Shammiloni (সম্মিলনী)

Shammiloni (সম্মিলনী) An organization with 76 years of records organizing the main religious festival of Hindu community. A number of members added the glory of this organizations.

SAMMILONI - A name from year 1949, a history of celebrating Durga Puja 72 for years. Sammiloni was founded in the year 1949 for celebrating Durga Puja. Some same minded people from Sutrapur, Forashgonj and adjacent areas gathered under a roof to organize and form an organization for praying and worshiping Goddess Durga Devi. Their inspiration, dedication and hard work made a success and they were

able to form this organization Sammiloni. Sammiloni has been praying Durga Devi since 1949 and still our try is going to celebrate our Goddess, our devi Durga. A lot of hurdles faced this organization to sustain the organization. Some times the devastation situation of the country, some times religious turbulence. Some time passing away of the member from the organization sadden also. But we are proudly say that a very few Puja committee are in Bangladesh right now who can hold their dignity and proud like us. From the beginning, Shammiloni was organizing and praying DURGA PUJA and KALI PUJA only. But from last 15 years, Sammiloni is trying to worship Devi BASHANTI also in bengali Chaitra (March - April) month.

১৫ ই মে,শুক্রবার মাসিক শিবরাত্রি।তোমরা যারা মাসিক শিবরাত্রি পালন করবে তারা সন্ধ্যার পরে অভিষেক করে এই ব্রতকথা পাঠ করো।যা...
14/05/2026

১৫ ই মে,শুক্রবার মাসিক শিবরাত্রি।তোমরা যারা মাসিক শিবরাত্রি পালন করবে তারা সন্ধ্যার পরে অভিষেক করে এই ব্রতকথা পাঠ করো।যারা ষোলো সোমবার পালন করতে পারো না তাদের জন্য মাসিক শিবরাত্রি পালন করা কিন্তু বিকল্প হতে পারে।

