আল্লাহ এক , অদ্বিতিয় এবং আমরা তার সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ উম্মত

  • Home
  • আল্লাহ এক , অদ্বিতিয় এবং আমরা তার সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ উম্মত

আল্লাহ এক , অদ্বিতিয় এবং আমরা তার সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ উম্মত আল্লাহ এক এবং অদ্বিতিয়

16/06/2014

মা’য়ের সাথে ভালো আচরনের
প্রতিদান
হযরত আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত,
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন,
আমি ঘুমিয়ে ছিলাম।
স্বপ্নে দেখলাম,
জান্নাতে প্রবেশ করেছি। সেখানে
কোন পাঠকের পড়ার আওয়াজ
শুনতে পেলাম।
আমি জিজ্ঞাসা করলাম,
ইনি কে? তারা (ফেরেশতা) বললেন,-
ইনি হারেছা ইবনে নোমান। তখন
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম বললেন,
এমনই হয় সেবা ও সদাচরনের
প্রতিদান, এমনই হয় সেবা ও
সদাচারের বিনিময়।তিনি ছিলেন
তার মায়ের প্রতি সর্বাধিক
সদ্ব্যবহারকারী।
{মুসনাদে আহমদ, হাদীস : ২৫১৮২;
সুনানে নাসায়ী কুবরা, হাদীস :
৮২৩৩;
সহীহ ইবনে হিববান,
হাদীস : ৭০১৪}
আল্লাহ আমাদেরকে পালন
করার তৌফিক দান করুক.....
আমিন

