আসুন আমরা সবাই হ্যাকিং এর কাজ শিখি

  • Home
  • Bangladesh
  • Comilla
  • আসুন আমরা সবাই হ্যাকিং এর কাজ শিখি

আসুন আমরা সবাই হ্যাকিং এর কাজ শিখি The Facebook Hacker Cup is an annual worldwide programming competition where hackers compete against each other for fame, fortune, glory and a shot at the

Started in 2011, the Hacker Cup is Facebook's annual worldwide programming competition. Get into the Hacker Cup by registering here: http://www.facebook.com/bdblog24.tk

Hacking is core to how we build at Facebook. Whether we’re building a prototype for a major product like Timeline at a Hackathon, creating a smarter search algorithm, or tearing down walls at our new headquarters, we’re always ha

cking to find better ways to solve problems. In the Hacker Cup, programmers from around the world will be judged on accuracy and speed as they race to solve algorithmic problems to advance through up to five rounds of programming challenges. This is your chance to compete against the world’s best programmers for awesome prizes and the title of World Champion.

16/05/2016

হ্যাকারদের ফাঁদ চেনার সহজ ৭ উপায়:---

বড়সিতে মাছের টোপ দেয়ার মতোই ইন্টারনেটে টোপ ফেলে হ্যাকাররা।
‘আপনি পুরস্কার জিতেছেন’ কিংবা ‘ফ্রি অফার ’- এর নামে স্পাম মেইল সম্পর্কে বেশ পরিচিত ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা। এতে হ্যাকাররা খুব সহজেই নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে আপনার পিসি। এছাড়াও ওয়েবে আপনার স্বাচ্ছন্দ্য বিচরণে আড়িপেতে হ্যাক করতে পারে আপনার মেইলের সব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য কিংবা হাতিয়ে নিতে পারে আপনার ওয়েবসাইটের নিয়ন্ত্রণ।
এসব হ্যাকারদের ফাঁদ চেনার ৭ টি উপায় :
কৌতূহল : মানুষ মাত্রই কৌতূহলী।
কোনো ওয়েবসাইটে যদি লেখা থাকে ‘‘Do Not Press’ সেখানেই মানুষ ক্লিক করে বেশি। এ ধরনের লিংকে ক্লিক করতেই আপনার ইন্টারনেট উপস্থিতির নিয়ন্ত্রণ হ্যাকারদের কাছে চলে যাওয়ার ভয় থাকে।
অসচেতনতা : একটু সচেতন না হলে তথ্যপ্রযুক্তির ভার্চ্যুয়াল দুনিয়ায় আপনার নিয়ন্ত্রণ চলে যেতে পারে হ্যাকারদের কাছে। হয়তো কোথাও বেড়াতে যাওয়ার আগে আপনি বদলে নেন আপনার সুটকেসের কম্বিনেশন লক নাম্বার কিন্তু সেই আপনিই হয়তো ই- মেইল, ফেসবুক বা এমন কোনো ওয়েবসাইটের পাসওয়ার্ড বিষয়ে উদাসীন।
মিষ্টি কথায় ভোলা : ইন্টারনেটে আমরা যা কিছু ব্যবহার করি তার অধিকাংশই অপরিচিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে হয়ে থাকে। আর অপরিচিতদের সঙ্গে আলাপে মিষ্টি কথায় ভুললেই বিপদ। হয়ে যাবেন হ্যাকড।
ছাড় : ছাড়ের কথা শুনলেই আমরা একটু নড়েচড়ে বসি। এটা মানুষের সাধারণ আচরণের একটি। লোভনীয় পণ্যে ছাড়ের কথা শুনলেই তা নিয়ে শুরু হয় নানা অভিমত। অনুমান আর বাস্তবতার মধ্যে বিশাল ব্যবধান থাকায় প্রতারিত হন অনেকেই।
অভিজ্ঞতার অভাবে অনেকেই এ ছাড়ের ফাঁদে পড়েন।
লোভ : ইন্টারনেটে কোনো কিছুই ফ্রি নয়। ফ্রি ডাউনলোড করতে দেওয়া সবকিছুর পেছনে কোনো না কোনো উদ্দেশ্য থাকে। অনেক সময় ভুয়া ডাউনলোড লিংকের কারণে ইউজার পড়ে যান বিপাকে। ফ্রি ডাউনলোড করতে গিয়ে অনেক সময় অজান্তে ম্যালওয়্যার ছড়ায় কম্পিউটারে। এটি নিরাপত্তার বড় ধরনের হুমকি।
অমনোযোগ : খুব কম মানুষই আছেন যারা ই -মেইলে কোনো লিংক এলে তা মনোযোগ সহকারে দেখেন। অযাচিত
লিংকে ক্লিক করলেই ম্যালওয়্যার ছড়াতে পারে আপনার পিসিতে। ই – মেইলে নিরাপত্তার জন্য এসব লিংক চেক করে নিলে ক্ষতিকর প্রোগ্রাম থেকে রক্ষা পাবে পিসি।
আত্ববিশ্বাসহীনতা : মানুষ সাধারণত
নিজের আইডি অন্যের কাছে প্রকাশ করতে চায় না। কেউ যদি ইন্টারনেটে আইটি সাপোর্ট দেওয়ার প্রস্তাব করে পাসওয়ার্ড চায় এতে সতর্ক থাকুন।
এতে সার্ভারের নিয়ন্ত্রণ হ্যাকারদের কাছে যাওয়ার আশংকা বেড়ে যায় , এ ছাড়া অনেক স্পর্শকাতর তথ্য ইন্টারনেটে প্রকাশ পায়। পাসওয়ার্ড যেন অনুমান করতে না পারে সতর্ক থাকুন।

