MD MUBIN ISLAM

MD MUBIN ISLAM বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড

06/12/2021

HI SOBAI KEMON ACEN

08/03/2020

-আচ্ছা এটা কি করলে তুমি?

--আমি আবার কি করলাম?

এবার বউকে শুইয়ে দিলাম।
---আচ্ছা তোমার ঠোঁট এগুলো কি লাল লাল?;আচ্ছা তুমি কি চাও আমি কাল সকালে অসুস্থ হয়ে যাই।।

--কি সব আজেবাজে বলছো

--তাইলে ঠোঁটে এগুলো কি !মাখছো(ঠোটে আঙ্গুল দিয়ে)

--আজিব।তো?ঠোট আমার মাকছি আমি।এতে তোমার অসুস্থের কথা কোন দিক দিয়ে আসছে!!(আমার হাতটি ছাড়িয়ে দিল)

--তুমি কি মোটেও বুঝতে পারছ না!না কি ভান করছ?

--ভান করব কেন বুঝাও আমাকে?

বলতে সময় লাগলো আমার ঠোঁট দুটো আশ্রয় খুজে পেল রুমুর ঠোঁটে। ওর চোখ দুটো বড় বড় হয়ে গেছিল।ওনেক কস্টে আমাকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিল।
দুজনই হাঁপাতে লাগলাম ।।

--এই বদ ছেলে আমাকে কি মেরে ফেলতে চাইছিলি দম বন্ধ করে!!

--কেন ভাল লাগেনি।আচ্ছা এটা কোন ব্রান্ডের লিপস্টিক ছিল।খেতে হেব্বি ছিল।।

--যাহ ছালা।এতক্ষণ মানে আমার সাথে ইয়ে করে লিপস্টিকের গুনগান গাওয়া হচ্ছে দাড়াও দেখাচ্ছি মজা!!

এবার বউ আমাকে নীচে ফেলে আমার বুকের উপর বসে পড়লো। ।
--লিপস্টিক ভাল লাশছে না ?
--বউ। তেমন ১টা বুঝিনি তুমি তো খেতেই দিলা না।ধাক্কা মারলে!।
এবার চেকে দিবো ,,,
--ওরেব বাবা তাই।এটা রেড ওয়ান কোম্পানির লিপস্টিক যা খেয়ে আয়।

--বউ রেড ওয়ানের নাম তুমি কিভাবে জানলে। ।আর এর আবার লিপস্টিক হয় নাকি!!

--তা কি হয় শুনি ____
---ম----কিছু না!বলনা তুমি কিভাবে জানলে?

--আপনার ওয়াশ রুমে বক্সের ভিতরে দেখলাম। রেড ওয়ান লিপস্টিক ভরা!কখন গিলিশ ওগুলো
(আরো চেপে বসল)

--ওহ আল্লাহ আমাকেই খুজে পেলে এই মটু টার জন্য।আমাকে বাচাও।।

--কথা ঘুরাশ ক্যান বল কখন গিলিশ।

--বউ।আজ রাতে খাওয়ার কথা ছিল।কিন্তু তোমার ওই ইয়ে আমার খুব ভাল লাগছে!!আর ১। বার ইয়ে মানে লিপস্টিক খেতে দিবা!!
আরে এদিকে ফির আর একটু খাব!!

--দেখো শান্ত মোটেও দুস্টুমি করবা না!!

--যা বলছি মেনে নাও কোন সমস্যা হবে না।
নইলে_____

---নইলে কি।আচ্ছা আমি রাজি কিন্ত যাস্ট লিফ কিছ হবে"ok?

--আচ্ছা!
এবার আগে থেকেই ওর দুটো চেপে ধরলাম যাতে নড়তে না পারে!উমমমমমমমম_______
_^_____মাহ

আবার হাঁপাতে লাগলাম ।

--ও আব্বু কার কাছে বিয়া দিলা।এ তো শুধু চুমা দিয়াই মাইরালাইলো।আমারে নিয়া যাও।।

যা হোক আপনাদের আর জেনে লাভ নেই
নিজেরা বিয়ে করে জেনে নিয়েন

লাইট অফ।।

কিছুক্ষণ ঘুম হলো তারপর আবার ডাকতে শুরু করল
--এই শান্ত !কি হল উঠ
--মাত্র না ঘুমালাম সকাল হয়ে গেছে?কই এখনো তো অন্ধকার। তোমার শরীর ঠিক আছে তো।

05/03/2020

একটা_ইসলামিক_গল্প #

বাসর ঘরে স্ত্রীর সালাম শুনে স্বামী অবাক চোখে তাকালো! স্বামী সালামের উত্তর নিতেই স্ত্রী তার
স্বামীর হাতে সুন্দর রঙ্গিণ
কাগজে মোড়ানো একটা প্যাকেট দিয়ে বললো...!!

