29/04/2026
তামিম ইকবাল টেস্ট ক্রিকেটে যতবার ১০০ স্টাইক রেটে সেঞ্চুরি, হাফ সেঞ্চুরি করেছে। আমার মনে হয় বাংলাদেশ ইতিহাসের সবাই মিলে ১০০ স্টাইক রেটে ওয়ানডে ক্রিকেটেও ততবার সেঞ্চুরি, হাফ সেঞ্চুরি করতে পারে নি।
তামিম ইকবাল টেস্ট ক্রিকেটে কতটা ভয়ংকর, কতটা আক্রমনাত্মক, কতটা ধ্বংসাত্মক ব্যাটসম্যান ছিলেন, তা এ যুগের ক্রিকেট ভক্তরা কি করে বুঝবে। তামিম ইকবালের ভক্তরদের মাঝেই কেবল অনেকে জানে ঐ একটা ইনিংসের কথা, দলীয় সংগ্রহ ৫২, তামিমের রান ৫০*। তামিম ইকবাল টেস্ট ক্রিকেটে কতটা ডমিনেট ক্রিকেট খেলেছে, সেই গল্প বললে অনেকের চোখ কপালে উঠবে। কেননা ওরা বাপের জন্মে কোনো বাংলাদেশি থেকে এমন ব্যাটিং দেখে নাই।
তানজিদ তামিমকে টেস্ট স্কোয়াডে দেখে বলেছিলাম, ভয়ংকর টেস্টে ওপেনারের যুগে পা রাখছে বাংলাদেশ। এতে অনেকের হাসিই যেন থামে না। পরে বুঝতে পারলাম, আসলে তামিম ইকবাল টেস্ট ক্রিকেটে ডমিন্যান্ট করেছে শব্দটা বলেছি বলেই কিনা হাসতেছে সবাই।
তামিম ইকবাল টেস্ট ক্যারিয়ারের একদম প্রথম ইনিংসেই হাফ সেঞ্চুরি করেন, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেক ইনিংসে ৮৫ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেছিলেন। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ইনিংসেই সেটা ৫২ বলে নেমে আসে। ৭ চার ও ১ ছক্কা হাঁকিয়ে, বাউন্ডারি থেকেই তুলেছিলেন ৩৪ রান। ২০০৮ সালে একজন ব্যাটসম্যান ৮ বাউন্ডারিতে হাফ সেঞ্চুরি করার হেডাম শুধু ঐ তামিমেরই ছিল।
*️⃣১ম সেঞ্চুরি -১২৮(২৪৩) ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২০০৯।
হাফ সেঞ্চুরি ৭২ বলে। সেঞ্চুরি করতে ১০০(২০৩) বলে
*️⃣ ২০১০ সালে ভারতের বিপক্ষে ১২২ বলে ৫২ রানের ইনিংস খেলেন, সেদিন ১০৬ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন।
*️⃣২য় সেঞ্চুরি- একই সিরিজে ভারতের বিপক্ষে মিরপুরে ১৫১(১৮৩) রান - হাফ সেঞ্চুরি ৫০*(৪৯) বলে, সেঞ্চুরি ১০০(১০১) বলে।
*️⃣ ২০১০ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হ্যামিল্টনে ৭০ বলে ৬৮ রানের ইনিংস খেলার পথে ৩৯ বলে হাফ সেঞ্চুরি ৫০* পূরন করেন, ১০ টি চার হাঁকান।
*️⃣ ২০১০ সালে ইংলিশ সফরে যাওয়ার আগে চট্টগ্রামে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১২৪ বলে ৮৬ রান করেন তামিম। সেদিন ৫৩ বলে হাফ সেঞ্চুরি ৫০* করেন। ৮ টি চার, ১ টি ছক্কা।
*️⃣ একই সিরিজে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মিরপুরে ৭১ বলে ৮৫ রান কটেন তামিম। সে ইনিংস ৩৪ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন তামিম। ৯ টি চারের সাহায্য।
*️⃣ দ্বিতীয় ইনিংসে ৮৪ বলে ৫২ রান করেন, হাফ সেঞ্চুরি আসে ৬৮ বলে।
*️⃣ লর্ডসে ঐতিহাসিক সেঞ্চুরির আগের ইনিংসে ৫৯ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন ৫৫(৬২)।
*️⃣৩য় সেঞ্চুরি , ২০১০ সালে লর্ডসে ১০৩(১০০)।
হাফ সেঞ্চুরি ৫০*(৪৯ বল), সেঞ্চুরি ১০০*(৯৪) বল।
*️⃣৪র্থ সেঞ্চুরি ম্যানচেস্টারে ১০৮(১১৪)
হাফ সেঞ্চুরি ৫০( ৪৩) বল। সেঞ্চুরি ১০০(১০০)
*️⃣ ২০১২ সালে মিরপুরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৭১ বলে ৭২ রান করার পথে ৩৮ ইনিংসে হাফ সেঞ্চুরি করেন। ৮ চার ১ ছক্কা।
৫ম সেঞ্চুরি ১০৯(৩৩২) জিম্বাবুয়ে ২০১৪
হাফ সেঞ্চুরি ৫০(১৬৯), সেঞ্চুরি ১০০(৩১২)।