বিকৃত রুপ।
হঠাৎ সিয়া'র সাথে 'আম্মা' যোগ
করে দিতে ইচ্ছে
হলো তার।
ফটিক জ্বরে সিয়াম বকবক করছে।চোখ
বুঁজে আসছে।
মেঘের গর্জন শোনা গেল।আবার্ও
বৃষ্টি নামছে।
সিয়ামের শীত লাগছে,আরো বেশী।
সুন্দর এক স্বপ্নে
তলিয়ে গেল সে,''সিয়ামের মা
ডাকছে,আয়
বাবা,খোকা,জাদু আয়।আমার কাছে
আয়।সিয়াম কাছে
গেল। তার মায়ের কোলে গিয়ে
শোয়।ঘুমাচ্ছে।শা
ন্তির ঘুম।ভালোবাসায় জর্জরিত
ঘুম।'' এই ঘুম ভাঙ্গবেনা জানি....
Written By: Shironamhin Athoy Aronyo

01/02/2015

ছেলের বয়স যখন ৫...
ছেলে : মা I LOVE YOU
মা : I LOVE YOU TOO
আমার সোনার ছেলে,
বলেই বুকে টেনে নিবে।
ছেলের বয়স যখন ১৫...
ছেলে: মা I LOVE YOU
মা : যা এখান থেকে,
এখন টাকা নাই তোর আব্বুর
কাছে চা...
ছেলের বয়স যখন ২৫...
ছেলে : মা I LOVE YOU
মা : মেয়েটা কে রে? কোথায়
থাকে,কি করে?
মা তো মা-ই,
ছেলের মনের কথা বুঝার মতো এক
অসাধারন
ক্ষমতা দিয়ে মহান আল্লাহ এই
মানুষটিকে সৃষ্টি করেছেন।
সত্যি তোমাকে অনেক
ভালোবাসি 'মা'

Address

Moulvi Bazar

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আমার মা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category