---ঃ- স্ত্রীঃ- তোমার জন্যে এই গিফটা...!!

---ঃ- স্বামীঃ- কি গিফট...??

---ঃ- স্ত্রীঃ- প্যাকেটটা খুলে দেখো...!!

স্বামী প্যাকেট খুলছে আর ভাবছে, কি আছে এর ভিতর! প্যাকেটটা অনেক যত্ন করে মোড়ানো! মনে হয় স্ত্রী তার নিজের হাতেই করেছে...!!

প্যাকেট থেকে একটা জায়নামায আর তাসবীহ্ পেলো!স্বামী অবাক চোখে স্ত্রীর দিকে তাকালো, চোখে প্রশ্ন...!!

স্ত্রী তার স্বামীর ডান হাতটা ধরে, স্বামীর চোখে তাকিয়ে বললো ,,,

---ঃ- স্ত্রীঃ আমাকে সময় দাও আর না দাও ৫ ওয়াক্ত নামাযে এই জায়নামাযটাকে সময় দিও...!! আমি জান্নাতে যেতে চাই, আমাকে জান্নাতে নিয়ে যাবে...?? আমি তোমার কাছে টাকা, ধন, সম্পদ, গাড়ী, অলংকার কিছুই চাইনা...!! বাঁচার জন্য যতটুুকু দরকার ততটুকুই দিয়ো...!! তুমি আমাকে যা খাওয়াবে, যা পড়াবে, যেভাবেই রাখোনা কেনো আলহামদুলিল্লাহ্ আমি খুশি!
শুধু একটা চাওয়া, আমাকে জান্নাতে নিয়ে যাবে...!!

স্ত্রীর কথা শুনে স্বামীর চোখে পানি এসে গেলো...!!
স্বামী স্ত্রীকে আলতো করে বুকে
টেনে নিয়ে বললো....!!

---ঃ- স্বামীঃ- হ্যাঁ আমি তোমাকে জান্নাতে নিয়ে যাবো, ইনশাআল্লাহ্...!!

এর বেশী কিছু আর বলতে পারলোনা! চোখের পানি চোখেও রাখতে পারলোনা! আজ থেকে তার নতুন জীবন শুরু! তার নতুন জীবন আর জীবন সঙ্গীনির
জন্য আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করলো...!!

-- "হে আল্লাহ আমাদের মুসলিম নর-নারী সবাইকে এমন মন-মানসিকতা ও হেদায়েত দান করুন যাতে সবাই প্রতিটা মুহুর্তে তার পালনকর্তা, রিযিকদাতা সৃষ্টিকর্তাকে স্বরণ করে আর মৃত্যূকে ভয় করে ইবাদাত করে।

______ #আমীন

TANJILA akther MIM

ভালোবাসা লুকিয়ে রাখতে হয়না .....ছেলেটা একটানা রোজা রেখেই যাচ্ছে, আজকে তার পঁয়তাল্লিশতম রোজা। এটা কোনো রমজানের রোজা না এক...
27/02/2020

ভালোবাসা লুকিয়ে রাখতে হয়না .....

ছেলেটা একটানা রোজা রেখেই যাচ্ছে, আজকে তার পঁয়তাল্লিশতম রোজা। এটা কোনো রমজানের রোজা না একদম ভিন্ন কারণে রোজা। ছেলেটার "মা" হাসপাতাল এর আই. সি .ইউর এ শুয়ে আছে, লাইফ সাপোর্ট এ। ছেলেটার ধারণা রোজা না রাখলে আল্লাহ তার মা কে নিয়ে যাবে। প্রতিদিন পাঁচওয়াক্ত নামাজ ছাড়াও তাহাজ্জুদ, সালাতুস তাসবীহ পরেই যাচ্ছে, বাকি সময় তার হাতে তসবিহ ঘুরতেই থাকে। নাহ! কোনো ভাবেই আল্লাহ পাক কে অসন্তুষ্ট করা যাবে না, মা কে বাঁচাতেই হবে, এই যুদ্ধে জিততেই হবে।