মাসশিবরাত্রি ব্রতঃ
শুন শুন ভক্তগণ, শুন দিয়া মন,
মাস শিবরাত্রির কথা করিব বর্ণন।

প্রথমে করি বন্দনা গুরু চরণে শির,
জয় জয় শিবশম্ভু, জয় ত্রিপুরারির।

জয় জয় নীলকণ্ঠ, জয় আশুতোষ,
ভক্তবৎসল করুণা কর দুঃখের সর্বনাশ।

শুন হে দেবী পার্বতী শিবের অমৃত বাণী,
মাসে মাসে শিবরাত্রি করেন ভক্তপ্রাণী।

কৃষ্ণপক্ষ চতুর্দশী পবিত্র সেই রাত,
শিবনামে জাগে তখন ভক্তির অমৃতস্রোত।

চৈত্র মাসে শুরু করে মাসে মাসে পালন,
লিঙ্গরূপে সদাশিবে কর ভক্তি আরাধন।

সন্ধ্যাকালে স্নান করে শুচি করো দেহ,
ভস্ম ত্রিপুণ্ড্র ললাটে দাও শিবনামের স্নেহ।

গোময় জলে শুদ্ধ করে পূজাস্থান ধোও,
ফুলমালায় মণ্ডপ সাজাও প্রেমভরে ব’সো।

কলশ শঙ্খ ধূপ দীপ সাজাও বিধি মেনে,
পঞ্চগব্য পঞ্চামৃত রাখো ভক্তি চেনে।

শিবসম্মুখে বসে তখন সংকল্প নাও মনে,
শিবপূজার অর্ঘ্য দাও প্রেমভক্তি সনে।

এক প্রহরে বিল্বপত্র দাও ভক্তিভরে,
“নমঃ শিবায়” জপে প্রাণ শিবচরণে ধ’রে।

ধ্যান করো মহাদেব উমাসহ বসে,
ত্রিনয়ন চন্দ্রশেখর জ্যোতি জগতে ভাসে।

নীলকণ্ঠ পিনাকধারী দয়াময় হর,
অভয়হস্তে রক্ষা করেন ভক্তজন ঘর।

নীলকমল নয়নে দেবী উমা শোভা পান,
অলঙ্কারে শোভাময়ী জগতের পরাণ।

পঞ্চগব্য পঞ্চামৃতে করো অভিষেক,
রুদ্রসূক্ত জপে জাগে শিবতত্ত্ব এক।

ভস্ম চন্দন অক্ষত দাও বিল্বপত্র ফুল,
শিবনামে দূরে যায় সংসারের ভুল।

অজৈকপাদ অহির্বুধ্ন্য ভব শর্ব নাম,
উমাপতি রুদ্র পশুপতি করো সনাম।

শম্ভু মহেশ শিব ঈশ্বর মহাদেব হর,
ভীম নামে স্মরণ করলে তুষ্ট হন ঈশ্বর।

ধূপ দীপ নৈবেদ্য দাও কর্পূরের আরতি,
স্তবপাঠে পূর্ণ হয় শিবভক্তির গতি।

নৃত্য বাদ্য করতালে জাগে শিবের নাম,
শিবপুরাণ পাঠে ভরে মাসশিবরাত্রি ধাম।

ঋণ রোগ দুঃখ যাহা মনে করে বাস,
শিবরাত্রি ব্রত করলে দূরে যায় সর্বনাশ।

এক প্রহর ভক্তিভরে পূজা করিলে,
শিবকৃপায় পুণ্যফল ভক্তজনে মিলে।

ব্রহ্মা বিষ্ণু নাহি পারেন ফল কহিতে শেষ,
এই ব্রতে প্রসন্ন হন আশুতোষ মহেশ।

ত্রিবর্ষ দ্বাদশবর্ষ বা আজীবন যেই,
শিবরাত্রি ব্রত করে শিবগণ হয় সেই।

অপুত্র পুত্র লাভ করে নির্ধন পায় ধন,
দীর্ঘায়ু পায় মানুষ ভরে সুখমন।

কুমারী সৎপতি পায় বিধবা পায় গতি,
ভক্ত শেষে কৈলাসে পায় মুক্তির স্মৃতি।

যে জন মাসশিবরাত্রি করে ভক্তিভরে,
শেষে সে কৈলাসধামে শিবসঙ্গে ঘরে।

শিব শিব বলি শেষে করি প্রণাম,
হর হর মহাদেব জয় শম্ভু নাম।

নমঃ শিবায়

#সম্মিলনী

শিবের ধ্যান মন্ত্র:   শিবের ধ্যান মন্ত্র হলো...ভগবান শিবের ধবলকান্তি, পঞ্চানন, ত্রিনেত্র রূপের আরাধনা। এই মন্ত্র জপের মা...
14/05/2026

শিবের ধ্যান মন্ত্র:
শিবের ধ্যান মন্ত্র হলো...ভগবান শিবের ধবলকান্তি, পঞ্চানন, ত্রিনেত্র রূপের আরাধনা। এই মন্ত্র জপের মাধ্যমে মানসিক প্রশান্তি ও আধ্যাত্মিক শক্তি লাভ করা যায়।

শিবের ধ্যান মন্ত্র:"
(ওঁ ধ্যায়েন্নিত্যং মহেশং রজতগিরিনিভং চারুচন্দ্রাবতসংরত্নাকল্লোজ্বলাঙ্গং পরশুমৃগবরাভীতিহস্তং প্রসন্নম্ ।পদ্মাসীনং সমস্তাৎ স্ততমমরগণৈ–র্ব্যাঘ্রকৃত্তিং বসানং,বিশ্বাদ্যং বিশ্ববীজং নিখিলভয়হরং পঞ্চাবক্ত্রং ত্রিনেত্রম্ ।।)

"মন্ত্রের অর্থ:যিনি রজত বা রৌপ্য পর্বতের (কৈলাস) মতো উজ্জ্বল, মাথায় সুন্দর চন্দ্রকলা, রত্নালঙ্কারে সুশোভিত, যাঁর হাতে পরশু (কুঠার), মৃগ (হরিণ), বর ও অভয় মুদ্রা, যিনি সর্বদা প্রসন্ন, পদ্মাসনে উপবিষ্ট এবং দেবগণ কর্তৃক স্তুত—সেই নিখিল ভয়হরণকারী, পঞ্চানন (পাঁচ মুখ) ও ত্রিনেত্রধারী মহেশ্বরকে সর্বদা ধ্যান করি।অন্যান্য উল্লেখযোগ্য শিব মন্ত্র:শিব পঞ্চাক্ষর মন্ত্র (সহজতম): ওঁ নমঃ শিবায়।

শিবের প্রণাম মন্ত্র: নমঃ শিবায় শান্তায় কারুণাত্রায় হেতবে, নিবেদিতামি চাত্মানং ত্বং গত্বিং পরমেশ্বর।

মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র: ওঁ ত্র্যম্বকম যজামহে সুগন্ধিম পুষ্টিবর্ধনম, উর্বারুকমিব বন্ধনন মৃত্যুর্মোক্ষীয় মামৃতাত।সাধারণত সোমবারে বা প্রতিদিন ভোরে শিবলিঙ্গের সামনে বসে এই ধ্যান মন্ত্র জপ করা শুভ বলে গণ্য হয়।

হর হর মহাদেব 🔱🌿🌺🙏🥰

#সম্মিলনী

শনি জয়ন্তী এবং ফলহারিনী অমাবস্যা শনিবার পড়েছে। এই যোগকে 'শনিশ্চরী অমাবস্যা' বলা হয়। এবছর শনি জয়ন্তী পালিত হবে শনিবার,...
14/05/2026

শনি জয়ন্তী এবং ফলহারিনী অমাবস্যা শনিবার পড়েছে।
এই যোগকে 'শনিশ্চরী অমাবস্যা' বলা হয়।