15/05/2016
22/03/2016

ফেসবুক হ্যাকিং থেকে বাঁচার সহজ কিছু ট্রিক জেনে নিন:-----

কোন দিন কি চিন্তা করেছেন যে হঠাত একদিন দেখলেন আপনার ফেসবুক হ্যাক হয়ে গেছে। নিশ্চই অনেক বিপদে পড়বেন। তাই এই বিপদ থেকে আগেই বেচে থাকা ভাল ও চালাক মানুষের কাজ।
তাই আপনি চালাক মানুষ হতে চান না? অবশ্যই চান। এইজন্যই আজ আপনাদের অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার থেকে রক্ষা পাওয়ার কিছু টিপস দিলাম।

টিপসঃ
১) নিজের আত্মীয় হোক বা ঘনিষ্ঠ বন্ধু, কাউকেই নিজের পাসওয়ার্ড জানাবেন না। আর নিরাপদ সংযোগ ব্যবহার করে ওয়েবসাইট দেখার ব্যাপারটা সব সময়ই অগ্রগণ্য। কাজ শেষে অ্যাকাউন্ট থেকে লগ-আউট বা বের হতে ভুলবেন না ।
২) নিউজ ফিডে থাকা সন্দেহজনক কোনো ওয়েব ঠিকানার লিংকে ক্লিক করবেন না। নিশ্চিত না হয়ে কোনো অ্যাপ, গেম বা ভিডিও দেখার লিংকে ক্লিক না করাই ভালো। তৃতীয় পক্ষের কোনো প্রোগ্রাম বা অ্যাপ্লিকেশন ব্যক্তিগত তথ্যে প্রবেশের অনুমতি চাইলে সেগুলো পরিহার করতে হবে। কোনো অ্যাপ ব্যবহার না করলে ফেসবুক থেকে সেটি মুছে দিন ।
৩) নিজের অ্যাকাউন্টে অতিরিক্ত আরেকটি ই- মেইল ঠিকানা যোগ করুন। কোনো কারণে নিজের প্রোফাইল হ্যাকড হলে সেই ই-মেইলে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধারের তথ্য পাঠিয়ে দেবে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।
৪) অপরিচিত কারও বন্ধুত্বের অনুরোধ গ্রহণ করার আগে যাচাই করে নিন। নিজেদের মধ্যে চেনাজানা ছাড়া কাউকে বন্ধু বানানো মানে তাঁকেও আপনার ব্যক্তিগত তথ্য দেখার অনুমতি দিয়ে দিলেন। এ ছাড়া কোনো আর্থিক বা ব্যক্তিগত গোপন তথ্য জানিয়ে ফেসবুকে পোস্ট না করাই ভালো ।
৫) নিয়মিত পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন। প্রতিবার নতুন একটি পাসওয়ার্ড দিন। পাসওয়ার্ড হিসেবে নিজের জন্মতারিখ, ফোন নম্বর বা জন্মস্থানের নাম দেবেন না। ফেসবুক সেটিংস থেকে লগইন নোটিফিকেশন অপশনটি চালু করতে ভুলবেন না।
৬) কম্পিউটারের নিরাপত্তাবিষয়ক সফটওয়্যারগুলো সব সময় হালনাগাদ করে রাখুন। বর্তমানে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করার সহজতম উপায় হলো ফিশিং আক্রমণ। এ জন্য ফিশিং সাইটগুলোকে ধরার জন্য সব সময়ই বিশ্বস্ত কোনো অ্যান্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করুন। এর ফলে ক্ষতিকর কি-লগার (যে প্রোগ্রাম গোপনে আপনার কম্পিউটারের প্রতিটি বোতাম চাপার তথ্য লিপিবদ্ধ করে হ্যাকারকে পাঠিয়ে দেয়) থেকেও কম্পিউটার রক্ষা পাবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, ভাইরাস ডেটাবেস হালনাগাদ করা, ফায়ারওয়াল চালু রাখা, সর্বশেষ সংস্করণের ব্রাউজার ব্যবহার এবং সময়ে সময়ে অপারেটিং সিস্টেমের নিরাপত্তা হালনাগাদ নামিয়ে ইনস্টল করা।
৭) ফেসবুক অনেকটা ভালো কোনো বন্ধুর মতো। এটি রোজনামচা লেখার পাশাপাশি নিজেদের সৃজনশীলতা প্রকাশের চমৎকার এক মাধ্যম। কোনো ভাবেই তাই ফেসবুক অ্যাকাউন্টটিকে ঝুঁকিতে ফেলা যায় না। একে যতটা সম্ভব ব্যক্তিগত আর নিরাপদ রাখতে সম্ভাব্য সব চেষ্টাই করা উচিত ।
ধন্যবাদ।।,, সবাই ভাল থাকেন ।।।।

19/02/2016

হ্যকিং শিখার আগে দেখে নিন হ্যকাররা হ্যক করে কি করে।।

বিভিন্ন সময়ে হ্যাকাররা
বিভিন্ন
ওয়েবসাইটে আক্রমণ করে এবং
সেখান থেকে বিভিন্ন তথ্য চুরি
করে নিয়ে যায়। কখনও কখনও
আবার
চুরি করা এসব তথ্য অনলাইনে
প্রকাশ
করে দেয়। তবে অধিকাংশ
ক্ষেত্রেই অবশ্য এমনটি ঘটে না।
কিন্তু কথা হল ক্রেডিট কার্ডের
তথ্য
চুরি থেকে শুরু করে বিভিন্ন চুরি
করা তথ্য দিয়ে হ্যাকাররা
আসলে
কি
করে?
এক কথায় বললে, হ্যাকাররা এই
তথ্যগুলো বেচে দেয় সাইবার
ক্রিমিনালদের কালোবাজারে।