সেদিন রোজা খুলে ছেলেটি আর তার ভাই হেটে হেটে হাসপাতাল এ ফিরছিলো। প্রবেশ মুখেই শুনতে পেলো হসপিটাল এর স্পিকার এ জোরে জোরে এনাউন্সমেন্ট হচ্ছে, কোড ব্লু সার্জিকাল আই. সি. ইউ, কোড ব্লু সার্জিকাল আই. সি. ইউ।

শরীরের সব জোর দিয়ে ছুটে গেলো তারা আই. সি. ইউর সামনে। আই. সি. ইউর গার্ড পারলো না তাদের দুই ভাই কে থামাতে, জোর করেই ভিতরে ঢুকে গেলো তারা, দেখলো বেড এর পাশে ছয় সাতজন ডাক্তার ঘিরে আছে আর মনিটরের রেখাটা একদম সমান ........
হটাৎ হাঁটুতে কোনো জোর পেলো না ছেলেটি পরে গেলো হাঁটু ভেঙে .....
দুই ভাই একজন আরেকজন কে শক্ত করে ধরে কাঁপতে থাকলো, দেখলো একজন ডাক্তার এগিয়ে আসছে তাদের দিকে .......

ছেলেটা টানা পঁয়তাল্লিশ দিন রোজা রেখেছিল সে পারে নাই যুদ্ধে জিততে, হেরে গেছে, হারিয়ে ফেলেছে তার "মা" কে।

এই হার সবাইকেই এক না এক দিন মানতে হবে ....

তবে হারার আগেই মা-বাবার মনটা জিতে নিতে হয়, এই মন জিতা একদম সহজ। কিছু কিছু কাজ ফেলে রাখতে নেই,কিছু কিছু ভালোবাসা লুকিয়ে রাখতে হয়না .....

ঘড়ির কাটা কখন যে থেমে যাবে....
কেউ কি তা জানে......?

আল্লাহ আমাদেরকে মা-বাবার খেদমত করার তৌফিক দান করুন।

আমিন.....

কেমন আছেন সবাই
27/02/2020

কেমন আছেন সবাই

09/02/2020

🕌এই সেই বেহেস্তের ফল যার নাম তীন🕌
🕋এই ফলের কথা মহান আল্লাহ🕋
📖পবিত্র কোরআনে বর্ণনা করেছেন!📖

সূরা ত্বীন (التين), আয়াত: ১
وَٱلتِّينِ وَٱلزَّيْتُونِ
উচ্চারণঃ ওয়াততীন ওয়াঝঝাইতূন।
অর্থঃ শপথ আঞ্জীর (ডুমুর) ও যয়তুনের.!

সূরা ত্বীন (التين), আয়াত: ২
وَطُورِ سِينِينَ
উচ্চারণঃ ওয়া তূরি ছীনীন।
অর্থঃ এবং সিনাই প্রান্তরস্থ তূর পর্বতের.!

সূরা ত্বীন (التين), আয়াত: ৩
وَهَٰذَا ٱلْبَلَدِ ٱلْأَمِينِ
উচ্চারণঃ ওয়া হা-যাল বালাদিল আমীন।
অর্থঃ এবং এই নিরাপদ নগরীর।

সূরা ত্বীন (التين), আয়াত: ৪
لَقَدْ خَلَقْنَا ٱلْإِنسَٰنَ فِىٓ أَحْسَنِ تَقْوِيمٍ
উচ্চারণঃ লাকাদ খালাকনাল ইনছা-না...!
ফীআহছানি তাকবীম.!
অর্থঃ আমি সৃষ্টি করেছি মানুষকে সুন্দরতর অবয়বে.!