15/06/2014

জিহাদ নিয়ে অপব্যাখ্যা বন্ধ করুন
বর্তমান পৃথিবীতে আজ তিন ধরণের
লোক
তিনভাবে জিহাদের ভুল
ব্যাখ্যা করার মত
ঘৃণিত কাজ নিয়ে ব্যস্ত আছে।
১, ইহুদী খ্রিষ্টান হিন্দু সহ ইসলামের
দুশমনরা জিহাদকে মিডিয়ার
মাধ্যমে মানুষের সামনে সন্ত্রাস
হিসেবে পেশ করে।
২, এদের এই
প্রচারণা থেকে ইসলামকে বাচানোর
জন্য
একদল ভীতু কাপুরুষ
আড়ালে আবডালে আসল
জিহাদকেই অস্বীকার
করে বসে এবং কুরআন
ও হাদীসে বর্ণিত জিহাদের অর্থের
বিকৃতি ঘটায়। এদের মধ্যে কেউ
মিডিয়ার
দাওয়াতকে জিহাদ
নামে আখ্যায়িত
করে। তাবলীগ জামাতের আমীর
মাওলানা সাদ চিল্লার
কাজকে সবচেয়ে বড় জিহাদ বলেন।
একদল
গণতন্ত্রের নামে মিছিল
মিটিং হরতালকে আসল জিহাদ
বলে প্রচার চালায়। এদের মতই
অনেকেই
কলমের দ্বারা বক্তব্যের
দ্বারা সংগঠনের
দ্বারা দ্বীনের দাওয়াতকে অন্যতম
জিহাদ
হিসেবে ঘোষণা করে।
৩, এর বিপরীতে একদল
নামধারী খারেজীপন্থী মুজাহিদ
মুসলিম
সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র উত্থানকেও
জিহাদ নামে আখ্যায়িত করে,
যা মূলত
বাগাওয়াত বা বিদ্রোহ যার
শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।
এই তিন ধরণের ব্যাখ্যার
মাঝামাঝি হচ্ছে আহলে সুন্নাত
ওয়াল
জামাতের জিহাদের সত্যিকার
ব্যাখ্যা।
জিহাদ শুধু অমুসলিমদের
বিরুদ্ধে এবং ইসলামী খিলাফাতের
অধিনস্ত যদি কেউ বাগাওয়াত
বা বিদ্রোহ
করে তাহলে মুসলিম হওয়ার পরও তাঁর
বিরুদ্ধে যুদ্ধ চলবে। এবং দাওয়াতের
কাজ
চাহে তা মিডিয়ার
মাধ্যমে বা লেখার
মাধ্যমে বা অন্য কিছুর মাধ্যমে হোক
তাকে জিহাদ বলা শরীয়তের
জিহাদের
অপব্যাখ্যা। হ্যাঁ, এগুলোও দ্বীনের
কাজ
কিন্তু তা জিহাদ নয়। মুফতী সাঈদ
আহ্মাদ
পালানপুরী বলেছিলেন একজন ব্যাগ
বাগেজ নিয়ে মসজিদ মসজিদ
ঘুরছে বা এসি রুমে কম্পিউটার
চালাচ্ছে আরেকজন মাথায় কাফন
বেঁধে হাতের মুঠোয় জীবন
নিয়ে আল্লাহর
রাস্তায় বের হয় উভয়েই সমান?????
আস্তাগফিরুল্লাহ
১ম দলের জবাব দেয়ার প্রয়োজন নাই।
কেননা আমেরিকা ইসরাইলের মত
কুখ্যাত
নরখাদক রক্তপিপাসুরা ভাল করেই
জানে ইসলামের জিহাদ সন্ত্রাস নয়
বরং মানবতাকে অত্যাচারীর
যাঁতাকল
থেকে মুক্তি দিয়ে শান্তির
পতাকাতলে সমবেত করতে অতাচার ও
সন্ত্রাসের বিরুদ্ধেই ইসলামের
জিহাদ।
আর ২য় দল জিহাদ কে তাঁর শাব্দিক
অর্থে গ্রহন করেছে।
কেননা জিহাদের
শাব্দিক অর্থ চেষ্টা করা। আর দ্বীনের
জন্য
প্রত্যেক কাজের মধেই
চেষ্টা রয়েছে।
অতএব দ্বীনের জন্য প্রত্যেক কাজ
জিহাদ। এই
বলে তারা জিহাদের নামে বর্ণিত
সকল
ফজিলত কে নিজেদের কাজের
পিছনে লাগায়। যেমন রাসুল
ছাঃ বলেছেন আল্লাহর রাস্তায় এক
সকাল
বা এক সন্ধ্যা ব্যয় করা দুনিয়া ও উহার
মাঝে যা কিছু আছে তাঁর
চেয়ে উত্তম।
প্রত্যেক দল তাদের কাজের জন্য এই
হাদিসকে পেশ করে থাকে। বিশেষ
করে চিল্লার কাজের কথার
তো বলার
অবকাশ রাখেনা। অথচ এই
হাদিসকে জিহাদ ব্যতিত অন্য
কাজে লাগানো কুরআন ও হাদীসের
তাহ্রীফ সমতুল্য।
আপনি আশ্চর্য হবেন ইমাম
বুখারী রহঃ এই
হাদিসকে কিতাবুল জিহাদ এ
নিয়ে এসেছেন আর আমরা এই
হাদিসকে কিতাবুত তাবলীগ বিল
মিডিয়া ও কলম এ নিয়ে গেছি।
আস্তাগফিরুল্লাহ।
ইসলামী শরীয়তের পরিভাষায়
জিহাদ শুধু
জিহাদের জন্য অন্য কিছুর জন্য নয়।
জিহাদ এর
শাব্দিক অর্থ গ্রহন করা হলে শরীয়তের
পরিভাষা থেকে সরে যাওয়া হবে।
যেমন
সালাতের শাব্দিক অর্থ দুয়া করা,
যাকাতের শাব্দিক অর্থ পরিস্কার
করা,
সিয়ামের শাব্দিক অর্থ বিরত থাকা,
হজ্জের শাব্দিক অর্থ সংকল্প করা। এখন
আপনি যদি শুধু দুয়া করে বলেন সালাত
আদায় করলাম। বছরে একবার ঘর
বাড়ী পরিস্কার করে বললেন জাকাত
আদায় করলাম। শুধু
খাওয়া থেকে বিরত
থেকে বললেন সিয়াম থাকলাম
এবং ঘরে বসে সংকল্প করে বললেন
হজ্জ
করলাম। তাহলে আপনি যেমন
শরীয়তের
বিকৃতি ঘটাবেন ঠিক
তেমনি জিহাদকে শাব্দিক
অর্থে গ্রহন
করলে আপনি শরীয়তের
বিকৃতি ঘটাবেন।
অতএব নিজে জিহাদ
করতে না পারলেও এর
অপব্যাখ্যা করবেন না।
আর ৩য় দল মুসলিম শাসকের সামান্য
ত্রুটি কে বা কাবীরা গুনাহ
কে মানুষের
কাফের হওয়ার জন্য যথেষ্ট
মনে করেছে।
যা স্পষ্ট খারেজীদের আকিদা। এদের
জবাবে শুধু অনুরোধ করব ইমাম মুসলিমের
কিতাবুল ঈমান পড়ে দেখুন। যতক্ষণ
একজন
মানুষ
কালেমা পড়ে এবং আল্লাহকে মাবুদ
ও মুহাম্মাদ ছাঃ কে রাসুল
হিসেবে মানে ততক্ষণ সে যাই করুক
না কেন
আপনি তাকে হত্যা করতে পারেন
না। তবে হ্যাঁ যে কাজ করলে ইসলাম
হত্যার
নির্দেশ দিয়েছে তা ব্যতিত যেমন
কিসাস। আর এটাও সরকারের অধীন
আপনার
নয়।
আমার জানামতে এক সাথে এই তিন
ভ্রান্ত ব্যাখ্যার উপর আলোচনা খুব কমই
হয় ।
তাই আজকের এই আলোচনা ভাল
ভাবে নিজের ব্রেনে বসিয়ে নিন।
হে আল্লাহ তুমি আমাদের হেদায়েত
কর।
আমীন

Address

U.K , Pahartali , Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আল্লাহ এক , অদ্বিতিয় এবং আমরা তার সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ উম্মত posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

  • Want your business to be the top-listed Event/venue?

Share