এবছর শনি জয়ন্তী পালিত হবে শনিবার, ১৬ মে ২০২৬। এই দিনই শনি অমাবস্যাও পড়ছে।
এই দিনে যেকোনো কাজ সিদ্ধিপ্রাপ্ত হয়, সকল মনবাসনা পূর্ণের দিন।
বিশেষ করে যাঁদের কুণ্ডলীতে শনিদোষ, সাড়ে সাতি বা ধাইয়ার প্রভাব চলছে, তাঁরা এই দিনে বিশেষ পুজো করেন।

এদিনে ভক্তরা ভোরে স্নান করে শনিদেবের পুজো করেন। অনেকে উপবাসও রাখেন। পুজোর সময় কালো তিল, সর্ষের তেল, কালো কাপড় ও নীল ফুল নিবেদন করার রীতি রয়েছে। শনিদেবকে তেলের প্রদীপ জ্বালানোও খুব শুভ বলে মনে করা হয়।

এছাড়া অনেকেই এদিনে পিপল গাছে জল দেন এবং গরিব মানুষদের দান করেন। এতে শনিদেব সন্তুষ্ট হন এবং জীবনের কষ্ট কমতে পারে।
শনিদেবকে কর্মফলের দেবতা বলা হয়। অর্থাৎ মানুষ যেমন কাজ করেন, শনিদেব তেমন ফল দেন বলে বিশ্বাস করা হয়। তাই এই দিনে সততা, ভালো কাজ ও ভক্তিভরে পুজো করার পরামর্শ দেন।

যাঁদের জীবনে বারবার বাধা আসছে, কাজ আটকে যাচ্ছে বা আর্থিক সমস্যা চলছে, তাঁরা এই দিনে শনিদেবের আরাধনা করলে উপকার পেতে পারেন। পিপীলিকা কে খাবার দান করুন। কৃপা দৃষ্টি আপনার উপর পড়বে।

সংগ্রহীত

#সম্মিলনী

জয়তু শ্রীনৃসিংহদেব🙏🙏🙏রক্ষা করো প্রভু 😔 শরণাগত ভক্ত বৎসলায় নমো 🙏😭😭😭 #সম্মিলনী
30/04/2026

জয়তু শ্রীনৃসিংহদেব🙏🙏🙏
রক্ষা করো প্রভু 😔
শরণাগত ভক্ত বৎসলায় নমো 🙏😭😭😭

#সম্মিলনী

শঙ্খ পদ্ম গদা চক্রধারী, মহালক্ষ্মী পতি ভক্ত রক্ষক ভগবান শ্রীনৃসিংহ দেবের শ্রীচরণে এই অধমের সহস্র প্রণাম 🙏দর্শনেই ক্লেশ ও...
30/04/2026

শঙ্খ পদ্ম গদা চক্রধারী, মহালক্ষ্মী পতি ভক্ত রক্ষক ভগবান শ্রীনৃসিংহ দেবের শ্রীচরণে এই অধমের সহস্র প্রণাম 🙏

দর্শনেই ক্লেশ ও ভয় দূর হয়ে যায় 👣🙏

#সম্মিলনী

আগামীকাল শ্রী শ্রী ভগবান নৃসিংহদেবের শুভ আবির্ভাব তিথি🪔জয় শ্রী নৃসিংহদেব ভগবান🙏 #সম্মিলনী
29/04/2026

আগামীকাল শ্রী শ্রী ভগবান নৃসিংহদেবের শুভ আবির্ভাব তিথি🪔

জয় শ্রী নৃসিংহদেব ভগবান🙏

#সম্মিলনী

হনুমানজিকে খুশি করার সবচেয়ে সহজ উপায় কী?হনুমানজি—ভক্তি, শক্তি ও নিঃস্বার্থ সেবার প্রতীক। তাঁকে খুশি করা কঠিন কিছু নয়,...
23/04/2026