সূরা ত্বীন (التين), আয়াত: ৫
ثُمَّ رَدَدْنَٰهُ أَسْفَلَ سَٰفِلِينَ
উচ্চারণঃ ছু ম্মা রাদাদ না-হু আছফালা ছা-ফিলীন।
অর্থঃ অতঃপর তাকে ফিরিয়ে দিয়েছি নীচ থেকে নীচে।

সূরা ত্বীন (التين), আয়াত: ৬
إِلَّا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّٰلِحَٰتِ فَلَهُمْ أَجْرٌ غَيْرُ مَمْنُونٍ
উচ্চারণঃ ইল্লাল্লাযীনা আ-মানূওয়া‘আমিলুসসা-লিহা-তি ফালাহুম আজরুন গাইরু মামনূন।
অর্থঃ কিন্তু যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে ও সৎকর্ম করেছে, তাদের জন্যে রয়েছে অশেষ পুরস্কার।

সূরা ত্বীন (التين), আয়াত: ৭
فَمَا يُكَذِّبُكَ بَعْدُ بِٱلدِّينِ
উচ্চারণঃ ফামা-ইউকাযযি বুকা বা‘দুবিদ্দীন।
অর্থঃ অতঃপর কেন তুমি অবিশ্বাস করছ কেয়ামতকে?

সূরা ত্বীন (التين), আয়াত: ৮
أَلَيْسَ ٱللَّهُ بِأَحْكَمِ ٱلْحَٰكِمِينَ
উচ্চারণঃ আলাইছাল্লা-হু বিআহকামিল হা-কিমীন।
অর্থঃ আল্লাহ কি বিচারকদের মধ্যে শ্রেষ্টতম বিচারক নন?

09/02/2020

🛑 ফেতনার জামানায় ১০ টি আমল যা মেনে আমল করলে ফেতনা থেকে বাচা যাবে ইনশাআল্লাহ

১) অধিক হারে চুপ থাকা 👇

যে লোক যাবতীয় ফেতনা থেকে এতো পরিণাম চুপ থাকে, যার কারণে কোন ফেতনা তাকে আকৃষ্ট করতে পারেনি

[ আল ফিতান : ৭৩৫ ]

২) অধিক হারে দুআ কর 👇

হুজাইফা রা: বলেছেন: মানুষের উপর এমন একটা যুগ আসবে যখন কেউ রক্ষা পাবে না, সে ছাড়া যে দোয়া করছে, ডুবন্ত মানুষের দোয়ার মত।

[ মুসান্নাফ ইবনে আবি শায়বা - ৩৬৪৪৭ ]

৩) ফেতনার দিকে দৃষ্টি বা উকি না দেওয়া এবং ফেতনার দিকে না যাওয়া 👇

রাসূল ( সা:) বলেন: যে ব্যক্তি ফিতনার দিকে তাকাবে ফিতনা তাকে ঘিরে ধরবে। তখন কেউ যদি কোন আশ্রয়ের জায়গা কিংবা নিরাপদ জায়গা পায়, তাহলে সে যেন আত্মরক্ষা করে।

সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৭০৮১

৪) ফেতনার সময় নিজেকে গুটিয়ে নেওয়া, প্রয়োজন ছাড়া বাড়ি থেকে না বের হওয়া 👇

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: অচিরেই এমন ফিতনার আত্মপ্রকাশ হবে, যা বসে থাকা ব্যাক্ত দাঁড়িয়ে থাকা ব্যক্তি হতে উত্তম থাকবে। আর দাঁড়িয়ে থাকা ব্যাক্তি তখন চলমান ব্যক্তি হতে উত্তম থাকবে। আর চলমান ব্যক্তি তখন দ্রুতগামী ব্যক্তি হতে ভাল থাকবে।

সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৭১৩৯

৫) ফেতনার সময় সৎকাজ আকড়ে ধরা এবং অসৎকাজ পরিহার করা এবং কি আল্লাহ ভিরু মুত্তাকীদের সাথে চলাফেরা করা, অন্য পাপিচারিদের সাথে সংগ ত্যাগ করা👇

রাসূল ( সা:) বলেন : যখন ফিতনা তিব্র আকার ধারণ করবে তখন তোমরা সৎকাজকে মজবুত ভাবে আকড়ে ধরবে এবং অসৎকাজ হতে বিরত থাকবে।

তোমাদের মাঝে বিশেষ লোক যারা রয়েছে তাদের প্রতি মনিবেশ করবে এবং সর্বধারণকে এরিয়ে চলবে

[ আল ফিতান : ৭২১ ]

৬) ফেতনার জামানায় জান্নাতি হওয়ার বিশেষ তিনটা উপায় 👇

উকবা ইবনু আমির (রাঃ) বলেন :

একদা আমি রাসূলুল্লাহ (সা:) -এর সাথে সাক্ষাৎ করলাম এবং বললাম, নাজাতের উপায় কি?