বছরের শুরুতে প্রকাশিত
আমেরিকান
গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘র্যান্ড’
কর্পোরেশনের এক রিপোর্টে বলা
হয়েছে, হ্যাকারদের বাজারটি
খুবই
সূক্ষ্মভাবে সাজানো। আর কিছু
কিছু
ক্ষেত্রে হ্যাকার মার্কেটে
ব্যবসা
অবৈধ মাদক ব্যবসার থেকেও
বেশী
লাভজনক। হ্যাকাররা তাদের চুরি
করা ডাটাগুলো অবৈধ
কেনাবেচার সাইটে মোটা
টাকায়
বেচে দেয়। আর এখানেই তাদের
কাজ শেষ।
শুধু ক্রেডিট কার্ড এর তথ্য চুরি বা
অন্যের পরিচয় হ্যাক করে কোন
কিছু
বাগিয়ে নেওয়ার দিন আসলে
শেষ।
আপনার অনলাইনে পোস্ট করা ছবি
বা সামাজিক যোগাযোগ
মাধ্যমে
দেয়া ব্যক্তিগত তথ্য দিয়ে টাকা
কামানোর পদ্ধতিও হ্যাকাররা
বের
করে ফেলেছে। হ্যাকাররা
‘লিঙ্কড
ইন’ আর ‘ই-হারমনি’
থেকে অনেক অনেক পাসওয়ার্ড
সংগ্রহ করে, যেটা তাদের
‘রেইনবো
টেবিল’ হালনাগাদ করতে
সাহায্য
করে। এই টেবিলগুলো হল বিশাল
এক
তথ্য সম্ভার,
যেটা হ্যাকারদের বিভিন্ন
পাসওয়ার্ড হ্যাক করার জন্য
ডিজিটাল চাবির মত কাজ করে।
র্যান্ড এর রিপোর্ট অনুযায়ী,
ক্রেডিট কার্ড চুরি করা থেকে
এখন
একটা টুইটার অ্যাকাউন্ট হ্যাক
করা
বেশি লাভজনক।
আমাদের মেডিক্যাল
রিপোর্টগুলোও আজকাল নিরাপদ
না। রয়টার্স কে দেয়া
সাক্ষাতকারে ‘ফিশ ল্যাব’-এর
থ্রেট
ইন্টেলিজেন্স বিভাগের
পরিচালক
ডন জ্যাকসন জানান, তিনি
হ্যাকার
এক্সচেঞ্জগুলোতে নজরদারি
করে
দেখতে পেয়েছেন যে সাইবার
অপরাধীরা যেকোন ক্রেডিট
কার্ডের
তথ্য চুরি করা থেকে, যে কারো
মেডিক্যাল রিপোর্ট চুরি করে
প্রায় দশগুণ বেশি টাকা আয়
করছে।
নাম,
জন্মতারিখ, পলিসি নাম্বার
সংগ্রহ
করে হ্যাকাররা ভুয়া আইডি খুলে
বিভিন্ন মেডিকেল সামগ্রী ক্রয়
করে, এরপর আবার বিক্রি করে
লাভবান হয়। এছাড়া অন্যের তথ্য
ব্যবহার করে ইনস্যুরেন্সের
টাকাও
দাবি করে থাকে।
র্যান্ডের প্রতিবেদন থেকে আরও
দেখা যায়, হ্যাকারদের এ
কালোবাজার পণ্যের দিক দিয়ে
দিন দিন আরও বৈচিত্র্যপূর্ণ হয়ে
উঠছে। বিভিন্ন ধরনের
তথ্যের পসরা সাজিয়ে বসছে
তারা
প্রতিদিন।
হ্যাকারদের এ বাজারটি
বিস্ময়করভাবে
প্রতিযোগিতামূলক
আর সন্দেহাতীতভাবে লাভজনক।
র্যান্ডের ধারনা, সামাজিক
যোগাযোগ
মাধ্যমগুলোর বিস্ফোরণ আর
মুঠোফোন
ডিভাইসগুলো শুধু গুগল আর
ইউটিউবে
চুরি, আর কেনা-বেচার
সাহায্যমূলক
তথ্যের চাহিদাই বাড়াবে।

20/01/2016

আমাদের কাছে অনেকেই অনেক রকম
মেসেজ করে থাকেন যদিও বেশীর ভাগ
মানুষই হ্যাকিং শিখা রিলেটেড জিনিষ
নিয়ে মেসেজ করেন। তবে এর মধ্যেও
অনেকেই তাদের ব্যক্তিগত জিজ্ঞাসা,
পরামর্শ চান! যথাসম্ভব সেগুলোর উত্তর
দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।
বেশীরভাগ সমস্যা গুলা বয় ফ্রেন্ড,
গার্লফ্রেন্ড এবং স্ক্যান্ডাল নিয়ে। এমন
প্রেম ভালবাসা, রিলেশন কেন করতে হবে
যেখানে আপনার বিবস্ত্র ছবি দিতে হবে?
যা আপনার অজান্তেই ছড়িয়ে যাচ্ছে
আরেকজনের কাছে আপনি টেরও পাচ্ছেন
না। দয়া করে এ ধরনের প্রেম, ভালবাসা
থেকে বিরত থাকুন। না হয় এ ধরনের
বিপদে পড়ে আপনার লাইফটা নরক হয়ে
যাবে! সাবধান থাকুন। এ ধরনের রিলেশন
থেকে দুরে থাকুন। ভাববেন না, শুধুই দুজন!
মাঝখানে কেউ হয়ত আড়ি পেতে বসে আছে!