হনুমানজিকে খুশি করার সবচেয়ে সহজ উপায় কী?
হনুমানজি—ভক্তি, শক্তি ও নিঃস্বার্থ সেবার প্রতীক। তাঁকে খুশি করা কঠিন কিছু নয়, বরং খুবই সহজ। কারণ তিনি বিলাসিতা বা বড় আয়োজন চান না—তিনি চান সত্যিকারের ভক্তি, নিষ্ঠা এবং পরিষ্কার মন। শাস্ত্র অনুযায়ী, কিছু সহজ উপায় অনুসরণ করলে হনুমানজি খুব দ্রুত প্রসন্ন হন।
🕉️ ১. “রাম নাম” জপ করা
হনুমানজির সবচেয়ে প্রিয় হলো রাম-এর নাম।
তিনি নিজেই রামের পরম ভক্ত, তাই যে ব্যক্তি রামের নাম জপ করে, হনুমানজি তার ওপর দ্রুত সন্তুষ্ট হন।
👉 প্রতিদিন “শ্রী রাম জয় রাম জয় জয় রাম” জপ করলে—
মন শান্ত হয়
ভয় দূর হয়
ঈশ্বরের কৃপা লাভ হয়
📖 ২. হনুমান চালিসা পাঠ
হনুমান চালিসা হলো হনুমানজির প্রশংসায় রচিত এক শক্তিশালী স্তোত্র।
👉 প্রতিদিন বা অন্তত মঙ্গলবার ও শনিবার পাঠ করলে—
জীবনের বাধা দূর হয়
অশুভ শক্তি দূরে থাকে
আত্মবিশ্বাস বাড়ে
বিশ্বাস করা হয়, নিয়মিত চালিসা পাঠ করলে হনুমানজি খুব দ্রুত খুশি হন।
🔥 ৩. সিঁদুর ও তেল অর্পণ
হনুমানজিকে লাল সিঁদুর ও সরিষার তেল অর্পণ করা খুবই শুভ।
একটি কাহিনি আছে—
হনুমানজি একবার দেখেন, মা সীতা সিঁদুর পরছেন রামের দীর্ঘায়ুর জন্য। তখন তিনি নিজের পুরো শরীরে সিঁদুর মেখে নেন, যাতে রামের আরও মঙ্গল হয়।
👉 তাই সিঁদুর অর্পণ করলে—
ভক্তি প্রকাশ পায়
হনুমানজি সন্তুষ্ট হন
🙏 ৪. ব্রহ্মচর্য ও শুদ্ধ জীবনযাপন
হনুমানজি ছিলেন সম্পূর্ণ ব্রহ্মচারী ও সংযমী।
👉 তাই তাঁকে খুশি করতে হলে—
খারাপ অভ্যাস ত্যাগ করা
সত্য কথা বলা
অন্যায় কাজ থেকে দূরে থাকা
এই গুণগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
🍌 ৫. প্রসাদ অর্পণ
হনুমানজির প্রিয় প্রসাদ—
কলা
গুড়
লাড্ডু
বিশেষ করে বুন্দি লাড্ডু তাঁকে খুব প্রিয়।
👉 ভক্তিভরে প্রসাদ দিলে—
তিনি সন্তুষ্ট হয়ে আশীর্বাদ করেন।
🧠 ৬. অন্যের সাহায্য করা
হনুমানজি ছিলেন নিঃস্বার্থ সেবার প্রতীক।
👉 তাই—
গরিবকে সাহায্য করা
অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো
ভালো কাজ করা
এসব কাজ করলে হনুমানজি খুব খুশি হন।
⚡ ৭. ভয় ও নেতিবাচকতা দূর করা
হনুমানজির নাম নিলে—
ভয় দূর হয়
নেতিবাচক শক্তি পালায়
👉 “বজরংবলী” নামটি শক্তির প্রতীক, যা জীবনে সাহস এনে দেয়।
✨ আধ্যাত্মিক অর্থ
হনুমানজিকে খুশি করার আসল উপায় কোনো বাহ্যিক আচার নয়, বরং অন্তরের পবিত্রতা।
যার মন পরিষ্কার, যার মধ্যে অহংকার নেই, যে সত্যিকারের ভক্ত—হনুমানজি তার কাছেই সবচেয়ে বেশি আসেন।

🪔 সর্বশেষে বলা যায়—
হনুমানজিকে খুশি করার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো:
👉 রামের নাম জপ
👉 হনুমান চালিসা পাঠ
👉 সৎ জীবনযাপন
👉 অন্যের সেবা
এই চারটি নিয়ম মেনে চললে জীবনে শান্তি, শক্তি ও সাফল্য আসে।

#সম্মিলনী #হনুমানজি

“উপবাস করুন, উপোস নয়”আমরা সাধারণভাবে ‘উপবাস’ ও ‘উপোস’ শব্দ দুটিকে একই অর্থে ব্যবহার করি, অর্থাৎ না খেয়ে থাকা। কিন্তু শাস...
22/04/2026

“উপবাস করুন, উপোস নয়”
আমরা সাধারণভাবে ‘উপবাস’ ও ‘উপোস’ শব্দ দুটিকে একই অর্থে ব্যবহার করি, অর্থাৎ না খেয়ে থাকা। কিন্তু শাস্ত্রীয় ও আধ্যাত্মিক দৃষ্টিকোণ থেকে এদের অর্থ সম্পূর্ণ ভিন্ন।

‘উপবাস’ শব্দটি সংস্কৃত “উপ” (নিকট) এবং “বাস” (অবস্থান করা) থেকে এসেছে—অর্থাৎ ঈশ্বর, আত্মা বা চেতনার নিকটে অবস্থান করা। আর ‘উপোস’ বলতে বোঝায় কেবল খাদ্য ত্যাগ করে শরীরকে কষ্ট দেওয়া। এই পার্থক্যটি বোঝা না গেলে উপবাসের প্রকৃত উদ্দেশ্যই হারিয়ে যায়।