তিনি বললেন, ‘নিজের জিহ্বা আয়ত্তে রাখ, নিজের ঘরে পড়ে থাক এবং নিজের পাপের জন্য রোদন কর’

আহমাদ, তিরমিযী, মিশকাত হা/৪৮৩৭

৭) সব চেয়ে বড় ফেতনা বর্তমান সময়ে আর সেটা হচ্ছে নারি, তা থেকে নিজেক মুক্ত রাখা 👇

রাসূল ( সা:) বলেন : কোন নারীর উপর তোমার দৃষ্টি পড়লে তার প্রতি) বারবার দৃষ্টিপাত করো না। বরং

নজর অতিসত্তর ফিরিয়ে নিও, কারণ, তোমার

জন্য প্রথমবার ক্ষমা, দ্বিতীয়বার নয়।

[ আহমদঃ ১৩৬৯ ]

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, পুরুষের জন্য নারীজাতি অপেহ্ম

আয়াতুল কুরসী-এক বিশাল নেকীর ভান্ডারঃ১. হজরত আবু উমামা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্ল...
08/02/2020

আয়াতুল কুরসী-এক বিশাল নেকীর ভান্ডারঃ

১. হজরত আবু উমামা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ নামাজ শেষে আয়াতুল কুরসি পড়ে, তার জান্নাতে প্রবেশ করতে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো বাধা থাকে না। (নাসাঈ)

২. হজরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, ‘যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি নিয়মিত পড়ে, তার জান্নাতে প্রবেশে কেবল মৃত্যুই অন্তরায় থাকে। যে ব্যক্তি এ আয়াতটি শোয়ার আগে পড়বে আল্লাহ তার ঘর, প্রতিবেশীর ঘর এবং আশপাশের সব ঘরে শান্তি বজায় রাখবেন। (বায়হাকি)

৩. হজরত উবাই বিন কাব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উবাই বিন কাবকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, তোমার কাছে কুরআন মাজিদের কোন আয়াতটি সর্বশ্রেষ্ঠ? তিনি বলেছিলেন, (আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লাহু আল্ হাইয়্যুল কাইয়্যুম) তারপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজ হাত তার বুকে রেখে বলেন, আবুল মুনযির! এই ইলমের কারণে তোমাকে ধন্যবাদ। (মুসলিম)

৪. আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, সুরা বাকারার মধ্যে এমন একটি আয়াত রয়েছে, যে আয়াতটি পুরো কোরআনের নেতাস্বরূপ। তা পড়ে ঘরে প্রবেশ করলে শয়তান বের হয়ে যায়। তা হলো ‘আয়াতুল কুরসি’। (মুসনাদে হাকিম)

আয়তুল কুরসী কুরসি হচ্ছে এই-

اَللهُ لآ إِلهَ إِلاَّ هُوَ الْحَىُّ الْقَيُّوْمُ، لاَ تَأْخُذُهُ سِنَةٌ وَّلاَ نَوْمٌ، لَهُ مَا فِى السَّمَاوَاتِ وَمَا فِى الْأَرْضِ، مَنْ ذَا الَّذِىْ يَشْفَعُ عِنْدَهُ إِلاَّ بِإِذْنِهِ، يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيْهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ وَلاَ يُحِيْطُوْنَ بِشَيْئٍ مِّنْ عِلْمِهِ إِلاَّ بِمَا شَآءَ، وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ، وَلاَ يَئُودُهُ حِفْظُهُمَا وَ هُوَ الْعَلِيُّ الْعَظِيْمُ-

অর্থঃ আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন উপাস্য নেই, তিনি জীবিত, সবকিছুর ধারক। তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না এবং নিদ্রাও নয়। আসমান ও যমীনে যা কিছু রয়েছে, সবই তাঁর। কে আছ এমন, যে সুপারিশ করবে তাঁর কাছে তাঁর অনুমতি ছাড়া? দৃষ্টির সামনে কিংবা পিছনে যা কিছু রয়েছে সে সবই তিনি জানেন। তাঁর জ্ঞানসীমা থেকে তারা কোন কিছুকেই পরিবেষ্টিত করতে পারে না, কিন্তু যতটুকু তিনি ইচ্ছা করেন। তাঁর সিংহাসন সমস্ত আসমান ও যমীনকে পরিবেষ্টিত করে আছে। আর