18/01/2016

হ্যাকারদের হাত থেকে ফেসবুক ID বাঁচানোর ১০ টি উপায:-----

১//ফেসবুকমেইল জিমেইল ব্যাবহার
করা ভালো কারন জিমেইলের সব চেয়ে বেশি সিকিউরি তারপর জিমেইলে মোবাইল ভেরিফিকেশন চালু করুন ।

২//পাসওয়ার্ড কমপক্ষে ১২ ডিজিট করুন পাসওয়ার্ডে এইরকম চিহ্ন রাখুন */+=&^ $ #! ইত্যাদি।
৩//ফেসবুক মোবাইল ভেরিফিকেশন চালু করুন, ফেসবুক সিকিউরিটি Question এড করে রাখুন।

৪//কোন প্রকার গেমস apps ইন্সটল না করাই ভালো।

৫//কোন ওয়েবসাইটে গিয়ে ভুলে ফেসবুক লগইন করবেন না এতে আপনার ফেসবুক আইডি গায়েব হয়ে যাবে এইগুলো ফিস।

৬//Security Settings এ গিয়ে সব সেটিং করে নিন
→ Secure Browsing
→ Login Notifications
→ Login Approvals
→Active Sessions

৭// Application এ গিয়ে অজানা APPS গুলো রিমুভ করুন

৮//সাইবারক্যাফ বা ভার্সিটি থেকে ফেসসবুক লগইন করবেন না কারন কি লগার , ম্যালওয়্যার, ট্রোজান দিয়ে আপনার ফেসবুক হ্যাক করা সম্ভব।

৯// তাই বলছি সবাই
বেস্ট ইন্টারনেট সিকিউরিটি এবং Malwarebytes’ Anti- Malware নামের শক্তিশালি নিরাপত্ত ব্যাবহার করুন !!!!

১০//.ফেসবুকে আকর্ষ কোন লিংকে ক্লিক করবেন না।

01/12/2015

Hacker হতে চান তো? এদিকে আসুন।।

নিজের target ওয়েবসাইট কীভাবেহ্যাককরবেন? বিশেষ দ্রষ্টব্যঃযারা আসলেই“হ্যাকার”,তাদেরএই প্রশ্ন করার ওপ্রয়োজন হয় না।আমি চিন্তিতযে,যারা এই প্রশ্নকরে তারা এর আগে কিভাবে হ্যাককরেছে???!আর যদি নতুন হয়েথাকে,তবে এতো বড় দুঃসাহস তারাকিভাবে করে!যাই হোক,তার পরেও এই নিয়ে “কিছুএকটা” লিখে ফেললাম।আমি নিজেই“নোব”। কাজেই,লেখায় ভূল-ত্রুটিথাকবেই!ক্ষমা করে দিবেন দয়া করে।কিছু পারি না ঠিক,কিন্তু ভাল “কিছুএকটা” লিখার ক্ষমতা আছে বটে!!!অনেক বকবক করেছি!চলে যাই কাজে!!!হ্যাকিং কিন্তু এতোটা সহজ নয়!আমরাঅনেকেই হ্যাকার হতে চাই।কিন্তু এইপোষ্টে কিভাবে হ্যাকার হওয়া যায়এই বিষয় নিয়ে কিছু বলব না।মনে করুনআপনার হ্যাকিং এর যথেষ্ট জ্ঞানআছে।(যদি নাথাকে তবে আপনি কীভাবে হ্যাকিংশুরু করবেন?মিয়া মজা লন?!!!) আমরাজানি হ্যাকিং করতে হলে আপনাকেআগে vulnerability খুজে বের করতে হবে(না জানলে আগে হ্যাকিং এর টার্মগুলো আগে শিখুন!নাইলে কি মুড়িখাইতে আইছেন?)।পরে সেই সিকুরিটিহোল ধরে এগুতে হবে।তো আপনি যেসাইট target করেছেন,তার বিভিন্নজায়গা খুজে বের করে(যেখানেসাধারণত vulnerability থাকে) সেখানেআপনার জানা সকল(আগেই বলেছিআপনাকে “হ্যাকার হতে হবে” এবংটার্ম গুলো বুঝতে হবে!) exploit ব্যবহারকরুন।একটা না একটা উপায় তো অবশ্যই কাজকরবে(যদি হ্যাক করার উপযোগী হয় আরকি!না হলে মাথায় রাখবেন যে,”securitysystemবলে একটা কথা আছে কিন্তু!”)।যদি নাকরে,তবে আপনি গুগল হতে কিছুvulnerabilityscanner software ডাউনলোড করে নিতেপারেন।আমি কিছু vulnerability scanner এরনামবলে দিতে পারি যেমন, acunetix,Lucidityscanner,Vuln Hunter ইত্যাদি।এগুলোদিয়েআপনি target website কে scan করে নিলেসহজেই আপনার target website এর securityhole কেব্যবহার করে সাইটটি আপনার দখলেনিয়েযেতে পারবেন।তবে একটা কথা নাবলেপারছি না!অনেকেই php পারেন নাবলেwebsite hacking এর বদলে “Wapka Site”hackingকরতেচান।আপনাদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা।ভাই,আপনারে কি আমি “মগা” বলতেপারি?wapka site এর security system অনেকশক্ত।এরমধ্যে মূল wapka ই কেউ আজ পর্যন্ত হ্যাককরতে পারল না আর আপনি কিনা “সাবডোমেইন” হ্যাক করে নিতে চান।হ্যা,হয়তো হ্যাক হয়ে যাওয়া কিছুwebsite এরlink দিয়ে দিবেন।কিন্তু,আপনি জানেনকি,wapka site “ফিশিং,কি-লগিং,কুকিহাইজ্যাকিং” ইত্যাদি ছাড়া অন্যকোনmethod এ হ্যাক করা সম্ভব না(সাইটএডমিনতার password আপনাকে দিতে হবে-এইহচ্ছেমূল কথা।এবার আপনি তা যেভাবেইসংগ্রহকরুন,সেটা নিতান্তই আপনার ব্যাপার)।তাহলে,আপনি যদি আমার মত কারোsite(লুল) হ্যাক করার জন্য target করেথাকেন,তবে আপনি অসফল হবেন বৈকি!হ্যা,নিজেকে হ্যাকার জাহিল করতেহলে,ওয়াপকা তে সাইট খুলে “হ্যাকদবায়আবুল-সিকুরিতি ইজ ভেরি উইক আদমিন!!!চিকুর ইত ঃপীপী” লিখে সবাইকেদেখাতে পারেন কাজেই,মূল websiteহ্যাকিং করতে হলেআপনাকে “php” platform এই কাজ করতেহবে।অন্তত php না শিখুন,বেসিক টা বুঝতেপারলেই আপনি ভালভাবে কাজ করতেপারবেন।এই ছিল কীভাবে targetওয়েবসাইট হ্যাক করবেন।