উপোসে মানুষ কেবল শরীরের উপর জোর দেয়—খাবার না খেয়ে থাকা, ক্ষুধা দমন করা, নিয়ম পালন করা। এতে কখনো কখনো অহংকারও জন্ম নিতে পারে—“আমি এতক্ষণ না খেয়ে থাকলাম”, “আমি এত কষ্ট সহ্য করলাম।” এই মনোভাব আধ্যাত্মিক উন্নতির পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়, কারণ এখানে কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে ‘আমি’ বা অহং। শরীর দুর্বল হয়, মন বিরক্ত হয়, এবং চেতনা সংকুচিত হতে থাকে। ফলে উপোস অনেক সময় কেবল একটি বাহ্যিক আচারে সীমাবদ্ধ থাকে, যার গভীরে কোনো রূপান্তর ঘটে না।

অন্যদিকে, উপবাস হলো এক অন্তর্মুখী যাত্রা। এখানে খাদ্য ত্যাগ করা মূল বিষয় নয়; বরং ইন্দ্রিয় ও মনের অস্থিরতা থেকে দূরে সরে গিয়ে আত্মার নিকটে অবস্থান করাই মূল লক্ষ্য। যখন কেউ উপবাস করেন, তখন তিনি শুধু আহার কমান না—তিনি কথাবার্তা কমান, অপ্রয়োজনীয় চিন্তা কমান, ইন্দ্রিয়ের আকর্ষণ থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন। তিনি নিজের ভেতরে প্রবেশ করেন, যেখানে নীরবতা, সচেতনতা এবং ঈশ্বরীয় অনুভূতির উদয় ঘটে। এই অবস্থায় ক্ষুধা আর কষ্টের কারণ হয় না; বরং এটি হয়ে ওঠে এক স্মরণ—আমি দেহ নই, আমি তারও অতীত এক চেতনা।

আধ্যাত্মিকভাবে উপবাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো শুদ্ধি। যখন আমরা কম খাই বা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য খাদ্য গ্রহণ বন্ধ করি, তখন দেহের ভেতরের বিষাক্ত পদার্থ বের হয়ে যায়, ইন্দ্রিয়ের আসক্তি কিছুটা শিথিল হয়। কিন্তু এর থেকেও বড় শুদ্ধি ঘটে মনে। মন যখন বারবার খাবারের চিন্তা থেকে সরে এসে ঈশ্বর, মন্ত্র, ধ্যান বা আত্মচিন্তায় স্থির হয়, তখন তার ভেতরের অস্থিরতা ধীরে ধীরে কমে যায়। এই প্রক্রিয়ায় মন পরিষ্কার হয়, চেতনা উজ্জ্বল হয়, এবং অন্তরের গভীরে এক ধরনের প্রশান্তি জন্ম নেয়।

উপবাসের আরেকটি দিক হলো সংযম ও সচেতনতা। সাধারণত আমরা অভ্যাসবশত খাই—ক্ষুধার জন্য নয়, বরং স্বাদ, অভ্যাস বা আকর্ষণের জন্য। উপবাস সেই অভ্যাসকে প্রশ্ন করে। এটি আমাদের শেখায়, “আমি কি সত্যিই ক্ষুধার কারণে খাচ্ছি, নাকি কেবল ইন্দ্রিয়ের টানে?” এই প্রশ্ন থেকেই শুরু হয় আত্ম-পর্যবেক্ষণ। ধীরে ধীরে মানুষ বুঝতে শেখে তার আসক্তিগুলি কোথায়, এবং কীভাবে সেগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এই নিয়ন্ত্রণই পরবর্তীতে ধ্যান ও সাধনার গভীর স্তরে প্রবেশের পথ তৈরি করে।

আরও গভীরে গেলে দেখা যায়, উপবাস হলো এক ধরনের শক্তি-রূপান্তর। সাধারণত আমাদের শক্তির বড় একটি অংশ হজম প্রক্রিয়ায় ব্যয় হয়। যখন আমরা উপবাস করি, তখন সেই শক্তি মুক্ত হয়ে অন্যদিকে প্রবাহিত হয়—বিশেষ করে মস্তিষ্ক ও চেতনার দিকে। ফলে মনোসংযোগ বাড়ে, ধ্যান সহজ হয়, এবং অন্তর্দৃষ্টি জাগ্রত হতে শুরু করে। এই অবস্থায় সাধক সহজেই নিজের ভেতরের সূক্ষ্ম স্তরগুলি অনুভব করতে পারেন, যা সাধারণ সময়ে সম্ভব হয় না।

উপবাসের চূড়ান্ত তাৎপর্য হলো ঈশ্বর বা আত্মার সঙ্গে সংযোগ স্থাপন। যখন দেহের চাহিদা কিছুটা নীরব হয়, তখন অন্তরের কণ্ঠস্বর স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সেই নীরবতার মধ্যেই অনুভব করা যায় এক গভীর উপস্থিতি—যাকে কেউ ঈশ্বর বলেন, কেউ আত্মা, কেউ চেতনা। উপবাস সেই উপস্থিতির কাছে নিয়ে যায়, কারণ এটি বাহ্যিক জগতের কোলাহল থেকে আমাদের সরিয়ে অভ্যন্তরের শান্তিতে স্থাপন করে।