08/02/2020

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর জীবনি

◾হামযাহ (রাঃ)-এর ইসলাম গ্রহণ।

মক্কার বিস্তৃত অঞ্চল অন্যায় ও অত্যাচারের ঘনকৃষ্ণ মেঘমালা দ্বারা আচ্ছাদিত ছিল। সেই মেঘ মালার মধ্য থেকে হঠাৎ এক ঝলক বিদ্যুত চমকিত হওয়ায় মজলুমদের পথ আলোকিত হল, হামযাহ মুসলিম হয়ে গেলেন। তাঁর ইসলাম গ্রহণের ঘটনা সংঘটিত হয় নবুওয়ত প্রাপ্তি ৬ষ্ঠ বর্ষের শেষভাগ। সম্ভবতঃ তিনি যুল হিজ্জাহ মাসে মুসলিম হয়েছিলেন।

আল্লাহ তা‘আলা যাঁর উপর রহম করেন তাঁর পক্ষেই ইসলামের অমিয় ধারা থেকে এক অাঁজলা পান করা সম্ভব হয়। যদিও হামযাহর ইসলাম গ্রহণের ব্যাপারটিও আল্লাহর তা‘আলার খাস রহমতেরই ফলশ্রুতি তবুও তাঁর ইসলাম গ্রহণের ব্যাপারে একটি বিশেষ ঘটনার কথা উল্লে­খ না করে পারা যায় না। ঘটনাটি হচ্ছে এরূপ, এক দিবসে আবূ জাহল সাফা পর্বতের পাশ দিয়ে যাচ্ছিল।

নাবী কারীম (সাঃ) সেখানে উপস্থিত ছিলেন। নাবী (সাঃ)-কে দেখে অনেক কটু কাটব্য করল এবং অপমানসূচক কথাবার্তা বললে নাবী কারীম (সাঃ) তার কথাবার্তার কোন উত্তর দিলেন না। আবূ জাহল একটি পাথর তুলে নিয়ে নাবীজী (সাঃ)-এর মাথায় আঘাত করল। এর ফলে আঘাতপ্রাপ্ত স্থান হতে রক্তধারা প্রবাহিত হতে থাকল। তারপর সে ক্বাবা’হ গৃহের নিকটে কুরাইশগণের বৈঠকে গিয়ে যোগদান করল।

আব্দুল্লাহ বিন জুদয়ানের এক দাসী নিজগৃহ থেকে সাফা পর্বতের উপর সংঘটিত ঘটনাটি আদ্যোপান্ত প্রত্যক্ষ করছিল। হামযাহ (রাঃ) মৃগয়া থেকে প্রত্যাবর্তন করা মাত্রই (তখনো তাঁর হাতে তীর ধনুক ছিল এমতাবস্থায়ঃ) সে তাঁকে আবূ জাহলের অন্যায় অত্যাচার এবং নাবী (সাঃ)-এর ধৈর্য ধারণের ব্যাপারটি বর্ণনা করে শোনাল। ঘটনা শ্রবণ করা মাত্র তিনি ক্রোধে ফেটে পড়লেন। কুরাইশগণের মধ্যে তিনি ছিলেন মহাবীর এবং মহাবলশালী এক যুবক। এ মুহূর্তে বিলম্ব না করে তিনি এ সংকল্পবদ্ধ হয়ে ছুটে চললেন যে, যেখানেই আবূ জাহলের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ লাভ হবে সেখানেই তিনি তার ভূত ছাড়াবেন। তিনি তার খোঁজ করতে করতে গিয়ে তাকে পেলেন মসজিদুল হারামে। সেখানে তিনি তার মুখোমুখী দাঁড়িয়ে চিৎকার করে বললেন,

‘ও হে গুহ্যদ্বার দিয়ে বায়ূ নিঃসরণকারী! আমার ভ্রাতুষ্পুত্র মুহাম্মাদ (সাঃ)-কে তুমি গালি দিয়েছ এবং পাথর দিয়ে আঘাত করেছ। অথচ আমি তার দ্বীনেই আছি।

এরপর তিনি কামানের দ্বারা তার মাথার উপর এমনভাবে আঘাত করলেন যাতে সে আহত হয়ে গেল। এর ফলে আবূ জাহলের বনু মখযুম ও হামযাহ (রাঃ)-এর বনু হা