31/10/2015

ফেসবুক আইডির নিরাপত্তা সর্বোচ্চ করুন…
হয়তো আজকের এই নিরাপত্তাই ভবিষ্যতের
কোন বিপদ থেকে আপনাকে বাঁচাবে
এমনিতে ভাবলে ফেসবুক এর জগত টা কিছুই
না আবার অন্যভাবে ভাবলে এই জগতটা
অনেক গুরুত্বপূর্ন
ভার্চুয়াল জগত টা ও আমাদের ব্যক্তিগত
জীবনের সাথে বিভিন্ন ভাবে সম্পর্কিত
থাকে… সুতরাং ব্যক্তিগত জীবনের শত্রুতা
থেকেও হতে
পারে আপনার ফেসবুক আইডি হ্যাক।
হতে পারে আপনার শত্রু যে কিনা আপনার
সফলতা দেখে ঈর্ষান্বিত … সে আপনার
ফেসবুক আইডির নিরাপত্তা কম থাকার
সুযোগ নিয়ে আইডিতে লগিন করে ইচ্ছা
মতো আপনার নামে আপনারই প্রোফাইল
থেকে উলটা পালটা কথা রটানো শুরু
করলো… ব্যাপার টা কিন্তু অনেক ভয়ংকর
এবং আপনার ব্যাক্তিগত জীবনেও অনেক বড়
প্রভাব ফেলতে পারে… সুতরাং ব্যাক্তিগত
জীবনে ঝামেলা বিহীন থাকার জন্যও
আমাদের উচিত ফেসবুক আইডির সর্বোচ্চ
নিরাপত্তা নিশ্চিত করা…
আপনাদের নিরাপত্তা জোরদার করতে
সাহায্য করার জন্যই আজকে আমার এই
পোষ্ট…
চলুন শুরু করা যাক-
ফেসবুক সিক্যুরিটি কোয়েশ্চনঃ

ফেসবুক আইডির একসেস নেয়ার জন্য এটি
বহুল ব্যবহৃত একটি পন্থা…
ধরুন আপনি ফেসবুক খোলার প্রথম দিকে
বুঝে না বুঝে সিক্যুরিটি কোয়েশচন এড
করেছিলেন এবং সেটার উত্তর মোটামোটি
ভাবে আপনার শত্রুও আন্দাজ করে বের করে
ফেলছে… তারপর যদি ২৪ ঘন্টা একাউন্ট এ
লগিন না করেন শত্রু ইচ্ছা করলেই আপনার
একাউন্ট এর একসেস নিয়ে নিতে পারবে।
ফেসবুকে এই সিক্যুরিটি কোয়েশ্চন এর উত্তর
একবার আপডেট করলে পরবর্তী তে আপডেট
করার ও উপায় নেই।
কোয়েশ্চন গুলা ও সাধারনত এরকম হয়
-আপনার দাদার পেশা কি?
-আপনার প্রিয় শিক্ষকের নাম কি?
যেগুলার উত্তর আপনার সম্পর্কে কেউ খোজ
খবর নিয়ে খুব সহজেই বের করে নিতে
পারবে । সুতরাং আপনার একাউন্ট এ যদি
এরকম সিক্যুরিটি কোয়েশ্চন এড করা থাকে
এমন টা হতেই পারে যে একদিন পর ফেসবুকে
লগিন করে দেখলেন আপনার একাউন্ট হ্যকড!

বাঁচার উপায়ঃ
খুব সহজেই আপনি এই সমস্যা থেকে মুক্তি
পেতে পারেন… এই ধরনের হ্যাক এক্টিভিটি
থেকে বাচার জন্য নিচের প্রসেস ফলো
করুন।
ফেসবুকে লগিন করুন
https://www.facebook.com/settings
তে যান
https://www.facebook.com/settings?tab=security তে যান