সুতরাং আধ্যাত্মিকতা কেবল বাহ্যিক আচারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। না খেয়ে থাকা যদি আমাদের ভেতরে অহংকার, বিরক্তি বা কষ্ট বাড়ায়, তবে তা উপোস; কিন্তু যদি তা আমাদের অন্তর্মুখী করে, সচেতন করে, ঈশ্বরের নিকটে নিয়ে যায়, তবে সেটাই প্রকৃত উপবাস। সত্যিকারের উপবাসে খাদ্য ত্যাগের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো অহং ত্যাগ, অস্থিরতা ত্যাগ, এবং মায়ার আসক্তি ত্যাগ। এই ত্যাগের মধ্য দিয়েই মানুষ ধীরে ধীরে নিজের প্রকৃত স্বরূপের দিকে অগ্রসর হয়, যেখানে দেহের ক্ষুধা নয়, আত্মার তৃপ্তিই হয়ে ওঠে জীবনের মূল উদ্দেশ্য।

সংগ্রহীত

#আধ্যাত্মিক_ধ্যান


#সম্মিলনী

🛕 পঞ্চমুখী হনুমান (প্রবেশদ্বারে স্থাপন)বাড়ির দরজার সামনে পঞ্চমুখী হনুমানের ছবি লাগালে কি হয়?🔱 কী ফল পাওয়া যায়১. 🛡️ স...
21/04/2026

🛕 পঞ্চমুখী হনুমান (প্রবেশদ্বারে স্থাপন)
বাড়ির দরজার সামনে পঞ্চমুখী হনুমানের ছবি লাগালে কি হয়?
🔱 কী ফল পাওয়া যায়
১. 🛡️ সুরক্ষার প্রতীক
প্রধান দরজা হলো বাড়ির “প্রবেশপথ”—এখান দিয়েই ভালো ও খারাপ শক্তি ঢোকে বলে ধরা হয়।
👉 পঞ্চমুখী হনুমানের ছবি এখানে লাগালে
অশুভ শক্তি প্রবেশে বাধা দেয়
নজরদোষ কমায়
বাড়িকে “রক্ষাকবচ”-এর মতো ঘিরে রাখে
২. 🌿 ইতিবাচক শক্তি বাড়ে
হনুমানজির শক্তি সাহস, ভক্তি ও পবিত্রতার প্রতীক।
👉 দরজার সামনে থাকলে
বাড়িতে ইতিবাচক এনার্জি বাড়ে
অশান্তি কমে
পরিবেশ শান্ত ও সুরক্ষিত লাগে
৩. 💰 সমৃদ্ধির প্রবাহ
বাস্তু মতে, প্রবেশদ্বার ঠিক থাকলে
👉 অর্থ ও সৌভাগ্যের প্রবাহ বাড়ে
কাজের বাধা কমে
উন্নতির সুযোগ বাড়ে
৪. 🧠 মানসিক শক্তি বৃদ্ধি
দরজা দিয়ে ঢোকার সময় প্রতিদিন হনুমানের দর্শন হলে
👉
আত্মবিশ্বাস বাড়ে
ভয় কমে
মন শক্তিশালী হয়
⚠️ কীভাবে লাগাবেন (গুরুত্বপূর্ণ)
✔ হনুমানের মুখ দক্ষিণ দিকে থাকবে
✔ পরিষ্কার ও চোখের সমান উচ্চতায় লাগান
✔ ভাঙা বা মলিন ছবি ব্যবহার করবেন না
❌ ভুল করলে কী হতে পারে
ভুল দিক হলে কাঙ্ক্ষিত ফল নাও পেতে পারেন
অগোছালো বা অশুচি স্থানে রাখলে ইতিবাচক শক্তি কমে যায়
✨ উপসংহার
বাড়ির দরজার সামনে পঞ্চমুখী হনুমানের ছবি লাগানো
👉 শুধু ধর্মীয় রীতি নয়, এটি একটি আধ্যাত্মিক সুরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে ধরা হয়।
এটি
✔ বাড়িকে নিরাপত্তা দেয়
✔ শান্তি ও পজিটিভ এনার্জি বাড়ায়
✔ ভয় ও নেতিবাচকতা দূর করে
#পঞ্চমুখী_হনুমান
#হনুমানজি
#রক্ষাকবচ
#সম্মিলনী

🌺 অক্ষয় সিন্দুর ব্রত 🌺 ২০ এপ্রিল (সোমবার) ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বাংলাতৃতীয়া তিথি শুরু:১৯ এপ্রিল, রবিবার — দুপুর ২টা ৩৬ মিনিটেতৃতী...
20/04/2026