08/02/2020

একটি মেয়ে তার বয়ফ্রেন্ডকে
জিজ্ঞেস করল
- কেন তুমি আমাকে এত ভালোবাস?❤️
ছেলেটি জবাব দিল... - তোমাকে কেনো ভালোবাসি কারনটা আমার জানা নেই ।🙂
উত্তরটা মেয়েটির ভাল লাগল না এবং মেয়েটি বলল
- না আমাকে একটা কারন দেখাও। 😌

-ওকে। কারন তুমি দেখতে অনেক
সুন্দরী,স্মার্ট এবং আকষর্নীয়।👩‍🦰🧚‍♀️
মেয়েটি তার বয়ফ্রেন্ডের কথায় সন্তুষ্ট হল।😍🥰
তারপর একদিন মেয়েটির অসুখ হল। সুস্থ হবার পর তার আগের রুপ লাবণ্য অনেক কমে গেল এবং সে দেখতে চিকন ও দুর্বল হয়ে গেল।🤕🙇🏻‍♀️🤦🏼‍♀️
পরে মেয়েটি এবং ছেলেটির
দেখা হবার পর মেয়েটি বলল
- তুমি কি এখনো আমায় ভালবাস? 🙄

-না..... এখন তুমি আর সুন্দরী এবং
আকর্ষনীয় নও। তাই কারন অনুযায়ী আমি আর
তোমাকে ভালবাসি না।💔😊
তখন মেয়েটি কাঁদতে শুরু করে দিলো। 😰😭 মেয়েটির চোখের জল তার নরম গাল বেয়ে মাটিতে পরার আগেই ছেলেটি তার হাত দিয়ে চোখের জল মুছে দিল।🙂🧡💞
তারপর ছেলেটি তার হাত ধরে বলল -
এখন বুঝেছ যে, ভালবাসা কোনো
কারন দিয়ে হয়না।😊❤️👫
আমি তোমাকে ভালবাসতাম, এখনো বাসি এবং ভবিষ্যতেও বাসবো।আর তা কোনো কারন ছাড়াই।😍💑

ভাল লাগালে কমেন্টে জানাবেন অবশ্যইইইই.....

07/02/2020

আরকামের বাড়িতে

আরক্বাম বিন আবিল আরক্বাম মাখযূমীর বাড়িটি ছিল সাফা পর্বতের উপর অত্যাচারীদের দৃষ্টির আড়ালে এবং তাদের সম্মেলন স্থান হতে অন্য জায়গায় অবস্থিত।

সুতরাং রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এ বাড়িকেই মুসলমানদের সাথে গোপনে মিলিত হওয়ার উপযুক্ত স্থান হিসেবে গ্রহণ করলেন।

যাতে তিনি (সাঃ) সাহাবীদেরকে কুরআনের বাণী শোনানো, তাদের অন্তরকে কলূষমুক্তকরণ এবং তাদেরকে কিতাব এবং হিকমত শিক্ষা দিতে পারেন। আর মুসলমানগণ যেন নিরাপদে তাদের ইবাদাত বন্দেগী চালিয়ে যেতে পারেন;

রাসূল (সাঃ) এর উপর যা অবতীর্ণ হয় তা তারা নিরাপদে গ্রহণ করতে পারেন এবং অত্যাচারী মুশরিকদের অজান্তে যারা ইসলাম গ্রহণ করতে চায় তারা যাতে ইসলাম গ্রহণ করে ধন্য হতে পারেন।

এ বিষয়ে কোন সন্দেহের অবকাশ ছিল না যে, তিনি যদি তাঁদের সঙ্গে একত্রিত হন তাহলে মুশরিকগণ তার আত্মশুদ্ধি এবং কিতাব ও হিকমত শেখার কাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবেন এবং এর ফলে মুসলিম ও মুশরিক উভয় দলের মধ্যে সংঘর্ষের সম্ভাবনা থাকবে।

ইবনু ইসহাক্ব বর্ণনা করেন, সাহাবীগণ (রা.) তাঁদের নির্দিষ্ট ঘাঁটিগুলোতে একত্রিত হয়ে সালাত আদায় করতেন। ঘটনাক্রমে এক দিবস কিছু সংখ্যক কাফের কুরাইশ তাদের এভাবে সালাত পড়তে দেখে ফেলার পর অশ্লীল ভাষায় তাদের গালিগালাজ করতে থাকেন এবং আক্রমণ করে বসেন।