https://www.facebook.com/settings?tab=security§ion=trusted_friends&view Trusted Contacts এ গিয়ে আপনার পরিচত এবং বিশ্বস্ত ৩ জন বন্ধুকে ট্রাষ্টেড
কন্টাক্ট হিসেবে বাছাই করুন
ব্যাস… এখন আর কেউ সিক্যুরিটি কোয়েশ্চন
মেথড আইডি এর একসেস নিতে পারবে না
উত্তর জেনে ফেললেও…
বিঃদ্রঃ Trusted Contact লিষ্ট সব সময়
আপডেট করবেন এবং যেন আপনার ৩ জন বন্ধু
এই লিষ্টে সব সময় এড করা থাকে সেটা
নিশ্চিত করবেন।
মোবাইল নম্বরঃ
আমরা ফেসবুকে নম্বর এড করে রাখি যেন এই
নম্বর দিয়ে পরবর্তীতে আইডির পাসোয়ার্ড
রিকভার করে নিতে পারি।
কিন্তু এই ফোন নম্বর ব্যবহার মাধ্যমেই যে
কেউ আপনার আইডি হাতিয়ে নিতে পারে।
আপনি বলতে পারেন আপনার সীম তো
আপনার কাছেই থাকে… তবে কীভাবে
আপনার নম্বর ব্যবহার করেই আইডি হাতিয়ে
নিবে?
উত্তর হলো ভাই এটা বাংলাদেশ… টাকার
বিনিময়ে সব কিছুই পসিবল….আপনার শত্রুর
যদি কাস্টমার কেয়ার এ কাজ করে এমন
কারো সাথে জানাশোনা থাকে এবং সে
চায় আপনার নম্বর তার নামে রিপ্লেস
করতে সে এটা পারবে … টাকার বিনিময়ে
হোক অথবা সখ্যতার বিনিময়ে…
বাঁচার উপায়ঃ
প্রথমেই চেষ্টা করুন এমন নম্বর ফেসবুকে
এড করে রাখতে যেটার খবর কেউই
জানে না… অর্থাৎ সিক্রেট কোন নম্বর
অথবা যদি সবাই জানে এরকম নম্বর ই এড
করে রাখতে চান তবে অবশ্যই সঠিক
কাগজ পত্র দিয়ে নম্বর টা ভেরিফাই
করে নিন এবং অন্য কেউ যেন আপনার
নম্বর নিজের নামে রিপ্লেস করতে না
পারে সে ব্যাবস্থা গ্রহন করুন।
ইমেইলঃ
আপনার একাউন্ট এ যে ইমেইল টা এড আছে
সেটা হ্যাক করার মাধ্যমেও হ্যাক হতে
পারে আপনার ফেসবুক।সুতরাং আপনার
ইমেইল আইডির সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দান ও
ফেসবুক সিক্যুরিট এর মাঝে পরে।
বাঁচার উপায়ঃ
এমন একটা ইমেইল ব্যাবহার করুন যেন
সেটা সহজেই কেউ আন্দাজ করতে না
পারে…
জিমেইল একাউন্ট ব্যাবহার এর চেষ্টা
করুন । ইয়াহু ব্যবহার করলে কয়েকদিন পর
পর লগিন করুন… কারন ইয়াহু একাউন্ট এ
এক নাগারে কয়েক মাস লগিন না করলে
একাউন্ড ডিজেবল করে দেয়।
ইমেইল আইডির নিরাপত্তার জন্য সবাই
জানে এমন ইমেইল ব্যবহার করলে অই
ইমেইলে এমন ফোন নম্বর ব্যাবহার করুন
যেটা কেউ জানেনা এবং ফোন নম্বর
সম্পর্কে জানলেও কেউ রিপ্লেস করতে
পারবে না সেটা নিশ্চিত করুন। সীম
নিজের নামে রেজিষ্ট্রেশন করে নিন।
ফিশিংঃ
ফিশিং হলো এক প্রকার ফাঁদের মতো।এর
মাধ্যমেও অনেকে আপনাকে বোকা
বানিয়ে আইডি হাতিয়ে নিতে পারে।
ফিশিং হলো এমন একটা উপায় যার মাধ্যমে
নকল একটা ওয়েবপেইজ যেটা আসলটার মতো
দেখতে তৈরী করা হয় এবং ভিক্টিম কে সে
নকল সাইটের লিংক টা দেয়া হয়।। ভিক্টিম
যদি সেই নকল সাইটকে আসল ভেবে লগিন
করে তখন ভিক্টিম এর ইউজার নেম/
পাসোয়ার্ড চলে যায় ফিশিং সাইট যে
তৈরী করেছে তার হাতে।
বাঁচার উপায়ঃ
কেউ যদি আপনাকে ইনবক্সে কোন
লিংক দিয়ে সেখানে গিয়ে লগিন
করতে বলে এবং বিভিন্ন টাইপ লোভ
দেখায় তবে লগিন করবেন না..যদি
লগিন করেন ও অবশ্যই অই সাইটের ওয়েব
লিংক[http://example.com] টা আসল
নাকি মিলিয়ে নিবেন ।
যদি কখনো মনে করেন আপনি ফিশিং
সাইটে ইউজার নেম এবং পাসোয়ার্ড
দিয়ে ফেলেছেন সাথে সাথে সে
পাসোয়ার্ড পরিবর্তন করে নিবেন।
ফেসবুক এপঃ
ফেসবুক এপ ব্যবহারের মাধ্যমেও আপনার
আইডিতে এপ ডেভেলপার একসেস টোকেন
এর সাহায্যে যেকোন কিছু পোষ্ট করতে
পারে।তা কোন ফেসবুক এপকে একসেস
দেয়ার সময় দেখে নিন সেটা বিশ্বস্ত
কিনা এবং কোন এপ প্রয়োজনের বেশী
একসেস চাইলে [পেজ একসেস/মেসেজ ভিও
একসেস ] যেটা তাদের দরকার নেই তাহলে
সে এপ ব্যাবহার না করাই ভালো ।
এইসব সতর্কতা গুলো মেনে চললে
ইনশাআল্লাহ আপনার আইডি সহজে কেউ
হ্যাক করতে পারবে না।