🌺 অক্ষয় সিন্দুর ব্রত 🌺
২০ এপ্রিল (সোমবার) ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বাংলা
তৃতীয়া তিথি শুরু:
১৯ এপ্রিল, রবিবার — দুপুর ২টা ৩৬ মিনিটে
তৃতীয়া তিথি, শেষ: ২০ এপ্রিল, সোমবার — দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে।
স্বামীর মঙ্গল, দীর্ঘায়ু ও সংসারের সুখ-সমৃদ্ধি কামনায় এই পবিত্র অক্ষয় সিন্দুর ব্রত পালন করা হয়।
🌼 এই শুভ দিনে ভোরে স্নান করে শুদ্ধ বস্ত্র পরিধান করে, শাখা, সিঁদুর ও আলতা সংগ্রহ করে পাঁচজন সধবা নারীকে দান করা অত্যন্ত মঙ্গলজনক।
অথবা ভক্তিভরে মা কালীর মন্দিরে এই সামগ্রী নিবেদন করলেও শুভ ফল লাভ হয়।
✨ বিশ্বাস করা হয়, এই ব্রতের মাধ্যমে সিঁথির সিঁদুর অক্ষয় থাকে এবং দাম্পত্য জীবন সুখ ও শান্তিতে পরিপূর্ণ হয়।🙏🙏

#সম্মিলনী

শুভ অক্ষয় তৃতীয়া  চান্দ্র বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষের তৃতীয়া তিথির দিনে এই উৎসব পালিত হয়।আজ দুপুর ১:৩০ থেকে আগামীকাল সকাল ১...
19/04/2026

শুভ অক্ষয় তৃতীয়া
চান্দ্র বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষের তৃতীয়া তিথির দিনে এই উৎসব পালিত হয়।

আজ দুপুর ১:৩০ থেকে আগামীকাল সকাল ১০ টা অবধি মোটামুটি থাকছে এই তিথী।

আজ এই পুণ্যলগ্নে সকলকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও প্রণাম। সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। নিজের ও পরিবারের কল্যাণে আজ হাত খুলে দান করুন, সৎকর্ম করুন।

অক্ষয় তৃতীয়া মানে কী?
অক্ষয় শব্দের অর্থ যার ক্ষয় নেই, যা অবিনশ্বর।
বৈদিক বিশ্বাস অনুযায়ী, এই পবিত্র তিথিতে যে শুভ কাজ করা হয় তা অনন্তকাল অক্ষয় হয়ে থাকে

তাই এই দিনে
ভালো কাজ করলে মেলে অক্ষয় পুণ্য, খারাপ কাজে মেলে অক্ষয় পাপ।
আজকের দিনে প্রতিটি পদক্ষেপ তাই সতর্ক হয়ে ফেলুন। ভুলেও কটু কথা বলবেন না। কারও মনে আঘাত যেন না দিয়ে ফেলেন। কারো ক্ষতিরকথা ভাববেন না।
যথাসম্ভব মৌন, সংযমী ও শান্ত থাকা শুভ। পুজো, জপ, ধ্যান, দান এবং অন্যের মুখে হাসি ফোটায় এমন কাজই করণীয়।

অক্ষয় তৃতীয়ার পৌরাণিক গুরুত্ব:

আজ পরশুরাম জয়ন্তী:
এই তিথিতেই ভগবান বিষ্ণুর ষষ্ঠ অবতার ভৃগুপতি পরশুরাম জন্মগ্রহণ করেন।

গঙ্গা অবতরণ:
রাজা ভগীরথের কঠোর তপস্যায় তুষ্ট হয়ে দেবী গঙ্গা আজকের দিনেই স্বর্গ থেকে মর্ত্যে নেমে আসেন।

মহাভারত রচনার সূচনা:
মহর্ষি বেদব্যাসের মুখনিঃসৃত বাণী শুনে গণপতি গণেশ এই তিথিতেই মহাভারত লেখা শুরু করেন।

মা অন্নপূর্ণার আবির্ভাব:
এই দিনে দেবী অন্নপূর্ণা পৃথিবীতে প্রকট হয়েছিলেন। তাঁর কাছ থেকেই মহাদেব এক বাটি অন্ন ভিক্ষা নেন এবং পৃথিবীতে ছড়িয়ে দেন। সেই অন্ন আজও অক্ষয় হয়ে বহু বহু গুণ হয়ে সকলকে পালন করছে।

এই বিশ্বাস মেনেই আজ কৃষি কাজের শুভারম্ভ হয়। বাংলা ও ওড়িশার বহু অঞ্চলে কৃষকেরা আজকের দিনে অক্ষি মুঠি দিয়ে বীজ বপন শুরু করেন। বিশ্বাস, আজকের দিনে বোনা ফসল অক্ষয় হয়।

যুগ পরিবর্তন:
সত্যযুগের অবসান হয়ে ত্রেতাযুগের সূচনা হয় অক্ষয় তৃতীয়া দিনে...