মুসলিমগণও সে আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য এগিয়ে আসেন। প্রতিহত করতে গিয়ে সা’দ বিন ওয়াক্কাস এক ব্যক্তিকে এমনভাবে প্রহার করেছিলেন যে তার শরীরের আঘাতপ্রাপ্ত স্থান থেকে রক্তধারা প্রবাহিত হতে থাকে।

ইসলামে এটাই ছিল সর্বপ্রথম রক্তপাত।

ফুটনোটঃ ইবনে হিশাম ১ম খণ্ড ২৬৩ পৃঃ। এবং মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব, মুখতাসারুস সীরাহ ৬০ পৃঃ।

এটা সর্বজনবিদিত বিষয় যে, এভাবে যদি বারংবার মুসলিম ও মুশরিকদের মধ্যে যুদ্ধ সংঘটিত হতে থাকত তাহলে স্বল্প সংখ্যক মুসলিম স্বল্প সময়ের মধ্যেই নিঃশেষ হয়ে যেতেন। অতএব, ইসলামের সর্বপ্রকার কাজকর্ম অত্যন্ত সঙ্গোপনে সম্পন্ন করার দাবী ছিল খুবই যুক্তিসঙ্গত ও বিজ্ঞোচিত। এ প্রেক্ষিতে সাধারণ সাহাবীগণ (রা.)

তা’লীম, তাবলীগ, ইবাদত বন্দেগী সম্মেলন ও পারস্পরিক মত বিনিময় ইত্যাদি যাবতীয় কাজকর্ম সঙ্গোপনেই করতে থাকেন।

তবে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) তাঁর এবাদত-বন্দেগী এবং প্রচারমূলক কাজকর্ম মুশরিকগণের সামনাসামনি প্রকাশ্যেই করতে থাকেন। তাকে কোন কিছুতেই তারা বাধা দেয়ার সাহস পেত না। তবুও মুসলিমগণে

07/02/2020

বিয়ের একমাস পর বৌ-শাশুড়ির কথোপকথন :

বউমা, আমি ২৮টি বছরে যা পারি নি তুমি এক মাসেই তা করে ফেলেছ।

আম্মু,আপনি এ কী বলছেন!

হ্যাঁ মা,, আমি এই ২৮টি বছরে ছেলেকে ফজর নামাজে অভ্যস্ত করতে পারি নি। তুমি এক মাসেই পেরেছ!

আম্মু, আপনি কি পাথর আর স্বর্ণের গল্পটা জানেন?

না তো!

কোন এক গ্রামে চলাচলের পথে একটি বড় পাথর প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়াল।এক ব্যক্তি রাস্তা পরিস্কার করতে মনস্থ করল।সে একটি কুড়াল নিয়ে পাথরটি
ভাঙার চেষ্টা করল। ৯৯টি আঘাত করে সে ক্লান্ত হয়ে গেল। তখনই সেখান দিয়ে এক পথিক যাচ্ছিল। লোকটি পথিকের সাহায্যচাইলো। পথিক কুড়াল নিয়ে আঘাত করতেই পাথরটি ভেঙে গেল এবং ভেতর থেকে স্বর্ণভর্তি একটি থলে বেরিয়ে এল।

পথিক: যেহেতু পাথরটি আমার আঘাতে ভেঙেছে তাই থলেটি আমার।

আমাকেও কিছু দাও। আমিও যে ৯৯টি আঘাত করলাম।

পথিক রাজি হল না। দুজনে কাজীর কাছে গেল। সব শোনে কাজী মীমাংসা করলেন। স্বর্ণগুলোকে ১০০ভাগ করে ১ভাগ দিলেন পথিককে বাকি ৯৯ভাগ লোকটিকে দিয়ে দিলেন। বললেন,' "যদি তোমার ৯৯টি আঘাত না হত তাহলে এই পাথরটি ভাঙতোই না"।

আম্মু,আপনি ২৮টি বছর পরিশ্রম করে সবকিছু প্রস্তুত করেছেন। আমি শুধু শেষ আঘাতটাই করেছি।

আল্লাহ আমাদেরকে সঠিক বুঝ দান করুন, এবং সময় মত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করার তৌফিক দান করুন।

আমিন....

Address

Goaldihi
Dhaka
MUBINTANJILA

Telephone

+8801774647830

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MD MUBIN ISLAM posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category