21/09/2015
19/09/2015

আজ একটা রোমান্টিক Story শেয়ার করলাম।।
পড়ে সবই মজা পাইবেন:-----------------

রম্যঃ বাসের সিট বিড়ম্বনা ও কথোপকথন
একটি বাসের পাশাপাশি সিটে দুই নারী-
পুরুষের গন্ত্যব্যে যাওয়া ও কিছু কথোপকথন
এমন......
নারীঃ এই যে ভাই, এতো গুলো সিট ফাঁকা
থাকতে এই সিটেই কেন বসলেন আপনি?
পুরুষঃ কোন সিটে বসবো, সেটা কি আপনার
কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে নাকি?
নারীঃ কেন, মেয়েদের পাশের সিট ফাঁকা
দেখলে সেখানেই বসতে হবে কেন?
আশেপাশে তো আরও অনেক সিট ফাঁকা
আছে!
পুরুষঃ আরে, ভালো জ্বালাতো, আপনি এতো
পিছনে এসে বসেছেন কেন? সামনে
মেয়েদের সিটে বসলেই পারতেন?
নারীঃ আমি কোথায় বসবো সেটা কি
আপনার কাছে শিখতে হবে নাকি? মেয়ে
দেখলে পাশে না বসলে ভালো লাগেনা না!
জত্তসব!
পুরুষঃ না লাগেনা, তাই বসলাম!
আশে পাশের অন্য সিটের যাত্রীরা এবার
একটু এদিকে তাকাতে লাগলো, আড় চোখে
আর কিছুটা উসখুস করতে লাগলো। কিন্তু কেউ
কিছু বলল না। আর সেই দুই যাত্রীও চুপ করে
গেল কিছু সময়ের জন্য।
একটু পরে আবার...... এবার সেই পুরুষঃ
পুরুষঃ এক্সকিউজমি, আপনি একটু জানালার
পাশে চেপে যান-না! আমি ঠিক বসতে
পারছিনা।
নারীঃ আমি আমার সিটে বসেছি, আপনার
সমস্যা কি? আপনি অন্য সিটে যান, অনেক
সিট ফাঁকা পরে আছে। আপনার পাশের সিটও
ফাঁকা ওখানে যান, আরাম করে বসেন।
পুরুষঃ কেন আপনি যান অন্য সিটে আমি এই
সিটেই যাব! আপনি চেপে বসেন।
নারীঃ কেন? চেপে বসবো কেন? আপনি
আপনার কনুই সরান, গাঁয়ে লাগছে!
পুরুষঃ আপনি তো আমার সিটের অর্ধেক দখল
করে নিয়েছেন, আমি কি করতে পারি?
নারীঃ তাই বলে আপনি আপনার কনুই কেন
আমার গাঁয়ের সাথে লাগাবেন! ফাইজলামি
নাকি?
পুরুষঃ শুনেন এক কাজ করেন......
নারীঃ কি কাজ?
পুরুষঃ আপনি আশে-পাশের মানুষকে আমার
নামে কমপ্লেন করেন। যে আমি আপনাকে
বিরক্ত করছি!
নারীঃ কেন কমপ্লেন করবো কেন? দরকার
নাই আপনি একটু চেপে বসুন।
দুজনেই আবার চুপ, এবার আবার অন্য যাত্রীরা
উশখুশ করতে লাগলো, তাকাতে লাগলো ওই
নারী-পুরুষের দিকে, এঁকে অন্যদের দিকে
জিজ্ঞাসু ভঙ্গিতে তাকাতে থাকলো। নারী-
পুরুষ ও সেটা দেখতে লাগলো। কিন্তু চুপচাপ!
আবার শুরু হল......
পুরুষঃ আচ্ছা আপনার বাসায় কে কে আছে?
নারীঃ কেন?
পুরুষঃ না এমনি-ই জিজ্ঞাসা করলাম...!
নারীঃ সবাই আছে।
পুরুষঃ তাহলে কি.........
নারীঃ নাহ, আমার হাজবনড অনেক ভালো
মানুষ।
পুরুষঃ নাহ, ভালো হতেই পারে, তবে
হয়তো............!!
নারীঃ ফালতু ইঙ্গিত করবেন না......! নিজের
চরকায় তেল দেন।
পুরুষঃ আমি কি এমন ইঙ্গিত করলাম, বললাম,
মানে বলতে চাইলাম, হয়তো ঠিক জমছেনা
আজকাল!
নারীঃ মানে, কি জমছেনা, একদম ফালতু
কথা বলবেন না!
এবার আশে পাশের মানুষজন বেশ উৎসুক আর
কিছুটা বিরক্তও, কিছু বলবে বা করবে কিনা
তেমন অভিব্যাক্তি! কিন্তু আবার সেই দুই
নারী-পুরুষ চুপচাপ! একেবারেই! কেউ কারো
দিকে দেখছেও না, যে যার মতন!
আবার... এবার নারী......
নারীঃ পুরুষের গালে আলতো করে হাত
ছোঁয়াল!
পুরুষঃ আঁতকে উঠে, কি করছেন?
নারীঃ কি করছি মানে? আমার যা ইচ্ছে!
পুরুষঃ ফাইজলামি নাকি, সরান, হাত সরান!
দূরে যান।
এবার বাসের লোকজন ক্ষেপে উঠলো প্রায়,
কিন্তু এখনো কিছু বলেনি, শুধু ফুঁসছে, ফেটে
পড়বে যে কোন সময়! নারী-পুরুষ আবার চুপ!
একেবারেই। নেই কোন কথা, কোন চাহুনি
কারো দিকে! আজব!
এবার আবার পুরুষ......
পুরুষঃ চলেন বাসায় যাই!
নারীঃ মানে? কোথায় বাসায়? কার বাসায়?
পুরুষঃ আমার বাসায়! চলেন যাই!
নারীঃ না, আমি কেন আপনার বাসায় যাবো?
আমি আমার কাজ শেষ করে আমার বাসায়
যাব।
পুরুষঃ আজকে না হয় আমার বাসায়-ই
গেলেন...!!
নারীঃ নাহ যাবনা............
এই বার লোকজন হইহই করে উঠতেই, একটু
জ্যামে বাস থামলো আর নারী-পুরুষ দুইজন
একই সাথে এই নামার জায়গা চলে এসেছে,
চলে এসেছে......
পুরুষঃ ভাই একটু স্লো করেন, নামবো মহিলা
আছে সাথে...!
নারীঃ ড্রাইভারকে ভাই একটু সাইড করেন,
নামবো তো?
হেল্পারঃ ওস্তাদ মহিলা আছে, নামাইয়া
দেন।
পুরুষটি আগে নামলো...
মহিলা গেটে গিয়ে রাস্তায় বাম পা
বাড়াল...
পুরুষটি নেমে তার ডান হাত বাড়িয়ে দিল...!
মহিলা তার বাম হাত পুরুষটির ডান হাতে
রেখে বাস থেকে নামলো...!!
বাস থেকে উৎসুক যাত্রীরা জানালা দিয়ে
গলা বাড়িয়ে দেখতে লাগলো, আহাম্মকের
মত! আজব কোন ঘটনা!
রাস্তা থেকে বাসের অন্যসব যাত্রীদের এই
অদ্ভুত আর কিংকর্তব্যবিম্বুঢ় চেহারা দেখে
সেই নারী-পুরুষ হেসেই কুটিকুটি!
কারণ? তারা দুজনেই এঁকে-অন্যের সঙ্গী আর
সঙ্গিনী! বাসে উঠেছিল একেবারেই বাস
ছাড়ার শুরুতে, দুজনেই, আর কোন যাত্রী তখন
ছিলনা সেই বাসে।
যেটা বাসের হেল্পার আর ড্রাইভার
জানতো!
কেমন হল...............!!!
শুক্রবারের রম্য...!!!