কুবেরের লক্ষ্মী লাভ:
কুবেরের তপস্যায় তুষ্ট হয়ে মহাদেব তাঁকে অতুল ঐশ্বর্য দান করেন। কুবের এই দিনেই ধনপতি ও লক্ষ্মী লাভ করেন। তাই এদিন বৈভব লক্ষ্মী পুজো ও সোনা রুপো কেনা শুভ মনে করা হয়।

সুদামা কৃষ্ণ মিলন:
দরিদ্র ব্রাহ্মণ সুদামা সামান্য চালভাজা নিয়ে দ্বারকায় বন্ধু শ্রীকৃষ্ণের কাছে আসেন। ভগবান সেই উপহার সানন্দে গ্রহণ করে সুদামার সকল দারিদ্র্য দূর করেন।

দ্রৌপদীর সম্মান রক্ষা:
হস্তিনাপুরের রাজসভায় দুঃশাসন যখন দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণ করতে যায়, শ্রীকৃষ্ণ অক্ষয় বস্ত্র দিয়ে সখীর লজ্জা নিবারণ করেন।

রথযাত্রার প্রস্তুতি শুরু:
পুরীধামে আজ থেকেই ভগবান জগন্নাথ, বলভদ্র ও সুভদ্রার রথ নির্মাণের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।

চারধাম দ্বারোদ্ঘাটন:
কেদারনাথ, বদ্রীনাথ, গঙ্গোত্রী, যমুনোত্রী এই চারধামের মন্দির ছয় মাস বন্ধ থাকার পর আজকের দিনেই খোলে। ছয় মাস আগে জ্বালিয়ে রাখা অক্ষয় দীপ আজও জ্বলতে দেখা যায়।

অন্যান্য মাহাত্ম্য:

ত্রেতাযুগের প্রথম যজ্ঞ:
ধর্মরাজ যুধিষ্ঠির এই দিনেই প্রথম সূর্যদেবের কাছে অক্ষয় পাত্র লাভ করেন, যার অন্ন কখনও ফুরাতো না।

আদি শঙ্করাচার্যের কনকধারা স্তোত্র:
কথিত রয়েছে, আদি শঙ্করাচার্য এক দরিদ্র ব্রাহ্মণীর ঘরে একটি মাত্র আমলকী ভিক্ষা পেয়ে এই তিথিতেই কনকধারা স্তোত্র পাঠ করেন। দেবী লক্ষ্মী তুষ্ট হয়ে সোনার আমলকীর বৃষ্টি করেন।

জৈন ধর্মে গুরুত্ব:
প্রথম জৈন তীর্থঙ্কর ঋষভদেব এক বছরের উপবাস ভঙ্গ করে এই দিনে ইক্ষুরস পান করেছিলেন। তাই জৈনরা একে বর্ষিতপ পারণা রূপে পালন করেন।

ব্যবসার শুভ সূচনা:
অক্ষয় মানে ক্ষয়হীন বৃদ্ধি। তাই বহু ব্যবসায়ী আজ নতুন খাতা, নতুন উদ্যোগ শুরু করেন। হালখাতা পুজোর জন্যও দিনটি এক আদর্শ দিন।

বাঁকুড়ার এক্তেশ্বর শিবলিঙ্গে সূর্যপূজা হয় আজকের দিনে
কথিত রয়েছে, আজ সূর্যের প্রথম কিরণ এক্তেশ্বরের শিবলিঙ্গে প্রতিফলিত হয়।

শ্রীধাম বৃন্দাবনে বিগ্রহের চরণ দর্শন হয় আজকের দিনে।
বছরে শুধু এই একদিন বৃন্দাবনের বাঁকেবিহারীজীর সম্পূর্ণ চরণ দর্শন করা যায়।

আজ কী করবেন?

দান
অন্ন, বস্ত্র, জল, ছাতা, পাখা, জুতো দান অত্যন্ত পুণ্যের। গরিব, সাধু, ব্রাহ্মণকে দান করুন। এবং যাকে খুশি দান করুন।

পিতৃ তর্পণ
পূর্বপুরুষের উদ্দেশে জলদান করলে অক্ষয় তৃপ্তি মেলে।

সোনা বা রুপো ক্রয়
কুবের লক্ষ্মী লাভের দিন বলে ধাতু কেনা শুভ। না কিনতে পারলে অন্তত একমুঠো চাল বা নুন কিনে ঘরে রাখুন।

তুলসীতে জলদান
বিষ্ণুপ্রিয়া তুলসীতে জল দিয়ে প্রদক্ষিণ করুন। প্রনাম করুন।

মন্ত্র জপ
"ওঁ নমো ভগবতে বাসুদেবায়" মন্ত্র জপ করুন।

মনে রাখুন, আজ যা করবেন তা অক্ষয় হয়ে ফিরে আসবে। তাই মন, বাক্য ও কর্ম তিনটিকেই শুদ্ধ রাখুন।

অক্ষয় থাকুক সবার সুখ, শান্তি আর সমৃদ্ধ

সংগ্রহীত

#সম্মিলনী

Address

27 B. K. Das Road, Behari Laal Jew Mondir & Akhra, Forashgonj
Dhaka
1100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shammiloni (সম্মিলনী) posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Shammiloni (সম্মিলনী):

Share