30/06/2015

হ্যাকিং নিয়ে অনেকে পোস্ট
করলেও হ্যাকার কারা ও
কতো প্রকার লিখেই পোস্ট শেষ
করে দেন|
এতে করে যারা হ্যাকিং শিখতে চায়,
তারা আর শিখতে পারে না | তাই
আজ আমি আপনাদের জন্য
নিয়ে এলাম হ্যাকিং টিউটোরিয়াল
সম্পূর্ন বাংলায় |
তারপরও মানুষ
মাত্র ই ভুল| তাই কোন ভুল
হলে ক্ষমা করবেন|
DNN (Dot Net Nuke) ওয়েব
হ্যাকিং সম্পূর্ণ বাংলা
*DNN কি?
DNN হল মাইক্রোসফট এর
এসপি (ASP)
প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এর
একটা বাগ (Bug).এর সম্পুর্ন
নামঃ Dot Net Nuke। এর
মাধ্যমে আমরা ফাইল/শেল
আপলোড করতে পার ব।
*যে কোন সাইট কি হ্যাক
করা যাবে? না, যে সকল সাইট এই
Vulnerable সে সকল সাইট হ্যাক
করা যাবে। অনেক সাইট এ
Hackable.
*কি ভাবে পাব Vulnerable সাইট?
মামু আছে না! মামু
থাকতে চিন্তা নাই।
আমি কয়েকটা ডর্ক
দিচ্ছি যা দিয়ে সহজেই
Vulnerable সাইট বের
করতে পারবেন।
inurl:/portals/0
inurl:Providers/
HtmlEditorProviders/Fck/
fcklinkgallery.aspx
inurl:"Fck/fcklinkgallery.aspx"
এখন রেজাল্ট এর একটা সাইটএ
ক্লিক করুন আপনি এইরকম
দেখতে পাবেন /site_external_link.xhtml?get-
link=আপনারসাইট/HtmlEditorProviders/Fck/
fcklinkgallery.aspx এখন ৩নং
অপশনটি[File(A File On Your
Site)] সিলেক্ট করুন।
এখন
ব্রাউজার এর এড্রেসবার এর
লিখুন……..>
javascript:__doPostBack(‘ctlURL
$cmdUpload’,”)
*STOP
এইপ্রজন্ত এসে থামুন । এখন
যে সাইট হ্যাক করবেন ওই
সাইটে যান নতুন একটি ট্যাব খুলে।
মানে, আপনি ধরেন এখন www.demo .com
সাইটটি হ্যাক
করবেন। ওইখানের হোমপেজ এ
যান। তারপরযেকোন একটা ইমেজ
এ Right বাটন এ ক্লিককরুন।
এন্টার এ চাপ দিন। এখন নতুন
একটি অপশন দেখতে পাবেন
তারপর দেখবেন “Open Image In
New Tab” এই খানে ক্লিক করুন।
মানে ইমেজটি নতুন একটি ট্যাব এ
ওপেন করুন। এখন খেয়াল করুন
ইমেজ টি কি নামে আছে।
এখন
আপনি Photoshop/
Gimpদিয়ে একটা ইমেজ
বানিয়ে ফেলুন। Hacked by thund3r_b0y
(আপনার ইচ্ছামত)
ইমেজটি সেভ করবেন ওই
ইমেজের
নামে যে নামে ইমেজটি সাইটে আছ
ব্যাস এখন আবার আগের
জায়গায় ফিরে যান।
যে নতুন
অপশনটি আসছিল
ওইখানে গিয়ে আপলোড করুন।
এখন সাইটের হোমপেজ এ
গিয়ে দেখুন আগের ইমেজটি নেই,
আপনার ইমেজটি আছে(!)
হয়ে গেল হ্যাক
*আবারো অন্য ভাবে আগের মতই
STOP প্রজন্ত আসুন। তারপর
নতুন আপশনটি তে ক্লিক
করে একটা শেল আপলোড করুন।
আপনাকে সরাসরি ASP ফাইল
আপলোড করতে দিবে নাL এই
জন্য ট্রিকস ব্যাবহার
করতে হবে। J আপনার শেল
টা রিনেম করুন লিখুন thund3r_b0y.asp;.jpg
এখন আপলোড
করুন দেখুন আপলোড
করতে দিচ্ছে।
ওহ
আপনাকে অবশ্যই ASP শেল
ব্যাবহার করতে হবে। PHP শেল
কিন্তু কাজ করবে না।
শেল
আপলোড হয়ে গেলে এইখানে যান
/site_external_link.xhtml?get-
link=ভিক্টিম.com/portals/0/
thund3r_b0y.asp;.jpg
“ভিক্টিম” এর জায়গায় আপনার
Hackable সাইটের নাম লিখবেন।
তারপর পেয়ে যাবেন শেল
একসেস। ইয়া ইয়া হুপুরা সাইট
আপনার কট্রলে । তেমন
ক্ষতি করবেন না।
আর যারা একটু
Advance তারা Backconnect
দিয়ে সার্ভার Root করে ফেলুন ।

Address

কুমিল্লা কান্দিরপাড়
Comilla
3650

Telephone

1865254539

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আসুন আমরা সবাই হ্যাকিং এর কাজ শিখি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share